নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আপনারা আজকে এই পোস্ট এর মধ্যে জানতে পারবেন নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে।নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময় কি আপনারা কি সঠিকভাবে জানেন এই সকল সম্পর্কে বিস্তারিত সঠিকভাবে জানার জন্য আমাদের এই পোস্টটি পড়তে থাকুন।
নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত
প্রিয় বন্ধুরা সকলে নামাজ পড়েন কিন্তু আপনারা কি জানেন নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে সত্যি ও বন্ধুরা নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময় কোনটা সে বিষয়ে জানার জন্য আমাদের এই পোস্ট আপনাদেরকে পুরোপুরি পড়তে হবে। তোর চলেন বন্ধুরা আমায় নিয়ে আসি নফল নামাজ পড়া নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন নামাজ সম্পর্কে। আপনারা অনেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সম্পর্কে জানেন না। বা জানলেও তার ফজিলত অনেকেই জানেন না। আমরা আপনাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে যতগুলো দোয়া ও সূরা রয়েছে তা তা আপনাদের এই কন্টেন্টের মাধ্যমে বলে দিব।নামাজ যার শাব্দিক অর্থ দোয়া, ক্ষম্ প্রার্থনা, রহমত ইত্যাদি।

নামাজের আরবি হল সালাত। পারিভাষিক ভাবে ইসলামী শরীয়ত নির্দেশিত নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে একান্ত বিশ্বাসের সহিত বিশেষ প্রার্থনা বা ইবাদত।ইসলামের ২য় স্তম্ভ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ওয়াক্তে নামাজ পড়া হলেও মিরাজের পর থেকে নামাজের বর্তমান রীতি চালু হয়। আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম হিসাবে নামাযই একমত্র মাধ্যম। 

আল্লাহ বলেন “নিশ্চয়ই নামায পাপ ও অশ্লীল কাজ হইতে বিরত রাখে”।মুসলমান ,বয়স কমপক্ষে ৭ বছর হওয়া ,এবং সুস্থ মস্তিষ্কের সকল প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যাক্তির উপর নামাজ ফরজ বা আবশ্যক।নফল নামাজ যেকোনো সূরা বা আয়াত দিয়ে পড়া যায়। নফল নামাজে সূরার তারতিব বা ধারাক্রম জরুরি নয়। নফল নামাজের সূরা কিরাআত নীরবে পড়তে হয়; 

তবে রাতের নফল নামাজ ইচ্ছা করলে সরবেও পড়া যায়। বিভিন্ন কিতাবে বিভিন্ন নফল নামাজের বিভিন্ন সূরা কিরাআত ও বিশেষ বিশেষ নিয়ম বর্ণিত আছে। সম্ভব হলে তা অনুসরণ করা উত্তম; তবে জরুরি নয়। নফল নামাজে যত ইচ্ছা তত দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করা যায়। এতে রাকাত দীর্ঘ করার জন্য এবং তিলাওয়াতের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য একই রাকাতে বিভিন্ন সূরা ও বিভিন্ন আয়াত পড়া যায়। 

এবং একই রাকাতে একই সূরা বারবার পড়া যায়। নফল নামাজে কিরাআতে তিলাওয়াতের তারতিব বা ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি নয়। নফল নামাজে রুকু, সিজদাসহ প্রতিটি রুকন বা পর্ব দীর্ঘায়িত করা সুন্নত ও মোস্তাহাব। এ জন্য রুকু ও সিজদায় তাসবিহ অনেকবার পড়া যায় এবং অন্যান্য পর্বে বেশি পরিমাণে বিভিন্ন দোয়া (যা কোরআন-হাদিসে আছে) পাঠ করা যায়।

সূর্যোদয়ের সময় সব নামাজ নিষিদ্ধ, সূর্য মাথার ওপর স্থির থাকা অবস্থায় নামাজ পড়া মাকরুহে তাহরিমি, সূর্যাস্তের সময় চলমান আসর ব্যতীত অন্য কোনো নামাজ বৈধ নয়। এ ছাড়া ফজর নামাজের ওয়াক্ত হলে তখন থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং আসর ওয়াক্তে ফরজ নামাজ পড়া হলে তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের নফল নামাজ পড়া নিষেধ। এই পাঁচটি সময় বাদে অন্য যেকোনো সময় নফল নামাজ পড়া যায়।

নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না নফল নামাজ পড়ার নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে। আমরা আপনাদের নফল নামাজ পড়ার ও নিয়ত সম্পর্কের জানাবো। তো চলুন বন্ধুরা জেনে আসি।নফল নামাজগুলো অধিকাংশই সুন্নত। 

তাই নিয়তে সুন্নত বলা যাবে, নফল বললেও হবে; সুন্নত–নফল কোনো কিছু না বলে শুধু তাকবিরে তাহরিমা দিয়ে আরম্ভ করলেও হয়ে যাবে। দুই রাকাতের বেশি নফল নামাজের নিয়ত করে তা ছেড়ে দিলে বা যেকোনো জোড় সংখ্যা পূর্ণ হওয়ার পর বিজোড় সংখ্যায় নফল নামাজ ভেঙে গেলে; পরে এ জন্য শুধু দুই রাকাত আদায় করা ওয়াজিব হবেসূর্যোদয়ের সময় সব নামাজ নিষিদ্ধ, সূর্য মাথার ওপর স্থির থাকা অবস্থায় নামাজ পড়া মাকরুহে তাহরিমি, 

সূর্যাস্তের সময় চলমান আসর ব্যতীত অন্য কোনো নামাজ বৈধ নয়। এ ছাড়া ফজর নামাজের ওয়াক্ত হলে তখন থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং আসর ওয়াক্তে ফরজ নামাজ পড়া হলে তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের নফল নামাজ পড়া নিষেধ। এই পাঁচটি সময় বাদে অন্য যেকোনো সময় নফল নামাজ পড়া যায়।নফল নামাজ যেকোনো সূরা বা আয়াত দিয়ে পড়া যায়। 

নফল নামাজে সূরার তারতিব বা ধারাক্রম জরুরি নয়। নফল নামাজের সূরা কিরাআত নীরবে পড়তে হয়; তবে রাতের নফল নামাজ ইচ্ছা করলে সরবেও পড়া যায়। বিভিন্ন কিতাবে বিভিন্ন নফল নামাজের বিভিন্ন সূরা কিরাআত ও বিশেষ বিশেষ নিয়ম বর্ণিত আছে। সম্ভব হলে তা অনুসরণ করা উত্তম; তবে জরুরি নয়। নফল নামাজে যত ইচ্ছা তত দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করা যায়। 

এতে রাকাত দীর্ঘ করার জন্য এবং তিলাওয়াতের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য একই রাকাতে বিভিন্ন সূরা ও বিভিন্ন আয়াত পড়া যায় এবং একই রাকাতে একই সূরা বারবার পড়া যায়। নফল নামাজে কিরাআতে তিলাওয়াতের তারতিব বা ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি নয়। নফল নামাজে রুকু, সিজদাসহ প্রতিটি রুকন বা পর্ব দীর্ঘায়িত করা সুন্নত ও মোস্তাহাব। 

এ জন্য রুকু ও সিজদায় তাসবিহ অনেকবার পড়া যায় এবং অন্যান্য পর্বে বেশি পরিমাণে বিভিন্ন দোয়া যা কোরআন-হাদিসে আছে পাঠ করা যায়।কেউ এ রাতে নফল নামাজ পড়ার আলাদা কোনো নিয়ম বা নিয়ত সাব্যস্ত করলে তা বিদয়াত বলে গণ্য হবে। কারণ, শবে বরাতে নামাজ পড়ার কোনো নিয়ম বর্ণনা করেননি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লাম বর্ণনা করেননি, সাহাবিরা পালন করেননি- এমন কোনো বিষয়ে ইবাদত বা নির্দিষ্ট করে আমল তৈরি করলে তা বিদয়াতের অন্তর্ভুক্ত।বর্ণিত হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব। 

আর সর্বোত্তম আদর্শহা মুম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াাসল্লামের আদর্শ। সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হলো দীনের মধ্যে নব-উদ্ভাবিত বিষয়। (দীনের মধ্যে) নব-উদ্ভাবিত সবকিছুই বিদআত। প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা, আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম

নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময়

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময় সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময়। আমরা আপনাদের নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময় সম্পর্কে সবটুকু ধারণা দিব। আপনারা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন নফল নামাজ পড়া সঠিক সময় সম্পর্কে। 

নফল নামাজ পড়ার সঠিক সময় সম্পর্কে আমাদের হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম । প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি নফল নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। নিষিদ্ধ সময় ছাড়া দিন-রাতের যেকোনো সময় নফল নামাজ আদায়ের চেষ্টা করা উচিত। 'তুমি বেশি বেশি সিজদা করো নফল নামাজ। 

কেননা তোমার প্রতিটি সিজদার বিনিময়ে আল্লাহ তোমার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং একটি গোনাহ মিটিয়ে দেবেন।মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব নফল নামাজ গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করতেন তার একটি হলো মাগরিবের পরের আওয়াবীনের নামাজ। আওয়াবীন অর্থাৎ, বেশি বেশি তওবাকারীদের নামাজ। 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এই নামাজ পড়তেন এবং সাহাবিদের পড়ার কথা বলতেন।এক হাদিসে হজরত হুযাইফা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে তার সঙ্গে মাগরিবের নামাজ আদায় করলাম। তিনি মাগরিবের পরে এশার নামাজ পর্যন্ত নফল নামাজ পড়লেন

নফল নামাজ পড়ার ফজিলত

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনার ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন নফল নামাজ পড়ার ফজিলত সম্পর্কে। আমরা আপনাদের নফল নামাজ পড়ার ফজিলত সম্পর্কে জানাবো। চলুন বন্ধুরা আপনাদের কন্টেন্টের মাধ্যমে নকল নামাজ পড়ার ফজিলত সম্পর্কে জানায়। আমরা মুসলিম।মুসলমানদের প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মোট ১৭ রাকাত ফরজ ও তিন রাকাত বিতর এবং ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ পড়তে হয়।

এ ছাড়া আরও কিছু নির্ধারিত-অনির্ধারিত নফল নামাজ রয়েছে। যেমন- তাহাজ্জুদ নামাজ, ইশরাক নামাজ, চাশতের নামাজ, আওয়াবিন নামাজ এবং সাধারণ নফল নামাজ। মোটকথা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত নামাজের অতিরিক্ত নামাজকে নফল নামাজ বলা হয়। নফল নামাজ আদায়ে অনেক ফজিলত। এই নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন।

নফল নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা ও নৈকট্য লাভ হয়। হাদিসে কুদসিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, আমার বান্দা নফলের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে, একপর্যায়ে আমি তাকে মহব্বত করতে থাকি। যখন তাকে মহব্বত করতে থাকি, তখন তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শোনে, আমি তার চোখ হয়ে যাই। 

যা দিয়ে সে দেখে, আমি তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে আঘাত করে। আমি তার পা হয়ে যাই, যা দিয়ে সে হাঁটে। যদি সে আমার কাছে কোনো প্রার্থনা করে আমি তার প্রার্থনা কবুল করি। যদি সে আমার আশ্রয় প্রার্থনা করে, অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দিই। ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় কাজ কী?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘তুমি আল্লাহর জন্য বেশি বেশি সেজদা করবে (বেশি বেশি নফল নামাজ পড়বে)। 

কারণ তুমি যখনই আল্লাহর জন্য একটি সেজদা করো তখনই তার বিনিময়ে আল্লাহ তোমার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তোমার একটি পাপ মোচন করেন।আমরা অনেক সময় ফরজ বিধানগুলো যথাযথ আদায় করতে পারি না। কিছু না কিছু ঘাটতি থেকেই যায়। তাই নফল নামাজ পড়া উচিত। কারণ কিয়ামতের দিন আমলনামা হিসাবের সময় ফরজ ইবাদতের ঘাটতিগুলো নফল দিয়ে পূরণ করা হবে। 

এ মর্মে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার ফরজ নামাজের হিসাব নেবেন। যদি ফরজ নামাজে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকে তাহলে তিনি ফেরেশতাদের বলবেন, দেখো, আমার বান্দার কোনো নফল ইবাদত আছে কি না? নফল ইবাদত থাকলে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দেবেন, তোমরা ফরজের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো নফল দ্বারা পূর্ণ করে দাও। 

তারপর আল্লাহ তায়ালা পূর্ণ অবস্থায় বান্দার আমলকে গ্রহণ করবেন।তাছাড়া নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যুক্তির দাবিও বটে। কেননা আমরা দুনিয়াতে দেখি, যে কর্মচারী মালিকের দেওয়া দায়িত্ব পালন করার পর অতিরিক্ত কাজ করে মালিককে সহযোগিতা করে, সে মালিকের প্রিয় পাত্র হয়ে যায়।

তদ্রƒপ যে বান্দা মালিকের পক্ষ থেকে দেওয়া ফরজ বিধানগুলো আদায়ের পর মালিকের খুশির জন্য অতিরিক্ত আমলে ব্যস্ত থাকে সেও আল্লাহর প্রিয় বান্দা হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করে তাঁর ভালোবাসা ও নৈকট্য অর্জন করার তৌফিক দান করুন।

নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা আমাদের স্মরণ করেছেন। নফল ইবাদতের গুরুত্ব ফজিলত সম্পর্কে জানার জন্য। প্রথমে আমরা বলব আমাদের আল্লাহ এক তার কোন শরিক নেই। আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করব। আল্লাহ যা বলেছেন তা করব। আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন তা করব না। আপনারা অনেকেই জানেন না নফল ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে। 

আপনারা জানতে চেয়েছেন আমরা আপনাদের অবশ্যই তা জানাবো। আপনারা যদি জানতে চান নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত গুরুত্ব ফজিলত সম্পর্কে। তাহলে আপনারা সঠিক জায়গায় এসেছেন। আপনাদের আমরা নফল পরিবারদের গুরুত্ব ফজিলত সম্পর্কে সবটুকু ধারণা দিব। আপনারা আমাদের কনটেন্টটি শেষ পর্যন্ত করবেন এবং বুঝবেন। 

তাহলে আপনারা নফল ভারতের গুরুত্ব ও ফজিলত গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কে জানতে পারবেন। তো চলুন বন্ধুরা আমাদের কন্টেন্টের মাধ্যমে নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে জেনে আসি।নফল ইবাদত যতই ছোট হোক, তা যদি নিয়মিত করা হয় এবং অভ্যাসে পরিণত করা হয়, তখন তার সওয়াব, তার পুরষ্কারটা বড় হয়ে যায়। 

আল্লাহ তাআলা চাইলে নফল ইবাদতের উসিলায় বান্দার গোনাহগুলো মাফ করে দিতে পারেন। কেয়ামতের দিন অনেক ঈমানদার থাকবে, যারা দুনিয়াতে বেশি বেশি নফল ইবাদত করার কারনে পরকালে জান্নাত পাবেন। ইসলামে নফল ইবাদতের গুরুত্ব অপরিসীম।নফল অর্থ অতিরিক্ত। অর্থাৎ তা ফরজ এবং ওয়াজিবের অতিরিক্ত। 

একে ফরজ ও ওয়াজিবের পরিপূরক হিসেবেও গণ্য করা হয়। নফল ইবাদত বর্জন না করা উচিৎ। কেননা এটি আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের মাধ্যম। নফল ইবাদতের সওয়াব বেশি দরকার হবে কেয়ামতের দিন, হাশরের ময়দানে। যেদিন ফরজ ইবাদতের ক্রটির কারণে বান্দা আটকে যাবে, তখন তার নফল ইবাদতগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। 

দৈনিক অনেক নফল ইবাদত আছে, যা অতি সহজেই করা যায়। এর সওয়াবও বেশি। যেমন সাধ্যমতে নফল নামায পড়া, জিকির করা, তাসবীহ পড়া, দুরুদ শরীফ পড়া, কুরান তিলাওয়াত করা, কবর যেয়ারত করা, মাসনুন দুআগুলো প্রয়োজনের সময় পড়া, ভাল কাজের আগে বিসমিল্লাহ পড়া, দান সদকা করা, আল্লাহর সাহয্য চাওয়া, যে কোনো কাজে নিয়তকে পরিশুদ্ধ করা, 

সর্বদা অজু অবস্থায় থাকা, এমনকি একজন মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলাও নফল ইবাদতের সওয়াব। সুবহানাল্লাহনফল ইবাদত দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি বান্দার মুহব্বতের পরিমাপ করা হয়। ফরয এবং ওয়াজিবের দায়িত্বগুলো পালন করার পর, অতিরিক্ত নফল ইবাদতে লিপ্ত থাকা মূলত আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার প্রমান। বান্দার পক্ষে কখনো সম্ভব নয় যথাযথভাবে ফরজ ও ওয়াজিবগুলো পালন করা।

বরং ওগুলো পালন করতে গিয়ে ক্রুটি-বিচ্যুতি হওয়াই স্বাভাবিক। তার ঘাটতি পূরণে নফল ইবাদত বেশি প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আবু দাউদ শরীফে এসেছে, রাসূল (সা.) বলেন, কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব হবে। আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের বলবেন, তোমরা আমার বান্দার নামাযের দিকে তাকাও, যদি ফরজ নামাজে কোন ক্রটি-বিচ্যুতি থাকে, 

তাহলে আল্লাহ তাআলা বলবেন, দেখো, আমার বন্দার কোনো নফল ইবাদত আছে কিনা? নফল ইবাদত থাকলে আল্লাহ নির্দেশ দিবেন, তোমরা ফরজের দূর্বলতাগুলো নফল দ্বারা পূর্ণ করে দাও।আবু দাউদের অন্য বর্ণনায় এসেছে, নামাযের পর জাকাতের বিষয় ওঠানো হবে। 

এবং নফল দান-সদকা দ্বারা ফরজ জাকাতের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো পূরণ করা হবে। তাই ইবাদতের সুফল ভোগ করতে আমাদের কর্তব্য হলো, নফল ইবাদত বেশী বেশী করা। আপনারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন নফল ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে।

নফল নামাজ কখন পড়া যায় না

প্রিয় পড়ুয়া বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন নফল নামাজ কখন পড়া যায় না। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না নফল নামাজ কখন পড়া যায় না। বা কখন পড়া যায় তা সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই। আমাদের কনটেন্টটি শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনারা নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা জানতে পারবেন। 

এবং নফল নামাজ কখন পড়তে হয় তাও জানতে পারবেন। নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা জানার জন্য এসেছেন। আমরা আপনাদের নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা সম্পর্কে সবটুকু ধারণা দিব। আপনারা আমাদের কনটেন্টই শেষ পর্যন্ত পড়বেন এবং বুঝবেন। তাহলে আপনার নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা জানতে পারবেন। 

আমরা আপনাদের সবটুকু ধারণা দিব। তো চলুন বন্ধুরা নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা জেনে আসি।তিনটি সময় এমন আছে যখন নফল নামায পড়া মাকরূহ। তবে ঐ সময়ে কেউ উমরী কাযা পড়তে চাইলে পড়তে পারবে।ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর ফজরের সুন্নাত ছাড়া অন্য কোনো সুন্নাত বা নফল পড়া যায় না। 

এমনিভাবে ফজরের ফরয নামায পড়ার পর থেকে নিয়ে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত কোনো নফল নামায পড়া যায় না।ভোরে সূর্য্য যখন উঠতে শুরু করে তখন থেকে পোনের মিনিট. পর্যন্ত নফল নামায পড়া যায় না।আসরের নামায পড়ার পর থেকে সূর্য অস্থ যাওয়া পর্যন্ত কোনো নফল পড়া যায় না।

দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে চেয়েছেন দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে। আমরা আপনাদের দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে বলে দিব। আপনারা আমাদের কাছে জানতে এসেছেন। তাই আমরা অবশ্যই আপনাদের জানাবো এবং বুঝাবো।

আপনারা আল্লাহর কাছে চাওয়ার জন্য দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া ও আল্লাহর কাছে চাইতে পারেন। আল্লাহ অবশ্যই আপনাদের চাওয়ার মূল্য দিবে ন। আমরা আল্লাহর কাছে যা চাই তাই পাই। আল্লাহ আমাদের সবকিছুই দিয়ে থাকেন। আপনারা প্রথমে ওযু করে পবিত্র হয়ে ২ রাকাআত নফল নামাজের নিয়ত করতে হবে। 

এরপর 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত বেঁধে সানা পাঠ করতে হবে। এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করে যে কোনো একটি সূরা পাঠ করতে হবে। এরপর রুকু করতে হবে। রুকু থেকে আল্লাহু আকবর বলে সিজদাহ করতে হবে। সিজদাহ্ থেকে দাঁড়িয়ে ১ম রাকাআতের মতই ২য় রাকাআত আদায় করতে হবে। এরপর শেষ বৈঠকের মাধ্যমে নামাজ শেষ করতে হবে। 

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে। আমরা আপনাদের দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে জানিয়েছি এবং বলেছি। আপনারা নফল নামাজ যে সময়ে আল্লাহ নিকট আদেশ করা হয়েছে ওই সময়ই পড়বেন।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন উপরে যে নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে। নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে। নামাজ কখন পড়বেন কখন পড়বেন না তা জানিয়েছি। আপনার ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন নফল নামাজ সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য। যা আল্লাহ আদেশ কৃত। দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনারা জেনেছেন।

নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তা সম্পর্কে জেনেছেন। আরো নফল নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে উপরে আপনারা সঠিক নিয়ম ভাবে জেনেছেন। এবং পড়েছেন আপনারা সঠিক নিয়ম মত নামাজ কায়েম করবেন। তাহলে আল্লাহ খুশি হবেন। আল্লাহর কাছে যা চাইবো তাই পাবো। আল্লাহ এক তার কোন শরীক নেই। আল্লাহর কাছে আমরা যা চাই তাই পাই। 

কারণ আল্লাহ অনেক দয়ালু। তার কাছে কেউ চেয়ে ফিরে আসতে পারেনি। আল্লাহ তাকে অবশ্যই দিয়েছেন যা চেয়েছেন তাই দিয়েছেন। তাই আমরা আল্লাহর আদেশ নিষেধ অবশ্যই মেনে চলব। আপনারা নফল নামাজ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছেন। শেষ কথায় আমরা আর কিছু বলতে চাই না। কারণ আপনারা উপরে নফল নামাজের সঠিক নিয়ম ও গুরুত্ব সবকিছুই জেনেছেন। 

নফল নামাজের ফজিলত সম্পর্কে আপনারা অনেক কিছু জেনেছেন। নফল নামাজ কখন পড়বেন কিভাবে পড়বেন তা জেনেছেন। নফল নামাজ কখন পড়া যায় না তাও আপনাদের জানিয়েছি। আমরা আশা করি আপনারা উপরে পড়ে সবকিছু বুঝতে পেরেছেন। আপনাদের সুস্থতা কামনা করি। আপনারা নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ থাকবেন। 

আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করি। আর অবশ্যই আপনারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন। আপনাদের উপরে নফল নামাজ সম্পর্কে বলেছি তা মেনে চলবেন। আমার আর কিছু বলার নেই। আপনারা সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন। আল্লাহ হাফেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url