আসসালামু আলাইকুম প্রিয় মুরগি পালনকারী ভাইয়েরা ও বোনেরা আপনারা যারা মুরগি চাষী তারা অবশ্যই আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানতে পারবেন ১০০ দেশি মুরগি পালনের খরচ সম্পর্কে তো চলুন বন্ধুরা আমরা জেনে আসি দেশি মুরগি পালন প্রশিক্ষণ কিভাবে দেওয়া হয় সেই বিষয় গুলি।
প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অনেকেই মুরগি চাষের উপর নির্ভরযোগ্য কিন্তু অনেকে অনেক মুরগি খামারে চাষ করার সত্বেও দেশি মুরগি কেউ চাষ করতে চান না। যদি কেউ আগ্রহ থাকে তাহলে না জানা অবস্থায় থাকেন তাহলে অবশ্যই আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে দেশি মুরগি পালন পদ্ধতি। সহ একশ দেশি মুরগি পালনের খরচ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে আপনারা পুরোপুরি পোস্টকোটি পড়ার মাধ্যমে জেনে নেবেন।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন।আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন দেশি মুরগী পালন সম্পর্কে। আজকে আমরা দেশী মুরগির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।আশা করি এটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।গৃহপালিত প্রানীর মধ্যে অন্যতম একটি জাত দেশি জাতীয় মুরগি।
দেশীয় মুরগির অন্যতম উৎস হলো এদের মাংস ও ডিম।। এই দেশীয় জাতীয় মুরগি ১০–১২ ফুটের বেশি উড়তে পারে না। একবারে ১২-২০ টি ডিম পাড়ে ও তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায়। যার জীবনকাল ৫–১০ বছর পযর্ন্ত। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মতে বন্য মুরগিকে পোষ মানিয়ে গৃহপালিত করার কাজটা প্রথম হয়েছিলো ভারতীয় উপমহাদেশে।
তার শুরুতে করা হয়েছিলো খাদ্যের জন্য না, বরং মোরগ লড়াই এর জন্য।ভারতীয় মহাদেশ থেকে মুরগিপালন ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম বংগ এশিয়া রাজ্যর লিডিয়াতে।বর্তমানে সব জায়গাতেই দেশীয় মুরগী সব জায়গাতেই উৎপাদন করা হয়। সব জায়গাতেই দেশীয় মুরগী পালন লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে গ্রামের সকল মানুষ দেশি মুরগি উৎপাদন করে থাকে।
এই মুরগীকে একটি পূর্ণ বা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে মোরগ এবং প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে মুরগি বলে।মোরগের সাথে সাধারণত দীর্ঘ প্রবাহমান এদের লেজ চকচকে থাকে, তাদের ঘাড়ে এবং পিঠের পালক, যা একই জাতের মহিলাদের তুলনায় উজ্জ্বল, গা উজ্জ্বল,মোটা বর্ণের হয় তার মাধ্যমে মুরগির থেকে আলাদা করা যায়।
তবে সেব্রাইট মুরগির মতো কয়েকটি প্রজাতির মোরগের ঘাড়ের পালক কেবল সামান্য রয়েছে, মুরগীর মতো একই রঙের। ঝুঁটি দেখে বা শেষ পর্যন্ত পুরুষের পায়ে স্পার্সের বিকাশ থেকে চিহ্নিত করা যেতে পারে। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে দেশী মুরগী সম্পর্কে ধারনা করতে পেরেছেন।
এবং এটি চিনতে পেরেছেন।দেশি মুরগী পালন সম্পর্কে আমরা আরো দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা নিচের পাঠগুলো মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
১০০ দেশি মুরগি পালনের খরচ
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই দেশি মুরগি পালন করতে চান।কিন্তু এর খরচ সম্পর্কে আপনাদের ধারনা নেই। আপনারা এখান থেকে ধারনা নিতে পারবেন।চলুন বন্ধুরা জেনে নিন ১০০ দেশি মুরগি পালনের খরচ কত হতে পারে।প্রায় সব বাজারে ব্রয়লার, সোনালি, ককসহ নানা ধরনের মুরগি পাওয়া যায়।
তবে গ্রামে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পালন করা দেশি মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। কিন্তু কম উৎপাদনসহ নানা সমস্যায় দেশি জাতের মুরগি পালন এখন বন্ধের পথে। তাই দেশি প্রজাতির মুরগি প্রায় বিলুপ্তির পথে। এ অবস্থায় ভ শুরু হয়েছে উন্নত পদ্ধতিতে দেশি মুরগি পালন আমাদের বাংলাদেশে মুরগির খামার বেশ জনপ্রিয় কর্মসংস্থানের মধ্যে একটি।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দফায় দফায় পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি খামারিদের নাজেহাল করে তুলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫ বার বাড়ানো হয়েছে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম। সেই তুলনায় বাড়েনি ডিমের দাম। ১০০ দেশি মুরগি পালনের খরচও ডিমের লাভ-খরচের হিসাব অনেকেই জানেন না। আসুন জেনে নিই,প্রথমত ১০০ মুরগির বাচ্চা ক্রয় করতে হবে।
তারপর ১ থেকে ২৭ দিন পর্যন্ত সোনালী স্টাটার ফিট খাওয়াতে হবে। আরো কিছুদিন গম ভুট্টা ইত্যাদি খেতে দিতে হবে। ভ্যাকসিন কিভাবে দিতে হয় তার বর্ণনা মুরগির বাচ্চার বয়স যখন পাঁচ দিন তখন প্রথম ভ্যাকসিন দিতে হয়। আবার ২১ দিনের দিন সেই একই ভ্যাকসিন দিতে হয়।তারপর ৩০ দিনের দিন ফিক্স রোগের জন্য আরেকটি ভ্যাকসিন করাতে হয়।
ছোট বাচ্চার নাভি শুকানোর জন্য একটি এনটিবেটিক দিতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আরো কিছু ভিটামিন দিতে হবে যাতে মুরগি সুস্থ সবল থাকে।খামারের যাবতীয় সর্বমোট খরচ = ৪০,০০০ টাকা। আর ৪০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে সাড়ে চার মাস পর থেকে আপনার মাসিক আয় হতে পারে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা বা তারও অধিক।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারাইতিমধ্যে ১০০ দেশি মুরগি পালনের খরচ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।এর থেকে ধারনা নিয়ে আপনারা দেশি মুরগি পালন করতে পারবেন।
দেশি মুরগি পালন প্রশিক্ষণ
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই দেশি মুরগি পালন করতে চান।কিন্তু এর প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আপনাদের ধারনা নেই। আপনারা এখান থেকে ধারনা নিতে পারবেন।আশা করি আপনারা এখান থেকে প্রশিক্ষণ সম্পর্কে জানে পারবেন।প্রিয় বন্ধুরা আপনারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী ও বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে দেশি মুরগি পালন।
স্বল্প বিনিয়োগ, সহজ ব্যাবস্থাপনা ও ভালো বাজার দরের কারনে বর্তমানে বেকার যুবকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দেশীয় মুরগীর পালন।দেশি মুরগি লাভজনকভাবে পালন করতে হলে সঠিক পরিচর্যা ও খামার ব্যাবস্থাপনা সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। আমরা এখানে দেশি মুরগি পালনের বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
আশা করি আপনাদের দেশীয় মুরগীর প্রশিক্ষণ সম্পর্কে আপনার ধারনা সঠিক থাকবে।দেশীয় মুরগী সাধারন ভাবে আমাদের দেশে দেশি মুরগি নদীর চরে,উন্মুক্ত বা খোলা-মেলা পরিবেশেই বেশি পালন করা হয়ে থাকে। তবে কমার্শিয়াল বা ব্যাবসায়িক ভাবে এই পদ্ধতি তেমন লাভজনক নয়।আবার যেহেতু দেশি মুরগি প্রকৃতিগত ভাবে চঞ্চল ও চড়ে বেড়ানো স্বভাবের।
তাই এদেরকে সম্পূর্ন আবদ্ধ অবস্থায় ফার্মের মত করে পালন করাও উচিত নয়। সম্পূর্ন আবদ্ধ অবস্থায় দেশি মুরগি পালন করা হলে এটি এর গুনগত বৈশিষ্ট ক্রমান্বয়ে হারাতে থাকবে। তাই খোলামেলা ঘরে রাখতে হবে। দেশীয় মুরগী পালনে প্রথমত মুরগীর সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে।প্রশিক্ষণ নিতে হবে।দেশী মুরগী পালনে ঘর হবে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর লম্বা।
প্রস্থ সাধারনত ২০ থেকে ২৫ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ১৫০ ফুট বা চাহিদা অনুযায়ী করা যেতে পারে।মুরগির ঘরের মেঝে হবে মাটি থেকে কমপক্ষে এক ফুট উচুতে এবং চারপাশ ভালোভাবে নেট দিয়ে ঘেরা দিতে হবে। খেয়াল রাখা প্রয়োজন, বাহিরহতে কোন কিছু যেন শেডে প্রবেশ করতে না পারে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই দেশি মুরগি উৎপাদন করেন।
আমাদের এই আলোচনার মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।আশা করি এটি আপনাদেরকে সহজ ভাবে জানতে সহায়তা করবে।
দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি
প্রিয় বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে দেশি মুরগি পালন সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আপনারা সকলেই জানতে পেরেছেন।এখন যে বিষয়টি আলোচনা করবো তা হলো দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি সম্পর্কে।প্রথমত বাচ্চা উঠানোর পূর্বে ব্রুডার ঘরের সব জিনিস ভালো ভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিতে হবে এবং ব্লেন্ডারের মাধ্যমে সবকিছু কে মিশ্রণ করে নিতে হবে ঘরের চারপাশে অবশ্যই কপারের পর্দা লাগানোর চেষ্টা করবেন এবং বাচ্চা আসার আগে পানির পাত্র এবং খবরের পাত্র সঠিক জায়গা রাখতে হবে।
আপনি যে ঘরে বাচ্চাগুলো রাখবেন অবশ্যই সে ঘরে তাপমাত্রা আপনাকে নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করতে হবে এবং বাচ্চাকে খাবার পানি হিসাবে সাদা পানি দিতে হবে এবং অবশ্যই তাহলে গ্লুকোজ যুক্ত করে পানি দিতে পারবেন।ব্রুডারে ছাড়ার ১০ মিনিট পর খাবার দিতে হবে। এক্ষেত্র প্রথমবারে আপনি পেপারের মাধ্যমে খাবারটি দিতে পারবেন কিন্তু পরবর্তী সময় আপনাকে অবশ্যই একটি থালাতে করে খাবারটি দিতে হবে। কোন সমস্যা থাকলে সমাধান করতে হবে এবং বাচ্চা মৃত থাকলে সরিয়ে ফেলতে হবে।খাবার পানি শেষ হলে খাবার পানি দিতে হবে।
পেপার ভিজে গেলে পাল্টে দিতে হবে। ২৪ ঘন্টা পর পেপার সম্পূর্ন ভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে।প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।এবং আপনারা ধারনা নিতে পেরেছেন।প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা আমার আলোচনাটি মনোযোগ সহকারে পরেছেন। এর মাধ্যমে আপনারা সম্পর্কে ধারনা আনতে পারবেন। আরো বিস্তারিত আমাদের পরবর্তী পাঠে আলোচনা করবো।আশা করি মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার
প্রিয় বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে দেশি মুরগি পালন সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আপনারা সকলেই জানতে পেরেছেন।বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছি।৷ যার মাধ্যমে আপনারা ধারণা নিয়ে দেশী মুরগী পালন করতে পারবেন। আমরা এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক। দেশীয় মুরগির ফার্মে ভাইরাস ঘটিত রোগ অনেক ক্ষতি করে। এতে আক্রান্ত হলে খামারের মুরগি মারা যায়।
যার কারনে ভাইরাস নিয়ে খামারীদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। তাই এবার জেনে নেওয়া যাক মুরগির বাচ্চার মাথা ঝিমানোর কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে।১০-১৫ দিন বয়সে গামবোরো রোগ হয়। ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেসব বাচ্চাদের এ ধরনের রোগ হয়ে থাকে এবং তিন সপ্তাহের মধ্যেই বাচ্চাদের এ রোগের লক্ষণ দেখা যায় শুধু মুরগিদের বাচ্চা নয় মুরগির অন্যান্য জাত টার্কি সহ অন্যান্য মুরগীদের হয়ে থাকে।
এ রোগে আক্রান্ত যেসব মুরগি রয়েছে সেসব মুরগির পায়খানার মাধ্যমে এই ভাইরাস পরিবেশে আসে পরে দূষিত খাদ্য, পানি এবং লিটারের মাধ্যমে এ ভাইরাস এক মুরগি থেকে অন্য মুরগিতে ছড়ায়।গামবোরো রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা ব্যবহার করতে হবে। যে কোনো মুরগির বাচ্চার টিকা দেওয়ার আগে মা থেকে প্রাপ্ত এন্টিবডির মাত্রা জেনে নিতে হবে। সুস্থ বাচ্চাকে টিকা দিতে হবে এবং অসুস্থ বাচ্চাকে টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
টিকা দেওয়ার সময় বাচ্চার ওপর যেন কোনো ধকল না পরে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।ট্যাবলেট ১টি ২ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে ১ দিন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন খাওয়াতে হবে। হ্যাচারির ইনকিউবেটরের মাধ্যমে আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে রোগের প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন।আশা করি আপনাদের এটি ভালো লেগেছে।
দেশি মুরগির ঝিমানো রোগের ঔষধ
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে দেশি মুরগি পালন বা দেশী মুরগীর বাচ্চা পালন সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো দেশি মুরগির ঝিমানো রোগের ঔষধ।চলুন বন্ধুরা জেনে নিন। দেশীয় মুরগির ফার্মে ভাইরাস ঘটিত রোগ অনেক ক্ষতি করে।
এতে আক্রান্ত হলে খামারের মুরগি মারা যায়। যার কারনে ভাইরাস নিয়ে খামারীদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। তাই এবার জেনে নেওয়া যাক মুরগির বাচ্চার মাথা ঝিমানোর কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে।১০-১৫ দিন বয়সে গামবোরো রোগ হয়। সাধারণত ৩-৬ সপ্তাহের মুরগির বাচ্চাদের তীব্র আকারে দেখা দেয় । ৩ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চাদের এ রোগে আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে এবং শুধু মুরগি, হাঁস এগুলো না গৃহপালিত অন্যান্য পশুপাখি অর্থাৎ টার্কি মুরগি সহ অন্যান্য মুরগী আক্রান্ত হয়ে থাকে।
আক্রান্ত বাচ্চা মুরগির পায়খানার মাধ্যমে এই ভাইরাস পরিবেশে আসে পরে দূষিত খাদ্য, পানি এবং লিটারের মাধ্যমে এ ভাইরাস এক মুরগি থেকে অন্য মুরগিতে ছড়ায়।গামবোরো ভাইরাসজনিত একটি ছোঁয়াছে রোগ। ভিরনা ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। মুরগির বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় গামবর রোগ কে অনেকে অভাইন এইডিস বলে থাকে।
এমন পরিস্থিতিতে অ্যামোক্সিসিলিন অথবা মোক্সাসিলিন অথবা কলিস্টিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াতে হবে। ফুসিড ট্যাবলেট ১টি ২ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে ১ দিন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন খাওয়াতে হবে। হ্যাচারির ইনকিউবেটরের মাধ্যমে আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে রোগের প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব। আপনারা এ পাঠে দেশি মুরগির ঝিমানো রোগের ঔষধ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আমা করি ভালো লেগেছে।
শেষ কথা
বর্তমানে সব জায়গাতেই দেশীয় মুরগী উৎপাদন করা হয়। সব জায়গাতেই দেশীয় মুরগী পালন লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে গ্রামের সকল মানুষ দেশি মুরগি উৎপাদন করে থাকে। এই মুরগীকে একটি পূর্ণ বা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে মোরগ এবং প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে মুরগি বলে।মোরগের সাথে সাধারণত দীর্ঘ প্রবাহমান এদের লেজ চকচকে থাকে, তাদের ঘাড়ে এবং পিঠের পালক, যা একই জাতের মহিলাদের তুলনায় উজ্জ্বল, গা উজ্জ্বল,মোটা বর্ণের হয় । সেদ্ধ মুরগি হালকা এবং সহজে হজম করা যায়। তাই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের ডায়েটে থাকে সেদ্ধ মুরগির মাংস।প্রোটিন হাড়ের শক্তির উন্নতির জন্য অপরিহার্য একটি উপাদান। মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যা হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের সম্পুর্ন লেখা বা আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন এবং এর থেকে আপনারা অনেক জ্ঞান নিতে পারবেন।সবাইকে সচেতন করতে পারবেন। সহজ ভাবে ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা দিয়ে থাকি।এতে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন। এবং অন্যদেরকে শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দিবেন। আপনাদের সহপাঠী বা প্রতিবেশিদের জানতে সাহায্য করবেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমাদের এই আলোচনাটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন। আরো ভালো ভালো কন্টেন্ট পেতে আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন।আশা করি এই কন্টেন্টি আপনাদের ভালো লেগেছে। সবাই সুস্থ ও ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url