২০টি ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা
প্রিয় বন্ধুগণ আজ আপনাদেরকে জানানো হবে খুব সহজ একটি বিষয় বিষয়টি হলো,ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম। প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা জানেন ইসুবগুলের ভুষি খাওয়া কতটা উপকারী এবং এর বংশের কতটা গুণ রয়েছে কিন্তু সম্পূর্ণটা যদি আমরা উপকার এবং অপকার জানতে চাই তাহলে অবশ্যই এই পোস্ট পড়তে হবে।
বন্ধুগণ আজকে আপনাদেরকে এই পোস্টে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে ইসুবগুলের ভুষির উপকারিতা কি কি এবং অপকারিতা কি কি এসব সম্পর্কে। আবার অনেকেই জানেন না এসব খাওয়ার নিয়ম কি সব জিনিসই সঠিক নিয়মে খেতে হয় এবং সঠিক নিয়ম খাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই পোস্টে। তো বন্ধুরা চলুন সেগুলো আজ জানা যাক।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন।আপনারা অনেকেই জানতে চেয়েছেন ইসবগুলের সম্পর্কে। আজকে আমরা ইসবগুলের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।যেমন- ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা, ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম,গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম।
আরো পড়ুন
ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায়,ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম,খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় কা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি এটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে। এই ইসবগুল এক ধরনের জাতীয় গাছ এর ফুল গুলো ছোট ছোট, পাপড়ি অনেক সূক্ষ হয়। ইসবগুল বীজের খোলস আছে। ইসবগুল গাছের উচ্চতা দেড়-দুই ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
২কোষ বিশিষ্ট, সাত-আট মিলিমিটার লম্বা হয় এবং ফলের ভিতরে ৩ মিলিমিটার লম্বা বীজ থাকে। বীজ দেখতে নৌকার মতো এবং এর খোসায় পিচ্ছিল হয়। এক ধরনের রবিশস্য। হেমন্তকালে বীজ বপন করা হয়। চৈত্র মাসে ফসল তোলা হয়। ইসবগুল উপমহাদেশের সবাই চেনে। এর নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কেও আমরা ওয়াকিবহাল।
নামের সাথে ‘গুল’ আছে বলে অনেকে ভাবি, হয়ত কোনো ক্ষুদ্র ফুলের সূক্ষ্ম পাপড়ি হবে, কিন্তু এর সম্পর্ক ফুলের সঙ্গে নয়, বীজের সঙ্গে। বীজ দেখতে আকারে অবয়বে অনেকটা ফ্লি-মাছির মতো বলে ইংরেজিতে এই নাম। ইসবগুল শব্দটা ফার্সি ‘ইসপা-গোল’ থেকে আগত যার অর্থ ‘ঘোড়ার কান’। খুব ছোট হলেও, খোসাগুলো শতশত গুণ বড় করে দেখলে ঘোড়ার কানের মতো মনে হতে পারে।
তবে আমাদের খালবিলভরা জলজ উদ্ভিদ ‘ইঁদুরকানি’ পানায় ইঁদুর-কানের আকৃতির মতো তা সহজে অনুমেয় নয়। যাহোক, কল্পনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে, যোগবিয়োগ করে আমরা একে আত্তীকরণ করেছি বাংলায়, যা উচ্চারণগতভাবে ইসবগুলের এবং বানানে ‘ইসবগুল’।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে ইসবগুলের সম্পর্কে ধারনা আনতে পেরেছেন।
ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইসবগুলের সম্পর্কে উপরিউক্ত কিছু আলোচনা করেছি।তার থেকে আপনারা ধারনা আনতে পেরেছেন।এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা।আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।এই ভুসি মূলত এক প্রকার দ্রবণীয় ফাইবার যা সাইলিয়াম বীজের খোসা।
আরো পড়ুন
এটি রেচক বা ল্যাক্সেটিভ হিসেবেও পরিচিত। ইসবগুলের ভুসি মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, হার্ট বা হৃৎপিণ্ড এবং অগ্নাশয় সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় প্রমাণিত।ইসবগুল পেট ব্যথা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ইসবগুল মিউসিলেজিনাসের কারণে আলসারজনিত পেট ব্যথা কম অনুভূত হয়। ইসবগুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।
এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। প্রতিদিন এক গ্লাস পানিতে দুই বা তিন চামচ ইসবগুল মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি মেলে।প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ার সমস্যা থাকে অনেকের। তাদের ক্ষেত্রে উপকারী একটি খাবার হলো—ইসুবগুলের ভুসি। এটি নিয়মিত খেলে কমবে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ার সমস্যা।
এই সমস্যা দূর করতে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এটি সকাল-বিকেলে খেতে পারেন।এটি দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। দইয়ে থাকে প্রোবায়োটিক যা পাকস্থলীর ইনফেকশন সারাতে কাজ করে। এদিকে ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে ডায়রিয়া দ্রুতই সেরে ওঠে।
ইসবগুলের অপকারিতা হলো
ইসবগুলের ভুসির যেমন উপকারিতা রয়েছে।তেমনি অপকারিতাও রয়েছে। ইসবগুলের ভুসি বেশি পরিমানে খেলে পেট ব্যাথা হয়,কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়, ক্র্যাম্প সৃষ্টি করে, ডায়রিয়ার ব্যাঘাত ঘটায়,বমি বমি ভাব হয়,হারাকনো রোগ দেখা দেয়। গ্র্যাস্টিকের সমস্যা দেখা দেয় ইত্যাদি। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যেইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনেছেন।
আশা করি আপনারা মনোযোগ সহকারে পরেছেন। এবং এর থেকে আপনারা ধারনা আনতে পেরেছেন।ইসবগুলের ভুসি সম্পর্কে জানতে আমাদের আরো আলোচনা নিম্নে আলোচনা করা হয়েছে। দয়া করে সম্পূর্ণ আলোচনা পরবেন।
ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে ইসবগুলের ভুসি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানলেন।অনেকেই ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম জানেন না।তারা ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে প্রশ্ন করে থাকেন। আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।ইসবগুলের ভুসি প্রধানত রাতে ২-৩ চামচ ভূসি পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ওঠে সেটি সরবত তৈরি করতে হবে।
এসব ভুসি সকালে ওঠে খালি পেটে খেতে হবে এটাই নিয়ম।আপনারা কুসুম গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেতে পারবেন অথবা লেবুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারবেন। এতে হজম শক্তি বৃষ্টি পায়। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা আছে। আবার রাতে ও ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। এতে অনেক উপকারিতা রয়েছে। শরীরের জন্য বেশ উপকারী।
তবে যারা ডায়াবেটিস রোগী আছেন তারা দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারবেন না।খেলে সমস্যা দেখা দিবে।১-২ চা চামচ ২৫০ বা ১ গ্লাস পানি দিয়ে মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে পারেন। পানির সঙ্গে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খাবেন যাতে শরীরের ভেতরে ঢুকে এটি ফোলে। চিনি মেশানোর দরকার নেই।প্রোবায়োটিক হিসেবেও এটির ব্যবহার হচ্ছে।
২ চা চামচ ভুসি ১৫ মিলিলিটার টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাবারের পরে খাবেন। এরপর ১ গ্লাস পানি খেয়ে নেবেন। ডায়রিয়াজনিত রোগে এটি প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।চা চামচ ইসবগুল ১ গ্লাস ঠাণ্ডা পানির সঙ্গে খেতে পারেন। খাওয়ার পর পেট-বুক জ্বালাপোড়া করা ও পেটে গ্যাস হওয়া রিফ্লাক্স রোগের উপসর্গ। খাবারের পর পাকস্থলীর গায়ে এটি আবারণ সৃষ্টি করে।
ফলে এসিড থেকে শরীরে ক্ষতি কম হয়। এই খাবারের ফলে শর্করা খাবার ঠিক হয়ে যায়। এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি খুব উপকারী। আপনি ইচ্ছে করলে আর ফ্যামিলি কুসুম পানিতে দিয়ে এবং সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে সকালের নাস্তার সাথে আপনি এটি গ্রহণ করতে পারবেন।।সারা বছর ধরে খেলে পেট ভুট ভুট করে, ডায়রিয়াও হতে পারে।
একটানা ৭-১০ দিনের বেশি খাওয়া উচিত নয়। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যেইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছেন।এই নিয়ম অনুযায়ী আপনারা খেতে পারেন। তাহলে কোনো সমস্যা দেখা দিবে না।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের আরো পরবর্তী আলোচনা গুলো মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই ইসবগুলের ভুসি চিনেন আবার অনেকে চিনেন না। আমাদের আলোচনা পড়ে থাকলে আপনি সহজে চিনতে পারবেন এবং এর থেকে আপনারা অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।ব্যাবহার সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমরা এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম।
আরো পড়ুন
চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে। গর্ববস্থায় অনেক নারী কোষ্ঠকাঠিন্যতায় ভোগেেন।এই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়া অনেক উপকারী। গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য একেবারে দূর হয়ে যাবে।১-২ চা চামচ ২৫০ বা ১ গ্লাস পানি দিয়ে মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে পারেন।
২ চা চামচ ভুসি ১৫ মিলিলিটার টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাবারের পরে খাবেন। এরপর ১ গ্লাস পানি খেয়ে নেবেন। ডায়রিয়াজনিত রোগে এটি প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।কুসুম গরম পানির সঙ্গে ১-২ চা চামচ লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে সকালে নাস্তার পরে খেলে শরীরের ওজন কমে যায়।১-২ চা চামচ ২৫০ বা ১ গ্লাস পানি দিয়ে মিশিয়ে প্রতিদিন খেতে পারেন।
পানির সঙ্গে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খাবেন যাতে শরীরের ভেতরে ঢুকে এটি ফোলে। চিনি মেশানোর দরকার নেই।প্রোবায়োটিক হিসেবেও এটির ব্যবহার হচ্ছে। ২ চা চামচ ভুসি ১৫ মিলিলিটার টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাবারের পরে খাবেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেনগর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে।
আশা করি আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরেছেন।গর্ভাবস্থায় ইসবগুলের ভুসি কি, ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায়,ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম ইত্যাদি আরো দিক সম্পর্কে আলোচনা করবো।দয়া করে আপনারা সম্পূর্ণ আলোচনা পরবেন।
ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে ইসবগুলের ভুষি নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করেছি।আশা করি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন।আমরা আপনাদের কাছে সহজ ভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকি।আশা করি আপনারা অতি সহজে বুঝতে পেরেছেন।আমরা এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায় তা নিয়ে।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই জানেন না এ সম্পর্কে অনেকই প্রশ্ন করে থাকেন। তাদের জন্য আমাদের আজকের আর্টিকেলটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চলুন ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায় তা সম্পর্কে জেনে নিন।ইসবগুল আপনি পাউডার বা হাস্ক যেভাবেই খান না কেন, বেশ কিছু জার্নালে বলা হয়েছে পাঁচ থেকে ১০ গ্রাম পর্যন্ত।
অর্থাৎ এক থেকে দুই চা চামচ পর্যন্ত সারা দিনে রেকমেন্ডেশন রয়েছে, তবে এটি অবশ্যই ডক্টরের পরামর্শে হতে হবে।যারা ডক্টরের পরামর্শ ছাড়া খাচ্ছেন, তাদের জন্য ফাইভ গ্রাম বা এক চা চামচই যথেষ্ট এবং নিয়ম হচ্ছে আপনাকে ২৪০ এমএল ওয়াটার, অর্থাৎ বড় এক গ্লাস পানির মধ্যে খুব ভালো করে মিলিয়ে এটি খেতে হয়। এটি মিলানোর সাথে সাথে আপনাকে খেতে হবে।
কোনোভাবেই মিলিয়ে রেখে দেওয়া যাবে না। কারণ এই ইসবগুল পানির সাথে গিয়েই কিন্তু আপনার ইনটেস্টাইনে বাওয়েলের সাথে কাজ করবে। তাই অবশ্যই এটি স্ট্যাট ডোজ হিসেবে খাবেন এবং ২৪০ এমএল পানির মধ্যে এক চামচ ইসবগুল আপনারা খাবেন। যাদের দুই চামচ খাওয়ার রেকমেন্ডেশন আছে, দিনে দুইবার খেতে পারেন।
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন ইসবগুলের ভুষি কতদিন খাওয়া যায় সে সম্পর্কে। আশা করি এর থেকে আপনারা অনেক ধারনা পাবেন। আপনারা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন। আর আমাদের আজকের আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না।
ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন। আমরা ইতিমধ্যে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনারা সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আশা করি আপনারা পুরোটা মনোযোগ দিয়ে পরবেন এবং ধারনা নিতে পারবেন। আমরা এখন যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করবো তা হলো ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম।
আরো পড়ুন
চলুন বন্ধুরা ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে ধারনা নিন।এবং অন্যদের ধারনাটা সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবেন।অন্যদের জানার সুযোগ করে দিবেন। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার দিবেন।রাতে ইসবগুল অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ ভুসি মিশিয়ে পানি পান করতে পারেন।
পানি বা শরবতের সঙ্গে ভালোভাবে নেড়ে ভুসি মিশিয়ে নিন।আপনি যদি ইসবগুল মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে না পান করে ভিজিয়ে রাখেন তবে তা ফুলে মোটা ও ঘন হয়ে যায়। ভিজিয়ে রাখার সজ্ঞে সজ্ঞে এটি খেতে হবে। তবেই ভালো উপকার পাবেন। ১-২ চামচ ইসবগুল ২৪০ মিলিলিটার পানিতে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে পারেন। যেহেতু এটা কার্যকারিতার জন্য অন্ত্র থেকে পানি শোষণ করে।
তাই দুই চা-চামচ ভুসি, পানি বা দুধে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই খেয়ে ফেলা ভালো। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এটা বাইরে থেকেই পানি শোষণ করে নেবে, অতএব কার্যকারিতাও কমে যাবে। তবে ইসবগুল খাওয়ার পদ্ধতির ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে উপকারিতা নির্ভর করে।প্রিয় বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে।
আশা করি আপনাদের এটি ভালো লেগেছে। এর থেকে ইসবগুলের ভুসি রাতে খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী খেতে পারবেন তাহলে কোনো ক্ষতি হবেনা। পরবর্তী পাঠে আমরা আরো দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয়
প্রিয় বন্ধুরা আমরা সকলেই ইসবগুলের ভুসি চিনে থাকি। আপনারা অনেকেই চিনেন না, আমাদের এ পাঠের থেকে ইসবগুলের ভুসি খুব সহজে চিনতে পারবেন। প্রিয় বন্ধুরা আমরা এখন জানবো খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় সে সম্পর্কে। আপনারা এ সম্পর্কে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। আজকে আমরা এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আশা করি আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
চালুন শুরু করা যাক। অনেকে সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেয়ে থাকেন।অনেকে খেয়ে অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।কিন্তু আপনারা জানেন না ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় বা কি উপকার বা ক্ষতিকর হয়।আসুন জেনে নিন ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় তা সম্পর্কে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পাইলসের সৃষ্টি হয়।
পাইলস রোগীদের সারা বছর ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। কারণ এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ৫ থেকে ১০ গ্রাম ইসবগুল এক কাপ হালকা ঠান্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিংবা সকালে খালি পেটে খেয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়।
হজম প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিকতা দূর করতেও ইসবগুলের ভুসি দারুণ কাজ করে। ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে হজমের সমস্যা দেখা দিলেও ইসবগুলের শরবত কাজে আসে। পাকস্থলী পরিষ্কার রাখতেও রোজ সকালে খালি পেটে এটি খেতে পারেন।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ইসবগুলের শরবত দারুণ পথ্য হিসেবে বিবেচিত।ইসবগুল আমাশয় রোগের জীবাণু নষ্ট করতে পারে না। তবে আমাশয়ের জীবাণু পেট থেকে বের করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন যে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় সে সম্পর্কে।
আপনারা শরীর সুস্থ ও ভালো রাখতে অবশ্যই খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খাবেন।আশা করি আপনারা খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা নিয়ে ধারনা ও জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন।আশা করি আপনাদের এই আর্টিকেল টি ভালো লাগবে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা আজকের আর্টিকেলটি সম্পুর্ন মনোযোগ সহকারে পরেছেন। এবং এই আর্টিকেল সম্পর্কে ধারনা আনতে পেরেছেন।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেয়ে থাকেন অনেকেই। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতেই এই উপায় বেছে নেন।ইসবগুল শব্দটা ফারসি ‘ইসপা-গোল’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘ঘোড়ার কান’।
আরো পড়ুন
খুব ছোট হলেও খোসাগুলো শত শত গুণ বড় করে দেখলে ঘোড়ার কানের মতো মনে হতে পারে। যাহোক, কল্পনাকে জলাঞ্জলি দিয়ে, যোগ–বিয়োগ করে আমরা একে আত্তীকরণ করেছি বাংলায়, যা উচ্চারণগতভাবে ‘ইশবগুল’ এবং বানানে ‘ইসবগুল’।কোষ্ঠকাঠিন্যের বিপরীতে ইসবগুল কিন্তু ডায়রিয়া প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে, বিশেষত দইয়ের সঙ্গে খেলে।
উল্লিখিত দুটি রোগ ছাড়াও আয়ুর্বেদ একে অ্যাসিডিটি, অর্শ, মূত্র প্রদাহ, মূত্রস্বল্পতা এবং দীর্ঘ মেয়াদে শ্বাসজাতীয় রোগেও ব্যবহার করে থাকে।পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এই উদ্ভিজ্জাত দ্রব্যের ব্যবহার নানা দেশে প্রাচীনকালে ছিল, ছিল ভারতীয় আয়ুর্বেদেও; এখন যা আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। মানুষ ক্রমে প্রাকৃতিক ওষুধের গুণাগুণ সম্পর্কে অবহিত হয়ে একে অধিকতর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করছে।
পৃথিবীর নানা অঞ্চলে যেসব ওষুধ আগে ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের সম্পুর্ন লেখা বা আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন এবং এর থেকে আপনারা অনেক জ্ঞান নিতে পারবেন।সবাইকে সচেতন করতে পারবেন। সহজ ভাবে ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা দিয়ে থাকি।এতে আপনারা অনেক উপকৃত হবেন।
এবং অন্যদেরকে শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দিবেন। আপনাদের সহপাঠী বা প্রতিবেশিদের জানতে সাহায্য করবেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমাদের এই আলোচনাটি আপনাদের কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন। আরো ভালো ভালো কন্টেন্ট পেতে আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন।আশা করি এই কন্টেন্টি আপনাদের ভালো লেগেছে। সবাই সুস্থ ও ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url