ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ

প্রিয় বন্ধুগণ এবার আপনাদেরকে জানানো হবে,ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশক্রিপ্টোকারেন্সি কি। অনেকে হত ভাবছেন ক্রিপ্টোকারেন্সি আবার কি রকম জিনিস। এটা দিয়ে কি করা হয় এবং এটার মাধ্যমে আমাদেরকে কি কি উপকার হতে পারে আজ আমাদেরকে জানিয়ে দেই আসলে এই জিনিসটাকে এবং এর কাজ কি। 
ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ
প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা বিটকয়েন এর সাথে জড়িত রয়েছে। অনেকে রয়েছেন যারা মোবাইল ফোনে বিটকয়েনের গেম খেলেন বা অনেকে রয়েছে যারা বিদেশে গিয়ে বিটকয়েন খুঁজেন। তো বন্ধুরা চিন্তা না করে আপনারা আজ আমাদের এই পোস্টগুলো আশা করা যায় আপনারা সব কিছু বুঝতে পারবেন ‌।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম,আশা করি আপনারা ভালো ও সুস্থ আছেন।আপনারা অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।আজকে আমরা আলোচনা করবো ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে। আশা করি আপনাদের এটি ভালো লাগবে,ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা। 
আরো পড়ুন 
ক্রিপ্টোকারেন্সের এনক্রিপশন অ্যালগরিদম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্স অর্থপ্রদানের একটি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। ক্রিপ্টোকারেন্সি, ভার্চুয়াল কারেন্সি বা ডিজিটাল কারেন্সি নামেও পরিচিত আছে। এটি প্রথম ডিজিটাল সম্পদ যেটি সারা বিশ্বে অনলাইন এবং অফলাইনে বৈধ অর্থপ্রদানের পদ্ধতি হিসেবে ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়ে আছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সিকে ডিজিটাল কারেন্সি বলা হয়,এটি ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় এবং এটি কোনো কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত থাকেনা,বর্তমানে অধিক পরিচিত এই ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি বিটকয়েন। এটি ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোটো নামে একজন ব্যক্তি উদ্ভাবন করেছিলেন৷ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিএল সালভাদরের পরে দ্বিতীয় দেশ হিসাবে বিটকয়েনকে।

তাদের দেশের জাতীয় মুদ্রা হিসাবে মান্যতা দিয়েছিলেন। আজ পর্যন্ত ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। এটি মূল্যবান এবং জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি ,বিটকয়েনের সাথে, অন্যান্য বিকল্প ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলি বিভিন্ন ডিগ্রী ফাংশন এবং স্পেসিফিকেশন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে,কিছু বিটকয়েন এর ধারণার উপর ভিত্তি করেই তৈরি।

অন্যগুলি আবার নতুন করে তৈরী হয়েছে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি সে সম্পর্কে এখান থেকে ধারনা নিতে পারবেন। আশা করি এটি আপনাদের ভালো লাগবে,আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সির আরো দিক যেমন- ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী।

ক্রিপ্টোকারেন্সি হালাল ব্যাবসা,ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয় ইত্যাদি আরো দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা আমাদের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের আর্টিকেলটি আপনারা মনোযোগ দিয়ে  পড়েছেন। আমরা এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ কোনটি।চলুন জেনে নিন এ সম্পর্কে। যে দেশটি সর্বপ্রথম বি এড কয়েনকে সরকারিভাবে বৈধ কারেন্সি স্বকৃীত দিয়েছে তার নাম এল সালভেদর।

অথাৎ ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশটি হলো এল সালভেদর।এই দেশটি কংগ্রেসের একটি ভোটের মাধ্যমে কারেন্সি বা বিটকয়েন আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রার স্বকৃীত দিয়েছেন।২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোটো নামে একজন ব্যক্তি উদ্ভাবন করেছিলেন৷ সেন্ট্রাল আফ্রিকান এল সালভাদরের পরে দ্বিতীয় দেশ হিসাবে।

বিটকয়েনকে তাদের দেশের জাতীয় মুদ্রা হিসাবে মান্যতা দিয়েছিলেন। ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রদানকারী প্রথম দেশ কোনটি।আপনাদের অনেকেই এটি সম্পকে অজানা,আশা করছি আমাদের আলোচনা থেকে আপনারা সঠিক তথ্য জানতে পারবেন।

আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে প্রথম দেশটি এল সালভেদর এবং এর মাধ্যমে ক্রিপ্টোকান্সেরি প্রদানকারী স্বকৃীত পেয়েছে। আশা করছি আপনারা আজকের আর্টিকেলটি সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন। এবং এর থেকে আপনারা অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আমরা ক্রিপ্টোকান্সেরি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত দিক আলোচনা করবো,দয়া করে আপনারা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে ক্রিপ্টোকান্সেরির সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছি।আশা করি আপনারা সেটি  পড়েছেন।যদি পড়ে থাকেন তাহলে আপনারা ক্রিপ্টোকান্সেরি সম্পর্কে ধারনা পাবেন।অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। এখন আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা দয়া করে মনোযোগ দিয়ে পড়বেন,ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি ডিজিটাল মুদ্রা। 

ক্রিপ্টোকারেন্সের এনক্রিপশন অ্যালগরিদম ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্স অর্থপ্রদানের একটি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। ক্রিপ্টোকারেন্সি, ভার্চুয়াল কারেন্সি বা ডিজিটাল কারেন্সি নামে বর্তমানে পরিচিতি লাভ করেছে। এটি প্রথম একটি ডিজিটাল প্রযুক্তি বা ডিজিটাল সম্পদ যা বৈধভাবে চালু হয়েছিল অনলাইন এবং অফলাইনের মাধ্যমে টাকা আনান প্রদানের মাধ্যমে। 

এই প্রযুক্তি প্রথম বারের মতো চালু হয় ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর এবং সেদিন থেকে ঠিক এক বছর পর। এটি ২০০৯ সালে চালু করা হয়েছিল,ইন্টারনেটে ক্রিপ্টোকারেন্সির অস্তিত্ব বিদ্যামান রয়েছে। তবে বাস্তবে এই মুদ্রার কোনো অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। ক্রিপ্টোকারেন্সি মুদ্রার লেনদেন শুধু অনলাইনে সম্ভব,এর কার্যক্রম সুপ্তলিখন নামে একটি সুরক্ষিত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করে থাকে। 

প্রিয় বন্ধুরা ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয় করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ শুরুতেই ভুল পথে থাকেন। বিভিন্ন আজেবাজে App এর মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয় করার উপায় খুজে থাকে। তবে বাস্তবে আসলে ওইসব App থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি আয় হয় না বললেই চলে। আর হলেও সে আয় খুবই নগণ্যবা হারাম দিক।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা সবাই ক্রিপ্টোকারেন্সি কি সে সম্পর্কে জানলেন। আশা করি আপনারা সকলেই ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সের সম্পর্কে আরো কিছু দিক আলোচনা করবো তা হলো ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যাবসা হালাল কিনা।

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়,ক্রিপ্টোকারেন্সি কত প্রকার কি কি ইত্যাদি সম্পর্কে পরবর্তী পাঠগুলোতে আলোচনা করবো,দয়া করে আপনারা সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা কি হালাল

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা ভালো আছেন।আমাদের আজকের আর্টিকেলটি সম্পর্কে সকলেই কমবেশি ধারনা এবং জানতে পেরেছেন।ক্রিপ্টোকারেন্সিে ব্যাবসা অনেকেই করেন,তারা অনেকে এর হালাল হারাম সম্পর্কে ধারনা নেই। তো বন্ধুরা চলুন আজকের আর্টিকেলে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা কি হালাল তা নিয়ে আলোচনা করবো।
আরো পড়ুন 
আশা করি আপনারা আরো ধারনা আনতে পারবেন।নিজের পরিচয় গোপন রেখে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা করে থাকেন।এর মূল ধারনা হলো পরিচয় গোপন রেখে সাধারন মুদ্রার মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যাবহার করা।ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসার হালাল হারাম দুই দিকই রয়েছে। অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যাবসা হালাল ভাবে করে এবং অনেকে হারাম ভাবে উপার্জন করে। 

ইসলামি শরিয়তের ভাষায় যেকোনো ব্যাবসা হালাল ভাবে করার নির্দেশ দিয়েছে। কোনো ব্যাবসায় হারাম ভাবে উপার্জন করা ঠিক নয়।ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যাসার ক্ষেত্রে যদি আপনারা বিভিন্ন জিনিস জরজরিত করে বৃহত্তর স্কেলে টাকা লাগিয়ে করে থাকেন তাহলে এটি হারাম।যতক্ষণ না পযন্ত এটিতে আপনার হারাম কোনো জিনিস বা টাকা না থাকে ততক্ষণ পযন্ত।

এটি হালাল ভাবে বিবেচিত। যখন মানুষ কোনো বড় ব্যাবসায় থাকেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হারামে জরিত থাকেন।যেমন-প্রচলিত বিমা হারাম,কারন এখানে সুদ জরিত আছে।তেমনি এই ব্যাবসায় জুয়া বা হারাম টাকা জরিত না থাকলে এটি হালাল ব্যাবসা। বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা বা ক্রয় করা হারাম নয় তবে এর মধ্যে কিছু হারাম জরিত থাকে,তার থেকে দূরে থাকতে হবে। 

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা কি হালাল সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আপনারা হালাল ভাবে ব্যাবসা করবেন,হারাম থেকে দূরে থাকবেন। আপনারা যারা হারাম ব্যাবসা করেন তারা হারাম থেকে বেরিয়ে আসুন,হালাল ভাবে চলুন।এতে সবাই উপকৃত হবেন,আশা করি আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগবে।

আমাদের পরবর্তী আলোচনায় আরো দিক যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়,ক্রিপ্টোকারেন্সি কত প্রকার, ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ ইত্যাদি সম্পর্কে জানাবো। আপনারা পরবর্তী পাঠ গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিবেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয়

প্রিয় পাঠক বন্ধুগন আপনারা ইতিমধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছেনএবং ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন।আপনারা অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে কিভাবে করা যায়, কি করতে হয়,ক্রিপ্টোকারেন্সি আয় কেমন,কি কি করতে হয় ইত্যাদি সম্পর্কে প্রশ্ন করে থাকেন। চলুন বন্ধুরা আজকে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে কিভাবে আয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 

আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। প্রিয় বন্ধুরা ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে উপার্জনের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ শুরুতেই ভুল পথে থাকেন। বিভিন্ন আজেবাজে এপ এর মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে কিভাবে আয় করার উপায় খুজে থাকে। তবে বাস্তবে আসলে ওইসব App থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি আয় হয় না বললেই চলে,আর হলেও সে আয় খুবই নগণ্যবা হারাম দিক। 

আমাদের এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করতে হয় এবং অবশ্যই আপনারা সম্পূর্ণ আলোচনা পরবেন।এই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যাবসায় প্রতিদিন যোগ হচ্ছে নতুন নতুন প্রজেক্ট,এইগুলো প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের লোক প্রয়োজন হয়ে থাকে। যেমন- মার্কেটিং, কম্যুনিটি ম্যানেজার, আর্টিকেল রাইটার, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, অনুবাদ ইত্যাদি থেকে। 

যেসব প্রজেক্টে আপনারা দক্ষতার লোক নিয়োগ দিবেন, সেসব প্রজেক্টে আবেদন করতে পারেন। যদি তাদের প্রয়োজনের সাথে আপনার দক্ষতা মিলে যায়, তাহলে আপনি তাদের প্রজেক্টের অংশ হয়ে তাদের থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি আয় করতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে আপনাকে যথেষ্ট ভালো পোর্টফলিও দেখাতে হবে মানে আগে কাজের অভিজ্ঞতা।

আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আগে কিছু প্রজেক্টের সাথে ফ্রিতে কাজ করতে পারেন। তাতে আপনাদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরবর্তীতে আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ভালো হবে। এইসব কাজ সাধারনত সরাসরি প্রজেক্টের মালিক এর সাথে কথা বলেও পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে কাজ করা যায়,কাজ শিখা যায়।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আপনারা এখান থেকে ধারনা নিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে আয় করতে পারবেন।বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারবেন।প্রিয় বন্ধুরা আমাদের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আশা করি এর মাধ্যমে সঠিকভাবে জানতে পারবেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি কত প্রকার

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা এতক্ষণে ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক  পড়েছেন।আশা করি,ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারনা জানতে পেরেছেন। অনেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি কত প্রকার তা জানেন না।আজকে আমাদের আর্টিকেলটির মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি কত রকম হয়ে থাকে তা জানাবো, আশা করি আপনারা সঠিক ধারনা ও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে জানতে পারবেন।
আরো পড়ুন
পাঠক বন্দুরা নিচে আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করবো। ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রধানত দুই প্রকার যেমন
  1. প্রুফ অব ওয়ার্ক (Proof of Work)
  2. প্রুফ অব স্টেক (Proof of Stake)
প্রধানত ক্রিপ্টোকারেন্সি ২ প্রকার। প্রুফ অব ওয়ার্ক ও
প্রুফ অব স্টেক সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো।
  1. প্রুফ অব ওয়ার্ক: প্রুফ অব ওয়ার্ক ক্রিপ্টোকারেন্সি
একটি বিটকয়েন। আমরা যখন কাউকে বিটকয়েন পাঠাই, তখন আমরা একটা ট্রাঞ্জেকশন আইডি পেয়ে থাকি। এই ট্রাঞ্জেকশনটি আইডির মাধ্যমে যে কেউ ব্লকচেইন এক্সপ্লোরার এর সাহায্যে দেখতে পারে। আপনারা কোথায় বিটকয়েন পাঠিয়েছেন, কত বিটকয়েন পাঠিয়েছেন, কোন ইনপুট থেকে বিটকয়েন পাঠিয়েছেন কিংবা কখন পাঠিয়েছেনতা জানতে পারবে। 

আপনি চাইলে একটা ফেইক কোড লিখে একটা ফেইক ট্রাঞ্জেকশন ক্রিয়েট করতে পারেন। কিংবা একটা ইনপুটকে দুইবার ব্যবহার করতে পারেন। থিওরিতে সম্ভব, বাস্তবে কিন্তু সম্ভব নয়। কারন, আমাদের লেনদেনের সকল তথ্য ভেরিফাই করে থাকে মাইনাররা। আমরা যেসব লেনদেন করে থাকি সেগুলো চেক করেই একজন মাইনার নতুন ব্লক খোজার কাজ করতে পারবে। 

সেক্ষেত্রে, আমরা যদি ফেইক ট্রাঞ্জেকশন ক্রিয়েট করি, সেটার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। আবার যদি কোন মাইনার নিজেই ফেইক ট্রাঞ্জেকশন করতে চায়, সেটাও গ্রহণযোগ্য হবে না। যেহেতু বিটকয়েন নেটওয়ার্কে রয়েছে অসংখ্য নোড, যেগুলো ফেইক ট্রাঞ্জেকশন এক্সেপ্ট করবে না। 

এই যে মাইনার একটা ট্রাঞ্জেকশন এর তথ্য ভেরিফাই করছে, লেজারে হালনাগাদ করছে এইগুলোই হচ্ছে প্রুফ অব ওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত।
2.প্রুফ অব স্টেক:
প্রিয় বন্ধুরা প্রুফ অব স্টেকেও কিন্তু উপরের কাজগুলো করা হয়ে থাকে। অথাৎ, আমাদের লেনদেন সত্য কি না, কেউ ফেইক ট্রাঞ্জেকশন করার চেষ্টা করছে কি না তা জানতে পারা যায় ইত্যাদি। এরপর নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্লকে আমাদের লেনদেন হালনাগাদ করা হয়। তবে এইখানে নতুন ব্লক খুজে পাওয়ার জন্য ব্যবহার হয় প্রুফ অব স্টেকিং। 

অথাৎ, আপনার ওয়ালেটে উক্ত কয়েন হোল্ড করা হয়ে থাকে। যে ব্যাক্তি যত বেশি কয়েন হোল্ড করবে এবং যার ইনপুট যত বেশি পুরনো হবে, তারা এইখানে নতুন ব্লক পাবে,এই প্রক্রিয়াটাই প্রুফ অব স্টেক।প্রিয় বন্ধুরা উপরিক্ত আলোচনাটি ক্রিপ্টোকারেন্সি কত প্রকার তা নিয়ে বলা হয়েছে। আশা করি আপনারা মনোযোগ দিয়ে  পড়েছেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা ইতিমধ্যে আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সির সম্পর্কে অনেক তথ্য ও ধারনা দিয়েছি।এর থেকে আপনারা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারবেন। আমরা এখন আলোচনা করবো ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ সম্পর্কে। এর বিস্তারিতসম্পর্কে আপনারা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।ক্রিপ্টোকারেন্সি এই নামটি ট্রানজেকশন ভেরিফাই করার সময়।

এনক্রিপশন ব্যবহারের কারণে পেয়ে থাকে। অথাৎ ওয়ালেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টোর করা থেকে শুরু করে লেনদেন পর্যন্ত অ্যাডভান্স লেভেল কোডিং ব্যবহার করা হয়েছে।ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ সাধারনত দুই ধরনের হয়,স্বল্প মেয়াদি বিনিয়োগ ও দীর্ঘ মেয়াদি বিনিয়োগ।নতুন নতুন ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে আসছে। বেশিরভাগ ক্রিপ্টোকারেন্সি স্ক্যাম প্রজেক্ট, মানে কিছুদিন পর আর খুজে পাওয়া।

যাবে না, আগে আই.সি.ও খুবই জনপ্রিয় ছিল। সেটি পরবর্তীতে স্ক্যামারদের কারণে প্রায় হারিয়ে গিয়েছে বলে ধারনা করা যায়। পরবর্তী থেকে আই.সি.ও এর বিভিন্ন ধরণ আসে যেটা বর্তমানে এসে ঠেকেছে আই.ই.ও। এর অর্থ হলো ইনিশিয়্যাল এক্সচেঞ্জ অফারিং। সুবিধা হলো এর মাধ্যমে যারা নতুন প্রজেক্ট শুরু করে তারা যে এক্সচেঞ্জে শুরু করবে।

সেখানে তাদের সকল ডকুমেন্টস দেয় এবং এটা করতে এক্সচেঞ্জকে বিশাল একটা খরচ দিতে হয়। যার ফলে স্ক্যাম প্রজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলা যায়। আপনি চাইলে এই ধরনের প্রজেক্টে বিনিয়গ করতে পারেন । তবে বলে রাখা ভালো যে বেশিরভাগ এক্সচেঞ্জ অনেকগুলো খারাপ প্রজেক্টের IEO করে থাকে যার কারণে শুধুমাত্র নামকরা এক্সচেঞ্জের IEO করাই শ্রেয়। 

সেক্ষেত্রে, আপনাকে বাইন্যান্স লঞ্চপ্যাড এ যেসব প্রজেক্ট তাদের ইনিশিয়্যাল এক্সচেঞ্জ অফারিং করে থাকে, সেগুলোতেই অংশগ্রহণ করা উচিত।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে বিনিয়োগ সম্পর্কে আশা করি আপনাদের এটি পড়ে ভালো লেগেছে এবং ধারনা নিতে পেরেছেন।

শেষ কথা

ক্রিপ্টোকারেন্সি, ভার্চুয়াল কারেন্সি বা ডিজিটাল কারেন্সি নামেও পরিচিত আছে। এটি প্রথম ডিজিটাল সম্পদ যেটি সারা বিশ্বে অনলাইন এবং অফলাইনে বৈধ অর্থপ্রদানের পদ্ধতি হিসেবে ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়ে আছে। ক্রিপ্টোকারেন্সিকে ডিজিটাল কারেন্সি বলা হয়,ক্রিপ্টোকারেন্সি স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশটি হলো এল সালভেদর।
আরো পড়ুন 
এই দেশটি কংগ্রেসের একটি ভোটের মাধ্যমে কারেন্সি বা বিটকয়েন আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রার স্বকৃীত দিয়েছেন।প্রধানত ক্রিপ্টোকারেন্সি ২ প্রকার। প্রুফ অব ওয়ার্ক ও প্রুফ অব স্টেক। ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টোর করা থেকে শুরু করে লেনদেন পর্যন্ত অ্যাডভান্স লেভেল কোডিং ব্যবহার করা হয়েছে।ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগ সাধারনত দুই ধরনের হয়। 

স্বল্প মেয়াদি বিনিয়োগ ও দীর্ঘ মেয়াদি বিনিয়োগ।আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আগে কিছু প্রজেক্টের সাথে ফ্রিতে কাজ করতে পারেন। তাতে আপনাদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরবর্তীতে আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ভালো হবে। এইসব কাজ সাধারনত সরাসরি প্রজেক্টের মালিক এর সাথে কথা বলেও পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে কাজ করা যায়।

আশা করি আজকের আলোচনাটি আপনাদের ভালো লাগবে এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।আমাদের এই আলোচনার মাধ্যমে আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সি আয় করতে পারবেন।আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন।আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন,ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url