থানায় জিডি করার নিয়ম - জিডি করার পর কি হয়?
প্রিয় বন্ধুগণ এবার আমাদের কাছে একটি বিষয় নিয়ে এসেছি যা অনেকেই এটা নিয়ে চিন্তা করেন যখন আমরা কোনরকম সমস্যায় পড়ি তখন তো আমাদেরকে অবশ্যই পুলিশের কাছে যেতে হয় এবং এমন সময় অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান জিডি করার জন্য আছে আপনাদের জানানো হবে,থানায় জিডি করার নিয়ম হুমকির জিডি করার নিয়ম । এ বিষয়টির মাধ্যমে আপনি সকল তথ্য ও ভালো মত জেনে যাবেন।
প্রিয় বন্ধুরা যখন কেউ হুমকি দিয়ে থাকে সাধারণত সে সময় থানায় জিডি করতে হয় ।কিন্তু এমন সময় অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে ।যে জিডি করার সঠিক নিয়ম কি এবং সঠিক নিয়মে কিভাবে জিডি করতে হয় তো আপনি যদি এই বিষয় নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাহলে আজকের এই পোস্ট আপনাদের জন্য চলুন দেখা যাক এই পোস্টটা কী রয়েছে।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সুস্থ ও ভালো আছেন।আমাদের আজকের আর্টিকেল থানায় জিডি সম্পর্কে। আজকের আর্টিকেলটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমরা বিভিন্ন দিক যেমন- থানায় জিডি করার নিয়ম,হুমকির ডিজি করার নিয়ম, হারানো ডিজি করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আরো পড়ুন
দয়া করে আপনারা সম্পূর্ণ আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন। পুলিশ প্রশাসনিক ইউনিটকে থানা বলা হয়। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে সামরিক শাসক হিসেবে থানাকে উপজেলায় উন্নত করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তবে এখনো থানা পুলিশি ব্যবস্থাপনায় ইউনিট হিসেবে বিদ্যামান রয়েছে। বাংলাদেশে মোট ৬৫২ টি থানা রয়েছে।
সর্বোচ্চ থানার পরিধি ১০বর্গ ক্রোশ বা ৪০ বর্গমাইল নির্ধারণ করা হয়েছে। থানা অনুযায়ী পুলিশের কার্যপ্রণালী বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।যেমন: মডেল থানা, হাইওয়ে থানা ইত্যাদি হয়ে থাকে। ‘থানা’ বলতে প্রাথমিক ভাবে সম্পূর্ণরূপে পুলিশি এখতিয়ারভুক্ত এলাকা বোঝানো হয়।থানায় সাধারণ ডায়েরি করার জন্য ওসি বরাবর আবেদন করে থানার ডিউটি অফিসারের নিকট দাখিল করতে হয়।
ডিউটি অফিসার আবেদনটি সাধারণ ডায়েরি রেজিস্টারে এন্ট্রি দিয়ে আবেদনকারীকে জিডি নং প্রদান করে থাকেন। ডিউটি অফিসার আবেদনটি ওসি’র নিকট উপস্থাপন করেন। ওসি তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদন্তের ব্যবস্থা করেন।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা থানা সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন।আমরা থানার ডিজি সম্পর্কে পরবর্তী পাঠে আলোচনা করবো,আশা করি আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
থানায় জিডি করার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে থানা সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন।আমরা এখন আলোচনা করবো থানায় জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে। চলুন জেনে নিন কিভাবে আপনারা থানায় জিডি করতে পারবেন।জেনারেল শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপকে ডিজি বলা হয়। ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয় প্রতিটি থানায়।সকাল ৮টা থেকে শুরু করে পরের দিন সকাল ৮টা পযন্ত ডিজি করা হয়।
একটি জিডি ডাইরিতেথানার কাজকর্মগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে অর্থাৎ কোর্টে আসামে চালান দেওয়া এবং এলাকার বিভিন্ন তথ্য এছাড়াও থাকে বড় বড় কর্মকর্তাদের আসা যাওয়া এবং কী জন্য এসেছিল এসব তথ্য।।অনেক সাধারন মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোনো থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকে।
আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি আপনারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও আপনারা জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর তাদের প্রয়োজনীয় যেসব পদক্ষেপ রয়েছে সেগুলো নিয়ে থাকে এবং। জিডি করার বিষয়টি যখন মামলা যোগ্য হয় তখন পুলিশ সে বিষয়ে মামলা করে থাকে এবং তাদের যদি প্রয়োজন মনে হয় তাহলে তারা তদন্ত করা ছেড়ে দিয়ে মামলা করে থাকে।।
আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।বর্তমানে অনলাইনে ও ডিজি করা যায়।এখন কিছু ক্ষেত্রে যেমন পাসপোর্ট হারানো, বোখাটে বা মাদক সেবীদের সম্পর্কে তথ্য প্রদান বা এজাতীয় ক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করা যেতে পারে।
বা সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স বা ই-মেইল করতে পারেন। অনলইন পদ্ধতিতে দেশের বাইরে থেকেও এখন জিডি করা সম্ভব। অনলাইনে জিডি করার পর ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিডি নম্বরটি জিডিকারীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।এভাবে অনলাইনে ডিজি করা যায়।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেনথানায় জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে।
আশা করি আপনারা যারা ডিজি করার নিয়ম জানেন না তারা জানতে পারবেন।এবং থানায় ডিজি করতে পারবেন।
হুমকির জিডি করার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে উপরিউক্ত আলোচনায় থানায় জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছেন।আশা করি আপনারা যারা থানায় ডিজি করার নিয়ম জানেন না, তারা ডিজি করা শিখতে পারবেন।এবং অনলাইনে ও থানায় জিডি করতে পারবেন। আমরা এখন আলোচনা করবো হুমকির জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে। বন্ধুরা আপনারা দয়া করে মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
বন্ধুরা আমরা অনেকেই রাস্তা ঘাটে পথে বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ে থাকি।ছিন্তায়কারীরা হুমকি দিয়ে মানুষের জিনিস পত্র লুটে নেয়।এজন্য অনেকেই বিপদের মধ্যে পড়ে যান।তাই সমাধানের জন্য থানায় ডিজি করতে হবে।থানায় হুমকির জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে আজকের এই আপনি পরিষ্কারভাবে জেনে যাবেন কেউ যদি আপনাকে হুমকি দেয় এবং জিডি করে থাকে এবং সে সময় আপনার করণীয় কি।
আর আপনি যদি এ বিষয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। বিশেষ করে, একা একা রাস্তায় চলাফেরা করতে ভয় পান।আপনারা যদি সাধারন ডায়রি করা সম্পর্কে জেনে থাকেন।তাহলে আপনারা হুমকির ডিজি ও সহজেই করতে পারবেন।সাধারণ ডায়েরি করার মতোই হুমকির ডায়রি করা হয়। দুটি ঠিক একই রকম ডিজি হবে। কিন্তু আপনাদের শুধু হুমকির ঘটনাটি আলাদা ভাবে বর্ণনা করতে হবে।
কারণ সবার ঘটনা একরকম হয়না। কারো জমি সংক্রান্ত বিবাদ হতে পারে, আবার কারো টাকা পয়সা নিয়ে বিবাদ হতে পারে,বিভিন্ন মিথ্যাচার নিয়ে বিবাদ হতে পারে,সোনা দানা নিয়ে বিবাদ হতে পারে তাই হুমকির নমুনা যদি ঠিক রেখে শুধু বিভাগের ঘটনা আলাদা ভাবে লিখতে হবে। তাহলে হুমকির ডিজি সটিক হবে।আপনারা এখন অনলাইনের মাধ্যমে থানায় হুমকির জিডি করতে পারবেন।
আগেরসময় গুলোতে শুধুমাত্র অফলাইনের মাধ্যমে, থানায় জিডি বা হুমকির ডিজি করা সম্ভব ছিল।কিন্তু বর্তমানে অফলাইনের পাশাপাশি আপনারা খুব সহজে অনলাইনের থানায় জিডি করার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা হুমকির জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনাটি আশা করি ভালো লাগবে।
এই আলোচনা পড়ে আপনারা সঠিক সময় বা নিয়মে হুমকির ডিজি করতে পারবেন। আমরা আপনাদের মাঝে সঠিক তথ্য দিয়ে থাকি।আশা করি এটি পড়ে আপনারা সঠিক তথ্য ও নিয়ম জানতে পারবেন।
হারানো জিডি করার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা ভালো আছেন।আমরা ইতিমধ্যে থানায় জিডি করা সম্পর্কে অনেক আলোচনা করেছি। তার থেকে আপনারা ইতিমধ্যে ধারনা নিতে পেরেছেন।আমরা এখন আপনাদের জানাবো হারানো জিডি করার নিয়ম সম্পর্কে। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অনেকেই হারানো ডিজি করার নিয়ম সম্পর্কে প্রশ্ন করে থাকেন অনেকের কাছে এটি অজানা।
আরো পড়ুন
আজকে আপনাদের হারানো ডিজি করার নিয়ম সম্পর্কে জানাবো।আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারবেন।টাকা,সোনার গহনা,দামি ফোন,মোবাইল ফোনের সিম, পরীক্ষার সার্টিফিকেট, জমির দলিল, কোনো ব্যাক্তি প্রভৃতি হারিয়ে গেলে ঐ সব কাগজপত্র পুনরায় যখন আপনি তুলতে চাইবেন তখন আপনার কাছ থেকে হারানোর সংবাদের জিডি চেয়ে থাকবে।
তাই ঐসব ক্ষেত্রে হারানো সংবাদের জিডি করে সেই জিডি নম্বরসহ কর্তৃপক্ষরে কাছে আবেদন করতে হয়।যেমন উদাহরণস্বরূপ-কোনো ব্যাক্তির মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে সঠিক একটি পদক্ষেপ হল জিডি করার কারণ জিডি করার মাধ্যমে আইনের সাহায্যে পেয়ে যাবেন এবং আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটাও হয়তোবা খুঁজে পেয়ে যাবেন।
আপনার যেকোনো নিকটতম থানায় জিডি করতে পারবেন।যদি ঘটনাস্থলে থানার আশে পাশে থাকেন, তাহলে সেই এলাকার থানায় জিডি করতে পারেন।আপনি যদি অন্য কোনো জেলায় থাকেন, তাহলে সেই স্থানের থানায় জিডি করতে পারেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের আলোচনাটি আপনারা সহজই বুঝতে পারবেন।আমাদের আলোচনাটি হারানো জিডি করার নিয়ম ছিল।
আপনারা এই পাঠে হারানোর ডিজি থেকে ধারনা নিতে পারবেন,এবং নিয়ম অনুযায়ী থানায় জিডি করতে পারবেন। আশা করি আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
জিডি করার পর কি হয়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি বিভিন্ন কারনে থানায় জিডি করা সম্পর্কে। আমরা নানান সমস্যার কারনে থানায় ডিজি করে থাকি।তবে আমাদের অনেকের অজানা যে জিডি করার পর কি হয় পুলিশ প্রশাসনিক কি করেন।চলেন বন্ধুরা জেনে নেওয়া যাক ডিজি করার পর কি হয়। আপনারা সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
বাংলাদেশে প্রশাসনিক পুলিশ প্রধানের ভাষ্য এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে জিডি তদন্তের নিদিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে জিডি লিপিবদ্ধ হওয়ার পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই জিডির তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে একটি আবেদন করবেন। আদালত অনুমতি দিলে ওই কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবেন।আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিজির তদন্ত করতে হয়।
আদালত তখন তদন্ত কর্মকর্তাকে বলে দেয় যে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। এই সময় সীমার মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা শেষ করতে না পারলে আবারও সময় চেয়ে আদালতে আবেদন করতে হয়। উপমহা পরিদর্শক মো. হায়দার আলী খান ঢাকাটাইমসকে বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ বিভাগের জিডি তদন্তের কোনো সময়সীমা নেই।
তবে প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে। মনে করেন একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছে এমন একটা জিডি হয়েছে থানায়। পরে দেখা যায় যে ২ বছর পর জানা গেছে যে ওই ব্যক্তি খুন হয়েছেন তাহলে পুলিশ কর্মকর্তারা কম সময়ের মধ্যে দুই বছরের পুরাতন কে কিভাবে শেষ করবে তাই এর কোনো সময়সিমা নেই। পুলিশ প্রশাসনিক ডিজি লেখার পর থেকে তদন্ত চালিয়ে যায়।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা জিডি করার পর কি হয় তা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনারা জানতে পেরেছেন ডিজি করার পর পুলিশ প্রশাসনিক কি করেন। ডিজি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের পরবর্তী আলোচনা পড়ুন।
মিথ্যা জিডি হলে করণীয়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি উপরিউক্ত আলোচনা আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরেছেন।আমরা উপরিউক্ত ডিজি করার বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আপনারা সহজেই ডিজি করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। সহজেই থানায় ডিজি করতে পারবেন। অনেক ধরনের ডিজি মিথ্যা হয়ে থাকে। এখন আমরা মিথ্যা জিডি হলে করণীয় কি সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।
আরো পড়ুন
আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। প্রিয় বন্ধুরা আপনাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা জিডি/সাধারণ ডায়েরি করলে, থানা থেকে আপনাকে নোটিশ করবে অথবা থানা পুলিশ আপনাকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করবে। অথবা মৌখিক ভাবে নির্দিষ্ট তারিখে থানায় হাজির হতে বলবে। এরপর আপনি থানায় যোগাযোগ করে, জিডি বা ডায়েরির কপি সংগ্রহ করবেন।
এরপর জিডি/সাধারণ ডায়েরি সম্পুর্ন পর্যালোচনা করে, যদি আমল যোগ্য অপরাধ হয়ে থাকে। তাহলে জিডি/সাধারণ ডায়েরির ফরওয়ার্ডিং আদালতে প্রেরণ করবেন। আপনি আসামির নোটিশ পাবেন। তারপর আপনি চাইলে, আইনজীবীর মাধ্যমে কোর্ট থেকে জিডি/সাধারণ ডায়েরির কপি বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর কপি নিতে পারেন। আপনাকে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিতে হবে।
এবং আদালতে হাজির হতে হবে। চার্জশিট আসা পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন জামিন নিতে হবে। এরপর আপনার চার্জশিট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে চার্জশিট আসার পর যদি অপরাধ প্রমাণিত না হয় তাহলে আদালত থেকে আপনাকে অব্যবহিত দিবেন বা খালাস প্রদান করবেন। এরপর একজন অভিজ্ঞ কোনো ব্যাক্তি, আইনজীবীর মাধ্যমে ঐ মামলার জাবেদা নকল তুলবেন।
এবং একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে মামলা করতে পারেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা মিথ্যা জিডি হলে করণীয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আশা করি আপনারা আলোচনাটি সহজেই বুঝতে পেরেছেন।উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে আপনারা মিথ্যা ডিজি থেকে বাঁচতে পারবেন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।
মিথ্যা মামলা থেকে বাচার উপায়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের আলোচনা আপনাদের ভালো লাগবে। আপনারা অনেক সময় বিভিন্ন মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়ে থাকেন।মানুষ বিভিন্ন প্রতারনা করে বা টাকা পয়সার লোভে থানায় মিথ্যা ডিজি করে।আপনারা অনেকেই এই বিপদে পরে থাকেন।আজকে আমরা মিথ্যা মামলা থেকে বাচার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো।
চলুন বন্ধুরা জেনে নিন মিথ্যা মামলা থেকে কিভাবে বাঁচতে পারবেন।আপনি নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও কেউ আপনার বিরুদ্ধে শত্রুতা করে মিথ্যা মামলা করে থাকেন। এটি শুনে আপনি প্রাথমিক অবস্থায় বেশ মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবেন এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে সবাই পালিয়ে যাওয়ার ভুল সিদ্ধান্ত নেন। মিথ্যা মামলার নিরান্নব্বই ভাগই ফৌজদারি মামলা।
এজন্য সবাইকেই বেশ ভোগান্তির শিকার হতে হয়।নাগরিকদের আত্মরক্ষার জন্য আমাদের এই আইন। কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ আইনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করতে অভ্যস্ত। আইন যেখানে মানুষকে অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করার কথা, সেখানে আইনকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য।
আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যদি বিচারের জন্য আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট মামলা হয়। তবে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ার অব্যবহিত বা খালাস দেন এবং আপনি যদি মনে করেন যে, যে আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ দ্বারা ফৌজদারি মামলা করেছে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রভাবশালী কিছু খারাপ লোক নানা রকম মিথ্যা মামলা দিয়ে থাকে।
এর মধ্যে অন্যতম হলো জমি নিয়ে মামলা। আইন অনুযায়ী, থানায় মামলা হওয়ার আগেই ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেন তদন্ত কর্মকর্তা। কিন্তু বাস্তবে বেশিভারগ ক্ষেত্রেই এটি মানা হয় না।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে মিথ্যা মামলা থেকে বাচার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।
আপনারা যারা মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়ে থাকেন,তারা আমাদের এই পাঠের আলোচনাটি পড়ে মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে পারবেন।আপনারা মিথ্যা মামলা থেকে বাচার উপায় অনেকেই জানেন না তারা আমদের এই আর্টিকেল পরে ধারনা নিতে পারবেন।এবং যারা এ সম্পর্কে জানেন না তাদের শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দেবেন।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ডিজি করার বিভিন্ন নিয়ম বা মিথ্যা মামলা, হুমকির ডিজি করার নিয়ম ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আশা করি আপনারা সেটি মনোযোগ দিয়ে পরেছেন এবং বুঝতে পেরেছেন।ডিজি ডাইরিতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন আসামী কোর্টে চালান দেওয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।
আরো পড়ুন
থানায় ডিজি করার মাধ্যমে আমরা হারানো টাকা পয়সা,দামি জিনিসপত্র,মোবাইল ফোন,স্কুল সার্টিফিকেট, সোনার গহনা,বিভিন্ন হুমকির স্বীকার ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের পুলিশ প্রশাসনিক সাহায্য করে থাকেন। তারা তদন্ত চালিয়ে আমাদের বিভিন্ন ধরনের লেখা ডিজি সঠিক তথ্য দিয়ে মানুষকে বিপদ থেকে রক্ষা করে।
বর্তমানে পুলিশ প্রশাসনিক বেড়েছে, বেড়েছে অনেক নিয়ম কানুন।বর্তমানে সব জায়গায় সর্তকতা বেড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ, গাড়ি সঠিক ভাবে চলাচলের জন্য রাস্তায় পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে।বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রতিটি সেক্টরেই লেগেছে 'ডিজিটাল' ছোঁয়া। নতুন শতাব্দির নানা চ্যালেঞ্জের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে যাচ্ছে পুলিশি সেবাও।
পুলিশের আধুনিকায়নের যুক্ত হওয়া অনলাইন জিডি কার্যক্রমের সফটওয়্যারটি সিডিএমএস সফটওয়্যারের সঙ্গে এপিআই-এর মাধ্যমে সংযুক্ত রয়েছে। বর্তমানে অনলাইন জিডির মাধ্যমে মানুষজন এখন ঘরে বসে জিডি করতে পারবেন। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে বসে অনলাইনে জিডির সব কার্যক্রম মানুষজন দেখতে পারবে।
এভাবে সরকারি সেবা জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনিক কাজ করছে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।এর থেকে আপনারা সহজেই থানায় ডিজি করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের মামলা থেকে বাচতে পারবেন।
আশা করি আপনারা আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে ধারনা নিতে পারবেন। প্রিয় বন্ধুরা আমাদের পরবর্তী কন্টেন্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url