২০টি চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আজকে আপনারা এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে প্রিয় বন্ধুরা আপনারা যারা এই বিষয়গুলি নিয়ে জানেন না তারা অবশ্যই জেনে নিবেন যে ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ভালো করে জেনে নিবেন।
চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা
প্রিয় বন্ধুরা চিয়া সিড আপনারা সকলে পছন্দ করেন এবং অনেক উপকারী একটি জিনিস বলে সকলেই নিয়মিত খান। কিন্তু যারা চিয়া সিড সম্পর্কে কিছুই জানেন না তারা অবশ্যই আমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে চিয়া সিড সম্পর্কে জেনে নিবেন। এবং অবশ্যই জানার জন্য আমাদের এই পোস্টটি পুরোপুরি পড়তে হবে।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন।আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন চিয়া সিড সম্পর্কে। আজকে আমরা চিয়া সিডের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।আশা করি এটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।চিয়া সিড এক প্রকার ভেষজ হিসেবে পরিচিত।এই চিয়া সিড এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে আসে। 

যা পুদিনার সাথে সম্পর্কিত।চিয়া সিড কে চিয়া বীজ ও বলা হয়। এই চিয়া সিড মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া হিসপানিকা উদ্ভিদের এক ধরনের বীজ। চিয়া সিড অতি উপকারি বীজটির আদি জন্মস্থান সেন্ট্রাল আমেরিকা এবং সেখানকার প্রাচীন আদিবাসি অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় চিয়া সিড বা বীজ অন্তর্ভুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। 

প্রাচীন মায়া এবং অ্যাজটেক জাতির মানুষ চিয়া সিডকে সোনার থেকেও মূল্যবাণ মনে করত। তারা বিশ্বাস করত এটা তাদের শক্তি ও সাহস জোগাবে।চিয়া সিড সব ধরনের আবহাওয়ায় উৎপাদন করা হয়। পোকামাকড়ের আক্রমণ খুব কমই দেখা যায়। চিয়া সিড বা চিয়া বীজ সাদা-কালো রংয়ের হয়।এই চিয়া সিড দেখতে তিলের মতো ছোট আকারের হয়ে থাকে। 

অনেকেই চিয়া সিডকে তোকমা ভেবে থাকেন,এটি তাদের ভুল ধারনা।তোকমার চেয়ে ও সাইজে ছোট হয় এই চিয়া সিড বা চিয়া বীজ। চিয়া সিড বা বীজগুলো ভিজিয়ে রেখলে ১২গুন পযর্ন্ত ওজন বাড়ে। চিয়া সিড বা চিয়া বীজের নিজস্ব কোন স্বাদ না থাকায় এটা সাধারণত সালাদ বানিয়ে খাওয়া যায়।এই চিয়া বীজ মধ্য আমেরিকা এবং গুয়াতেমালায় বংশানুক্রমিকভাবে অল্প পরিমাণে। 

এবং বাণিজ্যিকভাবে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে চাষ করা হয়ে থাকে ।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা চিয়া সিড সম্পর্কে কিছু ধারনা করতে পেরেছেন।আমরা চিয়া সিড বা চিয়া বীজ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবো। দয়া করে আপনারা মনোযোগ সহকারে পরবেন।

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

প্রিয় বন্ধুরা আমরা চিয়া সিড সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেছি উপরের আলোচনায়।তার থেকে আপনারা ধারনা আনতে পেরেছেন।আমরা এখন যে বিষয়টি আলোচনা করবো তা হলো চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে। চলুন বন্ধুরা চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন। মূলত মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া উদ্ভিদের বীজ এই চিয়া সিড।এটি মধ্য আমেরিকার অনেক অংশে পাওয়া যায়।চিয়া সিড সাধারণত শস্যের তালিকায় পড়লেও একে এক ধরণের ভেষজও বলা হয় থাকে। চিয়া সিড সম্পর্কে প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির প্রধান খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকে। চিয়া সিড দেখতে অনেকটা তিলের দানার মতো।চিয়া সিড খাওয়ার অনেক নিয়ম ও উপকারিতা ও রয়েছে। অনেকেই নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান।আজকে আপনাদের এর সম্পর্কে জানাবো। মনোযোগ দিয়ে পরবেন। আমাদের স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় 'চিয়া সিড'বা চিয়া বীজ। জেনে নিন চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম -চিয়া সিড বা চিয়া বীজের নিজস্ব কোন স্বাদ না থাকায় এটা সাধারণত সালাদ বানিয়ে খাওয়া যায়। আবার কাস্টার্ড, স্মুদি ইত্যাদি যেকোনো খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।তবে চিয়া সিড খাওয়ার আগে ৩০ মিনিট পানিতে ভিনিয়ে রাখলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।এবং পানিতে ভিজিয়ে রাখলে চিয়া বীজের ওজন ও বাড়বে।অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।প্রতি বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে চিয়া বীজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানলেন এখন চিয়া বীজের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।চিয়া বীজের অনেক উপকারীতা রয়েছে। যেমন-
  • এই চিয়া সিড বা বীজ ব্লাড সুগার স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থেকে কমায়।
  • চিয়া সিড শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হতে সাহায্য করে।
  • গ্যাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে।
  • চিয়া বীজে থাকা ওমেগা-৩ হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে।
  • চিয়া সিড বা বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।
চিয়া বীজে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং মজবুত করে তুলতে বিশেষ উপকারী।প্রিয় বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছেন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।আমরা নিম্নে চিয়া বীজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।

ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে চিয়া বীজ কি বা এর উৎপাদন এবং চিয়া সিডের উপকারীতা ও খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছি। এখন আমরা ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা অনেকেই ওজন কমাতে চান।অনেকেই জানেন না চিয়া সিড খেলে ওজন কমে কিনা।আমাদের এই পাঠের মাধ্যমে অজানা অনেক তথ্য জানতে পারবেন।

চলুন শুরু করা যাক।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই আছেন, যারা ওজন কমানোর জন্য অনেক টাকা খরচ করেও নিজেদের ফিট রাখতে পারছেন না। আবার অনেকের নির্দিষ্ট কোনো চাকরির জন্য ওজন কমানো দরকার পড়ে। অনেক সময় বিশেষ অস্ত্রোপচারের আগে জরুরি ভিত্তিতে রোগীর ওজন কমানোর দরকার পড়ে।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একটি যথাযথ পরিকল্পনা এবং খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা খুব সোজা নয়। চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণ আন্টি এক্সিডেন থাকে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শরীর সুস্থ ও শক্তিশালী রাখে।এই চিয়া সিড মেটাবলিক মাধ্যমকে উন্নত করার মাধ্যমে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। 

যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং মজবুত করে তুলতে বিশেষ উপকারী।অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য নিয়ম মেনে যেমন ব্যায়াম প্রয়োজন, তেমনই ডায়েটেও নজর দেওয়া দরকার। পুষ্টিবিদরা রোজকার ডায়েটে চিয়া বীজ রাখার পরামর্শ দেন।অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডায়েটারি ফাইবারে পরিপূর্ণ এই চিয়া বীজে রয়েছে। তাই এটি খেলে হজম ক্ষমতা বেড়ে যায় সহজেই। 

এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চিয়া বীজ হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। চিয়া বীজে ক্যালোরিও কম থাকে।ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম হলো-
  1. সকালে দুধ আর দইয়ের সঙ্গে চিয়া সিড বা বীজ খাওয়া যেতে পারে।
  2. ওটসের সঙ্গেও খেতে পারেন এই প্রাকৃতিক উপাদানের বীজটি।
  3. আদা জলে চিয়া সিড ভিজিয়ে রেখে খাওয়া যেতে পারে।
  4. চিয়া সিড বা বীজ খেলেই যে ওজন হুড়মুড়িয়ে কমে যাবে এমনটা কিন্তু নয়। 
  5. নিয়মিত শরীরচর্চাও করতে হবে তবেই ফল পাবেন।
প্রিয় বন্ধুরা আপরারা ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানলেন।চিয়া সিড খাওয়া সম্পর্কে নিম্নে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করা হয়েছে।দয়া করে আপনারা মনোযোগ সহকারে পরবেন।

চিয়া সিড কি প্রতিদিন খাওয়া যায়

প্রিয় বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে চিয়া বীজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছি। তবে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন চিয়া সিড প্রতিদিন খাওয়া যায় কিনা।আজকে আমরা চিয়া সিড কি প্রতিদিন খাওয়া যায় তা সম্পর্কে আলোচনা করবো।স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গেলে ফাইবারজাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে খাকেন চিকিৎসকরা। 

কিন্তু উপকার হবে ভেবে যদি অতিরিক্ত ফাইবার খেয়ে ফেলেন তাহলে সে ক্ষেত্রে পেটব্যথা, গ্যাস, হজমের সমস্যা, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, চিয়া বীজ বেশি খেলে শরীরে জলের ঘাটতি পর্যন্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই চিয়া বীজ খাওয়ার পাশাপাশি জল খাওয়ার পরিমাণ যেন ঠিক থাকে, সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা চিয়া সিড প্রতিদিন খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত চিয়া সিড খাওয়া উচিত নয়। চিয়া বীজে অনেক ক্যালরি রয়েছে। অর্থাৎ ২ টেবিল চামচ চিয়া বীজ থেকে পাওয়া যায় ১৩৮ ক্যালোরি।ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে এই চিয়া সিড। অতিরিক্ত চিয়া বীজ খেলে হজমের গোলমাল দেখা দিতে পারে। 

চিয়া বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা হজমপ্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে থাকে।আবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও চিয়া সিড বেশ ক্ষতিকর। অতিরিক্ত চিয়া বীজ খেলে ডায়বেটিকস রোহীদের নানান সমস্যা দেখা দেয়। তাই ইনসুলিন নিলে এই বীজ থেকে দূরে থাকাই ভালো।প্রিয় বন্ধুরা আপনারা প্রতিদিন নিয়ম করে চিয়া বীজ খেতে পারবেন। 

তবে লক্ষ রাখবেন অতিরিক্ত চিয়া বীজ জানো খাওয়া না পড়ে।তবেই শরীর ভালো থাকবে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা চিয়া সিড সম্পর্কে আরো বিস্তারিত কিছু দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে,যা আপনারা পরের পাঠে জানতে পারবেন। পরের পাঠ গুলো আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।

চিয়া সিড খেলে কি ওজন বাড়ে

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে চিয়া বীজ খাওয়া সম্পর্কে অনেক তথ্য দিয়েছি। যা থেকে আপনারা অনেক ধারনা নিতে পেরেছেন।আমরা এখন আলোচনা করবো চিয়া সিড খেলে কি ওজন বাড়ে তা সম্পর্কে। চলুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।চিয়া সিড বা বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার রয়েছে। 

এটি সাধারনত ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত চিয়া বীজ খেলে ওজন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। চিয়া সিড খেলে ওজন বৃদ্ধি করে সাথে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।এতে আরও রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, 

আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।এটি অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়াতে পারে। তবে এর ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি ও হতে পারে। তাই প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অতিরিক্ত চিয়া বীজ খাবেন না।প্রতিদিন নিয়ম করে চিয়া বীজ খাবেন।অনেক গবেষণায় জানা গেছে, চিয়া সিড প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। 

তাই ভালোর কথা ভেবে বেশি বেশি না খেয়ে এটি সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত।পরিমাণের থেকে বেশি খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে।অতিরিক্ত চিয়া সিড খেলে ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যেতে পারে, এটি খারাপ হতে পারে।প্রিয় বন্ধুরা আপনারা জানেন যে সব জিনিসেরই ভালো খারাপ দিক রয়েছে। তেমনি চিয়া সিড বা বীজ খাওয়ার ও ভালো খারাপ দুটি দিকই রয়েছে। 

আপনারা ক্ষতিকর দিক থেকে বাচতে প্রতিদিন নিয়মিত সকাল বিকাল করে খাবেন।অতিরিক্ত চিয়া সিড খাবেন না।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে চিয়া সিড খেলে কি ওজন বাড়ে তা সম্পর্কে ধারনা আনতে পেরেছেন।একন আমরা চিয়া সিডের ারো একটি দিক আলোচনা করবো আপনারা পরবর্তী পাঠে জানতে পারবেন। এবং আশা করি মনোযোগ দিয়ে পরবেন।

চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা ভাল

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে চিয়া বীজ খাওয়া সম্পর্কে অনেক আলোচনা করেছি।আপনারা ইতিমধ্যে এ সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন।আমাদের এখনকার আলোচনার বিষয়টি হলো চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা ভাল তা সম্পর্কে। চলুন বন্ধুরা চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা ভাল তা জেনে নিন।

আপনারা অনেকেই জানেন না চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের কাছে অজানা।আজকে আপনারা এ সম্পর্কে জানতে পারবেন।কিডনির সমস্যা রোগীদের খাদ্য তালিকায় অনেক খাবারই সীমাবদ্ধ থাকে। তাই তারা জানতে চান, চিয়া সিড তাদের জন্য নিরাপদ এবং উপকারী কিনা। 

চিয়া সিডের উপকারিতা তো বটেই, কিডনি রোগীদের জন্য এর কিছু ক্ষতিকর দিক আছে যেগুলো বিবেচনা করা জরুরী।চিয়া সিড একটি মেক্সিকান উদ্ভিজ গাছের বীজ। বীজগুলো পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্য বহু উপকারী উপাদান এতে বর্তমান।আবার অনেকের ধারনা চিয়া সিড কিডনির জন্য ক্ষতিকারক।চিয়া বীজ ভিটামিন ও মিনারেল জাতীয় হয়। 

কিডনি রোগকে আমরা সাধারনত নিরব ঘাতক বলে থাকি।এই রোগ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। প্রিয় বন্ধুরা চিয়া সিড খেলে কিডনি রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এসম্পর্কে আপনার সকলকে জানাতে পারেন।

প্রিয় বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন চিয়া সিড কিডনির জন্য কতটা ভাল।এ সম্পর্কে আলোচনা করে আপনারা ইতিমধ্যে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।আশা করি আপনাদের এটি ভালো লেগেছে।

শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আমরা চিয়া সিড খাওয়া সম্পর্কে বিভিন্ন দিক আলোচনা করেছি উপরের আলোচনায়।আশা করি আপনারা সেটি মনোযোগ দিয়ে পরেছেন এবং সেই সম্পর্কে ধারনা আনতে পেরেছেন।চিয়া সিড এক প্রকার ভেষজ হিসেবে পরিচিত।এই চিয়া সিড এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে আসে। যা পুদিনার সাথে সম্পর্কিত।চিয়া সিড কে চিয়া বীজ ও বলা হয়। 

এই চিয়া সিড মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া হিসপানিকা উদ্ভিদের এক ধরনের বীজ। চিয়া সিড অতি উপকারি বীজটির আদি জন্মস্থান সেন্ট্রাল আমেরিকা এবং সেখানকার প্রাচীন আদিবাসি অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় চিয়া সিড বা বীজ অন্তর্ভুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রাচীন মায়া এবং অ্যাজটেক জাতির মানুষ চিয়া সিডকে সোনার থেকেও মূল্যবাণ মনে করত। 

তারা বিশ্বাস করত এটা তাদের শক্তি ও সাহস জোগাবে।চিয়া সিড সব ধরনের আবহাওয়ায় উৎপাদন করা হয়। পোকামাকড়ের আক্রমণ খুব কমই দেখা যায়।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের সম্পুর্ন লেখা বা আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন এবং এর থেকে আপনারা অনেক জ্ঞান নিতে পারবেন।সবাইকে সচেতন করতে পারবেন। সহজ ভাবে ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা দিয়ে থাকি।

এতে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন। এবং অন্যদেরকে শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দিবেন। আপনাদের সহপাঠী বা প্রতিবেশিদের জানতে সাহায্য করবেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমাদের এই আলোচনাটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন। আরো ভালো ভালো কন্টেন্ট পেতে আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন।আশা করি এই কন্টেন্টি আপনাদের ভালো লেগেছে। সবাই সুস্থ ও ভালো থাকবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url