থাইরয়েড রোগীর ১০টি খাবার তালিকা
প্রিয় ,বন্ধুগণ আজ আপনার কাছে একটি বেশি উপস্থিত করা হবে,থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা - থাইরয়েড কমানোর উপায়। আমাদের দেশে অসংখ্য মানুষজন রয়েছেন তারা এ রোগে দিন দিন আক্রান্ত হচ্ছেন এবং অনেকে আছেন যারা আক্রান্ত হয়ে এ রোগের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। তাদেরকে আজকে এ পোস্টে বিভিন্ন তথ্য জানানো হবে পোস্টে।
প্রিয় বন্ধুগণ, থাইরয়েড রোগে যেসব রোগে আক্রান্ত রয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই এসব রোগী খাবার তালিকা সম্পর্কে জানতে চান। এছাড়াও কি কি কাজ করলে বা কি কি খাবার খেলে থাইরয়েড রোগ কমে যাবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে এই পোস্টে। আজ আমরা সেগুলো দেখে আসি নিচের অংশে।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো ও সুস্থ আছেন। আপনারা অনেকেই থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে জাতে চা,প্রশ্ন করে থাকেন।আজকে আর্টকেলটি আপনাদের জন্য। থাইরয়েড এক ধরনের রোগ।থাইরয়েড রোগ একটি ছোট, প্রজাপতির আকারের হয়ে থাকে। যা গ্রন্থি বা গলার মাঝখানে।
আরো পড়ুন
অর্থাৎ ভয়েস বক্সের নিচে এবং শ্বাসনালীর চারপাশে আবৃত থাকে। থাইরয়েড এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। থাইরয়েড গ্রন্থি হরমোন তৈরির মাধ্যমে দেহের প্রায় সকল বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে থাকে। মৌল বিপাকীয় হার হৃদস্পন্দনের হার ,শরীরের ওজন কোলেস্টেরল-এর মাত্রা ,পেশীর বল ,শারীরিক তাপমাত্রা এবং অন্যান্য কারনে থাইরয়েড প্রভাবিত হয়ে থাকে।
গ্রন্থিতে খুব বেশি থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন হলে শারীরিক বিপাকীয় প্রক্রিয়া প্রভাবিত হয়ে থাকে।এমন অবস্থায় শরীর খুব দ্রুত শক্তি ব্যবহার করে।তাই একে হাইপারথাইরয়েডিজম বলা হয়।খুব দ্রুত শক্তি ব্যবহার করার ফলে হাইপারথাইরয়ে-ডিজমে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়ে থাকে । এছাড়াও অনেক সময় হৃৎস্পন্দনের হার বেড়ে যাওয়া, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং নার্ভাস হয়ে পরা ইত্যাদি।
উপসর্গ দেখা যায়।এই রোগ হলো একটি চিকিৎসা অবস্থার জন্য একটি সাধারণ শব্দ যা থাইরয়েড গ্রন্থিকে সঠিক পরিমাণে হরমোন তৈরি করা থেকে বিরত করে রাখে। আপনার শরীরের থাইরয়েড সাধারণত হরমোন তৈরি করে যা আপনার শরীরকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা থাইরয়েড সম্পর্কে জানলেন।
আমরা থাইরয়েড সম্পর্কে আরো বিভিন্ন দিক যেমন থাইরয়েড রোগীর খাবার,থাইরয়েড কামানোর উপায়, শুকনো থাইরয়েড সম্পর্কে ধারনা, থাইরয়েড হলে কি খাবার খাওয়া যায় ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করবো।আপনারা নিচের পাঠগুলো মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা ইতিমধ্যে আমরা জেনেছি থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে। আপনারা তার থেকে ধারনা পেয়েছেন।আমরা এখন আলোচনা করবো থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা সম্পর্কে। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। থাইরয়েড রোগ আমাদের হরমোনে বিপাকপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা, হৃৎস্পন্দন, পৌষ্টিক নালির অভ্যন্তরীণ পরিবহন।
আরো পড়ুন
প্রজনন স্বাস্থ্য, মস্তিষ্কের গঠন, কোষের গঠন ও ক্ষয়পূরণে এই হরমোনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা করেছে । এ কারণে আমরা হাইপোথাইরয়ে,ডিজমে আক্রান্ত হলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়।এর চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি এ রোগের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোনের গুরুত্বপূর্ণ তিন পুষ্টি উপাদান।
হলো আয়োডিন, সেলেনিয়াম ও জিংক, যা,হরমোন নিঃসরণ ও কার্যকারিতা করে।আমাদের শরীরে হরমোন তৈরির মূল কাঁচামাল হলো আয়োডিন। এজন্য পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে আয়োডিনের ঘাটতি রয়েছে, সেসব অঞ্চলের মানুষ হাইপোথাইরয়েডিজমের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। আমাদের শরীরের আয়োডিনের ঘাটতি পূরণে প্রয়োজন আয়োডিনসমৃদ্ধ খাদ্য।
যেমন-সামুদ্রিক মাছ, গুল্ম, দুধ ও ডিম আয়োডিনের মূল উৎস ইত্যাদি খাবার খেতে হবে।তবে অতিরিক্ত আয়োডিন থাইরয়েডের ক্ষতি ডেকে আনে। আবার কিছু ওষুধে অত্যাধিক আয়োডিন থাকে, যেমন কাশির সিরাপ। থাইরয়েড রোগের কিছু খাদ্য রয়েছে যা হারমোনের কাজ করে থাকে। গয়ট্রোজেন বলা হয়ে থাকে।
এ থাইরয়েড গুলোর উপাদান হলো ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, সয়াজাতীয় খাদ্য, মিষ্টি আলু, কাসাভা, স্ট্রবেরি, পিচ ফল, নাশপাতি, চিনাবাদামে। রান্না করলে গয়ট্রোজেন নষ্ট হয়।তাইতখন এগুলো খেলে সমস্যা হয় না। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন থাইরয়েড রোগীর খাবার তালিকা সম্পর্কে। আশা করি আপনারা সঠিক তথ্য জানতে পেরেছেন।
কারো থাইরয়েড থাকলে উপরিউক্ত খাবার খেতে পারেন। এতে কোনো সমস্যা দেখা দিবে না।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।আমাদের পরবর্তী পাঠের আলোচনাটি পড়ুন।
থাইরয়েড কমানোর উপায়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে থাইরয়েড সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।এবং থাইরয়েড রোগ হলে কি খাবার খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে ও আলোচনা করেছি।আশা করি আপনারা অনেক অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমরা এখন আলোচনা করবো থাইরয়েড কমানোর উপায় সম্পর্কে।আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে থাইরয়েডের সমস্যা।
দূর না করলেও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে থাকে।বিভিন্ন উপাদান যেমন-আইয়োডিন, সেলেনিয়াম ও জিংক এমন কিছু থাইরয়েডের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে।থাইরয়েড রোগ হলে কিছু নির্দিষ্ট খাবার এবং সম্পূরক নিয়নন্ত্রিত মাত্রায় খাওয়া উপকারী। এগুলো দেহের থাইরয়েড প্রতিস্থাপন থেরাপি কতটা ভালো মতো শোষণ করে তার ওপরে প্রভাব রাখে।
সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হল- টুনা, মুরগি, ওটমিল, বাদামি চাল, ডিম ইত্যাদি থাইরয়েড কমাতে সাহায্য করে থাকে। এগুলোতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ এবং থাইরয়েড হরমোনের সংশ্লেষণে ভূমিকা রাখে।এবং এটা প্রাকৃতিকভাবেই থাইরয়েড কোষে পাওয়া যায়।যারা অতিরিক্ত চিনির ব্যবহার করেন,তারা থাইরয়েড সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারেন।
এবং সেজন্য থাইরয়েড সমস্যা থেকে ভুগতে পারেন, এমন সমস্ত প্রক্রিয়াকৃত চিনি এড়ায়ে চলুন। যদি সম্ভব হয় তবে প্রাকৃতিক শর্করা সমৃদ্ধ খাবারগুলোও এড়িয়ে চলবেন। আপনারা যদি কোন নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চান তবে আপনি আয়ুর্বেদের সাথে পরামর্শ করতে পারেন।আপনাদের শরীরে ভিটামিন ডি কম থাকলে, থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই আপনারা সমস্যার সমাধান করতে প্রতিদিন সূর্যালোকে দাঁড়ান।ঘুম থেকে সকাল সকাল ওঠে রোদে দাঁড়িয়ে ব্যায়াম করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীরে ক্যালসিয়াম সৃষ্টি করে । প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন থাইরয়েড কমানোর উপায় সম্পর্কে। আশা করি আপনাদের এটি ভালো লাগবে।এবং যাদের থাইরয়েড আছে তারা এসব দিক সম্পর্কে ধারনা নিয়ে।
নিয়ম করে চলতে পারেন। এতে থাইরয়েড কমে যাবে।আশা করি আমার আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।
শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের উপরিউক্ত আলোচনা মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন।এবং ধারনা নিতে পেরেছেন।পূর্বে আমরা থাইরয়েড কমানোর উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি।এখন আলোচনা করবো,শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায় সম্পর্কে।দয়া করে আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। থাইরয়েড রোগ হলে শরীরের বেশিরভাগ বিপাকীয় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
আরো পড়ুন
শুধুমাত্র এই একটিই নয়, আরও নানা ধরনের কাজ আছে এই গ্রন্থির। থাইরয়েডের সমস্যা হলে শরীরে নানা প্রভাব পড়ে থাকে।এই রোগে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা বেশি ভোগেন এই সমস্যায়। তবে কিছু ঘরোয়া উপায়ে শুকনো থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।যেমন-(১)অ্যাপেল সিডার ভিনেগার(২)নারকেল তেল(৩)ভিটামিন বি(৪)ভিটামিন ডি(৫)আদা ইত্যাদি।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগবর থাইরয়েডের উৎপাদনে সাহায্য করে। আমাদের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বার করে দেয় এবং পুষ্টিতে সাহায্য করে থাকে। এটি মধু এবং জল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।নারকেল তেলে রয়েছে বিভিন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা থাইরয়েড গ্রন্থিকে কাজ করতে সাহায্য করে থাকে। নারকেল তেলে নিয়মিত রান্না করলে ওজন কমতে পারে।
নারকেল তেল খেলে মেটাবলিজম বাড়ে এবং শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে।ভিটামিন বি থাইরয়েড নানা সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে থাকে । ভিটামিন বি ১২ হাইপোথাইরয়েডিজমের মানুষকে সাহায্য করে।ডিম, মাংস, মাছ, শিম, দুধ এবং আখরোট-সহ ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার খান প্রতিদিন।ভিটামিন ডি এর অভাবে থাইরয়েডের সমস্যা হতে পারে।
সূর্যের সংস্পর্শে আসলেই শরীরে এই ভিটামিন তৈরি হয়। আপনারা প্রতিদিন ১৫ মিনিট রোদে থাকার চেষ্টা করবেন। রোদের ভিটামিন রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা দেয়।এবং শুকনো থাইরয়েড কমাতে সাহায্য করে থাকে। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা শুকনো থাইরয়েড কমানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
যাদের শুকনো থাইরয়েড আছে তারা এই নিয়ম অনুযায়ী চলুন এতে আপনার শুকনো থাইরয়েড কমাতে সহায়তা করে থাকে। আমাদের পরবর্তী পাঠের আলোচনা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।
থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন,থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত? আপনারা অনেকেই এই বিষয়ে জানেন না তারা আমাদের এই আর্টিকেল মাধ্যমে জেনে নিন চলুন শুরু করা যাক। থাইরয়েড কমাতে আপনারা যেসব ফল খাবেন- আপেল,বেরি,কমলা, আনারস,অ্যাভোকাডো,ইত্যাদি ফল।
আপেলে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং বহু পুষ্টিকর উপাদান। আপেল আপনার থাইরয়েড গ্রন্থিকে মুক্ত র্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে। আপেল আপনার কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকার।আপেল আমাদের শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে।
যা থাইরয়েড গ্রন্থিকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।কমলাতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কমলা ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে আপনার কোষগুলোকে রক্ষা করে। ফ্রি র্যাডিকেল থাইরয়েড গ্রন্থিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।বেরি ফল আপনাদের থাইরয়েড রোগ প্রতিরোধ করতে এবং তাদের নির্বিঘ্নে কাজ করতে সহায়তা করে।
বেরিতে রয়েছে ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থও। যা আমাদের ফ্রি র্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। আপনারা কেউ যদি ডায়াবেটিস এবং স্থুলতায় ভোগেন তবে বেরি জাতীয় ফল খান।আনারসে থাকে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানই আমাদের শরীরকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। ফলে ভিটামিন বি রয়েছে যা ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত ক্লান্তি কিন্তু থাইরয়েডের অন্যতম লক্ষণ। ক্যানসার, টিউমার এবং কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা ব্যক্তিদের জন্যও আনারস উপকারী।উপকারী আরেকটি ফল হলো অ্যাভোকাডো। স্বাস্থ্য উপকারিতা দিয়ে পরিপূর্ণ এবং থাইরয়েড স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে রয়েছে ভিটামিন কে, ফোলেট, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি৬।
এবং ভিটামিন ই এর মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন থাইরয়েড হলে কি কি ফল খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে। আশা করি আপনাদের আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে।আরো বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে আমাদের পরবর্তী পাঠে আলোচনাগুলো পড়ুন।
থাইরয়েড হলে কি কি খাওয়া উচিত নয়
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা আমাদের উপরিউক্ত আলোচনা মনোযোগ দিয়ে পরেছেন। আপনারা অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন থাইরয়েড হলে কি কি খাওয়া উচিত নয়? সে সম্পর্কে আজকে আলোচনা করবো।আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।থাইরয়েডের সমস্যা হলে ব্রোকোলি, বাঁধাকপি ও ফুলকপি খাওয়া যাবে না।
আরো পড়ুন
আপনারা অনেকেই ওজন ঝরাতে ফুলকপি বা কেল পাতার মতো শাক-সবজি রাখেন ডায়েটে। তবে থাইরয়েড থাকলে এগুলো খাবার খাবেন না।থাইরয়েড থাকলে কফি খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলুন। অত্যাধিক ক্যাফেইনে থাইরয়েডের সমস্যা বাড়তে পারে। আপনাদের একদম ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একবার খাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ভালো।
মিষ্টিজাতীয় যে কোনো খাবার ডায়েট থেকে বাদ দিবেন। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।বেশিরভাগ প্যাকটজাত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। এসব খাবারে লবণ, চিনির ও তেলের পরিমাণ বেশি থাকে। যা ওজন দ্রুত বাড়াতে পারে। তাই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন। আবার প্রসেস করার খাবারও খাবেন না।
দুগ্ধজাত খাবার শরীরে হরমোনের তারতম্য আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই দুধ, মাখন, চিজের মতো খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভালো।তবে টকদই হজমের জন্য অনেক উপকারি। তবুও টকদই খাওয়া যাবে কি না, তা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নিবেন।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে থাইরয়েড হলে কি কি খাওয়া উচিত নয় সে সম্পর্কে জেনেছেন।
যাদের থাইরয়েড আছে তারা এইসব খাবার থেকে দূরে থাকবেন। আমাদের আলোচনাটি কেমন লেগেছে তা জানাবেন।
শুকনো থাইরয়েড এর লক্ষণ ভূমিকা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে থাইরয়েড সম্পর্কে বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।আশা করি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন।এখন আলোচনা করবো শুকনো থাইরয়েড এর লক্ষণ ভূমিকা সম্পর্কে। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। ঘুমের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।আপনি সবসময় ভালো নিদ্রাকারী ছিলেন।
কিন্তু হঠাৎ করে অনিদ্রা সমস্যা শুরু হয়েছে- এটি শুকনো থাইরয়েড সমস্যার সংকেত হতে পারে। অত্যধিক পরিমাণে নিঃসরণ করে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম বা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে থাকে এবং ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা রোগের দিকে ধাবিত করে।আবার সারারাত ঘুমানোর পর আপনি যদি ক্লান্তি অনুভব করেন।
অথবা আপনার যদি স্বাভাবিক ঘুমের তুলনায় অধিক ঘুমের প্রয়োজন পড়ে, তাহলে আপনার সম্ভবত আন্ডারঅ্যাকটিভ থাইরয়েড আছে।হঠাৎ উদ্বেগ আপনি কখনো উদ্বেগের সঙ্গে যুদ্ধ করেননি, কিন্তু হঠাৎ করে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ বা অস্থিরতা অনুভব করা শুরু করেন- তাহলে আপনার থাইরয়েড হাইপারঅ্যাকটিভ হতে পারে।
বাওয়েল অভ্যাস পরিবর্তন বারবার কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে আন্ডারঅ্যাকটিভ থাইরয়েডের উপসর্গ। ডা. আশিতা গুপ্ত বলেন, ‘থাইরয়েড হরমোন আপনার ডাইজেস্টিভ ট্র্যাককে চালু রাখতে ভূমিকা পালন করে। আপনার খুব সামান্য থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন হলে আপনার মল বাধাপ্রাপ্ত হবে।
অপ্রত্যাশিত সময়ে ঘামানো হাইপার,অ্যাকটিভ থাইরয়েডের একটি কমন উপসর্গ হচ্ছে, পরিশ্রম না করেও অত্যধিক ঘামানো ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আমাদের সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। এবং এই থাইরয়েড সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। থাইরয়েড রোগ একটি ছোট, প্রজাপতির আকারের হয়ে থাকে। যা গ্রন্থি বা গলার মাঝখানে অর্থাৎ ভয়েস বক্সের নিচে এবং শ্বাসনালীর চারপাশে আবৃত থাকে।এই রোগ প্রতিরোধে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সমাধান করা যায়।
আরো পড়ুন
এতে না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আপনারা ছোট বড় কোনো রোগ নিয়ে বসে না থেকে রোগ নিরাময় করবেন।এবং এই রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের ফল মূল খাবেন।আপেল,বেরি,কমলা, আনারস,অ্যাভোকাডো,ইত্যাদি ফল।এগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং বহু পুষ্টিকর উপাদান।যা থাইরয়েড রোগ কমাতে সাহায্য করে।
আবার থাইরয়েডের সমস্যা হলে ব্রোকোলি,ফুলকপি বা কেল পাতার মতো শাক-সবজি বাঁধাকপি ও ফুলকপি খাওয়া যাবে না।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই আমাদের আলোচনাটি মনোযোগ দিয়ে পরবেন। এবং অনেক ধারনা নিতে পারবেন।
যাদের এই রোগ হয় তাদের সমস্যা সমাধানের উপায় সম্পর্কে জানাতে পারবেন।আশা করি আপনাদের আর্টিকেলটি ভালো লাগবে।আমাদের পরবর্তী কন্টেন্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url