লাউ এর অপকারিতা - লাউ এর পুষ্টি উপাদান

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কি লাউ এর অপকারিতা সম্পর্কে জানেন। আপনারা যদি লাউ এর পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই এই পোস্টটি আপনার জন্য চলুন বন্ধুরা আমরা এই পোস্টটি পুরোপুরি করে জেনে নেই লাউ সম্পর্কে।
লাউ এর অপকারিতা
প্রিয় বন্ধুরা আপনারা যারা লাউ এর উপকারিতা সম্পর্কে বা অপকারিতা সম্পর্কে জানেন না এই পোস্ট তাদের জন্য আপনারা অবশ্যই এই পোস্ট সহকারে পড়বেন এবং লাউ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ভালোভাবে জেনে নেবেন। তবে অবশ্যই আপনাকে এই পোস্ট পুরোপুরি পরতে হবে।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো ও সুস্থ আছেন। আমাদের আজকের আর্টিকেলটি হলো লাউ সম্পর্কে। লাউ পুষ্টিগুনে ভরপুর। লাউয়ের বিভিন্ন দিক যেমন লাউয়ের উপকারিতা,অপকারিতা, লাউয়ের পুষ্টিগুন উপাদান,লাউ এর রসের উপকারিতা,লাউ এর বিচির উপকারিতা,লাউ এ কি এলার্জি আছে ইত্যাদি ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করবো। 
আরো পড়ুন 
আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। লাউকে কদু ও বলা হয়।শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি সবজি লাউ। এক প্রকার লতানো উদ্ভিদ লাউ।লাউ এর ফলের জন্যে চাষ করা হয়, যা কিনা কাঁচা অবস্থায় সবজি হিসেবে খাওয়া হয়।এটি পরিপক্ব অবস্থায় শুকিয়ে এটি বোতল, পাত্র বা নল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লাউ এর ইংরেজি নাম Bottle gourd। 

কচি লাউয়ের রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা রঙের শাঁস থাকে।লাউয়ে প্রচুর জল থাকে, যা দেহের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া জনিত জলশূন্যতা দূর করে।লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।প্রস্রাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয়। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।

এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শীতকালীন সময়ে বাজারে প্রচুর পরিমাণে লাউ পাওয়া যায়। তবে লাউ শীতের সবজি হলেও এখন সারা বছরই ফলে। এই সবজি পুষ্টিগুণে ভরপুর।লাউয়ের ৯৬ শতাংশই পানি থাকে।ফলে নিয়মিত লাউ খেলে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে।

লাউ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে থাকে। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা লাউয়ের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। লাউ চিনি না এমন কেউ নেই।আমরা সকলেই লাউ খেতে বেশ পছন্দ করে থাকি।আমরা লাউ সম্পর্কে আরো জানাবো,আপনারা পরবর্তী পাঠের আলোচনা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।

লাউ এর অপকারিতা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা লাউ আমরা সকলেই খেয়ে থাকি। লাউ আমাদের দৈনন্দিন খাবারে থাকে।আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। তবে লাউ এ অপকারিতা ও রয়েছে। আপনারা অনেকেই তা জানেন না।আমরা এখন আলোচনা করবো লাউ এর অপকারিতা সম্পর্কে।শরীর সুস্থ রাখতে যেমন লাউ খাওয়া প্রয়োজন, তেমনি লাউ খেলে রয়েছে কিছু ক্ষতিকর দিক ও। 

আসুন যারা জানেন না তারা এ পাঠের মাধ্যমে জেনে নিন।লাউ এর কারনে অনেক ক্ষেত্রে অ্যালার্জির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লাউ খাবেন।লাউয়ের রস তেতো হওয়ার কারণে শরীরে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে যেমন-ডায়রিয়া ও বমি বমি ভাব হতে পারে।তাই যখন খাবেন তখন সামান্য মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

লাউয়ে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে।এটি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। তবে অতিরিক্ত লাউ খাওয়া উচিত নয়। যাদের এলার্জি আছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে লাউ খাবেন।তবে বলা যায় যে, লাউয়ের ক্ষতিকর দিকের চেয়ে উপকারিতা বেশি।লাউ খেলে আমাদের শরীর ঠান্ডা থাকে।ডায়বেটিস রোগিদের জন্য বেশি না খাওয়ায় ভালো।তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে লাউ খাবেন। 

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন লাউ এর অপকারিতা সম্পর্কে। আশা করি আপনারা লাউ এর অপকারিতা সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।অপকারি দিক গুলো এড়িয়ে চলবেন। এবং নিয়ম করে লাউ খাবেন।আশা করি আমার আলোচনাটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের পরবর্তী পাঠে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন।

লাউ এর পুষ্টি উপাদান

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে লাউয়ের কিছু দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছি।ওজন কমাতে খাবারের তালিকায় প্রথমেই লাউ রাখুন। কম ক্যালোরি সম্পন্ন এই খাবারটিতে ৯৬ শতাংশ পানি রয়েছে। এছাড়া লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার এবং খুব কম ক্যালোরি থাকে; যা ওজন কমাতে অত্যন্ত উপকারী । খাবারে স্বাদ নিয়ে আসার পাশাপাশি শরীরে কম ক্যালোরি যুক্ত করে.
আরো পড়ুন 
লাউ খেলে এই লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে।এই দ্রবণীয় ফাইবার সহজে লাউ খাবার হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সব সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে থাকে । এছাড়াও নিয়মিত লাউ খেলে অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে। আবার অনেকের অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

লাউ এর মূল উপাদান পানি,লাউয়ে প্রচুর পরিমাণ পানি আছে। এজন্য লাউ খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে। মানুষ প্রতিদিন সূর্যের আলোতে বিভিন্ন কাজ এবং দীর্ঘ সময় রোদে থাকার পর লাউ তরকারি খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে। শরীরের ভেতরের অস্বস্তি কমে যায় । গরমের কারণে শরীর থেকে যে পানি বের হয়ে যায়- তার অনেকটাই পূরণ করতে সাহায্য করে লাউ খেলে। 

এতে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে যায়। লাউয়ে বিভিন্ন উপাদান প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন রয়েছে। তাই এই সবজি খেলে ভেতর থেকে ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে ।লাউ ত্বকের তৈলাক্ততা সমস্যা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লাউ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট পরিষ্কার করে বলে মুখে ব্রনের প্রবণতাও কমে যায়।

লাউ পানি শূন্যতা দূর করে জ্বর, ডায়রিয়া ও অন্যান্য বড় ধরনের অসুখে শরীরে পানির অভাব দেখা দেয়। প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয় বলে পানি শূন্যতা দেখা দেয়। এর ফলে কিডনিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।আপনাদের শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দিলেই প্রচুর পরিমাণে লাউয়ের তরকারি খাওয়া উচিত। এতে শরীরের পানি শূন্যতা দূর হয় এবং শরীর সতেজ থাকতে সাহায্য করে। 

 যাদের প্রসাবে জ্বালা-পোড়ার সমস্যা আছে কিংবা প্রসাব হলদে হয়- তাদের নিয়মিত লাউ খাওয়া উচিত। নিয়মিত লাউ খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন লাউ এর পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে। আশা করি আমাদের আলোচনা আপনাদের ভালো লাগবে।লাউ সম্পর্কে আরো জানতে পরবর্তী পাঠের আলোচনা পড়ুন।

লাউ এর রসের উপকারিতা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরক ইতিমধ্যে লাউয়ের অপকারিতা ও পুষ্টিগুন সম্পর্কে জেনেছি।এখন আলোচনা করবো লাউয়ের রসের উপকারিতা সম্পর্কে। আপনারা লাউয়ের রসের উপকারিতা অনেকের জানা নেই।তারা এ পাঠের আলোচনার মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন।লাউএ বিদ্যমান রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক। লাউ ত্বকের তরণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে.

এবং এটি ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। আপনার ত্বকে যদি বলিরেখার সমস্যা থাকে অথবা বলিরেখা তাতে আপনার ত্বকে দেখতে না চান তাহলে নিয়মিত লাউ রস খেতে পারেন।।লাউয়ের রস ত্বক টান টান নরম রাখে।প্রায় সবারই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের টান টান ভাব নষ্ট হয়। অনেকের অল্প বয়সে ত্বকের ‘ইলাস্টিসিটি’ নষ্ট হলে মুখে বয়সের ছাপ তারাতারি পড়ে। 

এই ধরনের সমস্যা দূর করে লাউয়ের রস খেলে।লাউয়ের রসে রয়েছে ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও নানা রকম খনিজ। এসব লাউয়ের উপাদান পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে সেই সাথে রক্ত পরিস্রুত করতেও সাহায্য করে লাউয়ের রস।আমাদের শারীরবৃত্তীয় সমস্ত কাজ সঠিক হলে, শরীর ভেতর থেকে ভালো থাকলে ত্বকের স্বাভাবিক জেল্লাও ফিরে আসে।

রক্ত পরিষ্কার থাকলে মুলাউ রস মুখের ফুসকুড়ি এবং ব্রণের সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে থাকে। ছাড়াও আমাদের ত্বকের সেবায় যে গ্রন্থি থাকে তাকে সব সময় কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণের জন্য সাহায্য করে থাকে। তালাক তো ত্বকের জন্য এই উপাদান ভীষণ উপকারী। আরো অনেক ধরনের উপকার ও পুষ্টিগুণ রয়েছে। গর্ভস্থ শিশু, সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ অন্যান্য রোগ-প্রতিরোধে কার্যকরী।

ভূমিকা রাখে লাউয়ের রস খেলে।লাউয়ের রসে প্রচুর আয়রন রয়েছে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে থাকে লাউয়ের রস খেলে। বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করে লাউয়ের রস খেলে।আমাদের শরীরের ছোট ছোট রোগ নিরাময় করে লাউয়ের রস। 

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা ইতিমধ্যে লাউ এর রসের উপকারিতা সম্পর্কে জানলেন। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।আপনাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের ছোট রোগ বাসা বাধলে আপনারা লাউয়ের রস খাবেন।এতে রোগ প্রতিরোধ করবে।শরীর সুস্থ থাকবে। আশা করি আমাদের আলোচনা আপনাদের উপকারে আসবে। লাউ সম্পর্কে আরো জানতে পরবর্তী পাঠের আলোচনা পড়ুন।

লাউ এর বিচির উপকারিতা

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা লাউ যেমন আমাদের শরীরের জন্য উপকারী, তেমনি লাউয়ের রস, লাউয়ের পাতা ও লাউয়ের বিচির ও উপকারীতা রয়েছে। আমরা এখন আলোচনা করবো লাউ এর বিচির উপকারিতা সম্পর্কে। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। লাউয়ে থাকা পটাশিয়াম ও ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। লাউয়ের বিচি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
আরো পড়ুন 
ভিটামিন, মিনারেল ও উচ্চমাত্রার পানি পাওয়া যায় লাউ বিচি থেকে। উপাদানটি মূল্য তথ্য ও চুল সুস্থ রাখার জন্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এই উপাদানের রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। এবং এই উপাদান গুলো শরীরের ঘাম জনিত লবণের যেসব ঘাটতি রয়েছে সেসব দূর করে থাকে ।। পাশাপাশি দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।

সাধারনত লাউয়ের বিচি বের করে সংরক্ষণ করে রোদে শুকিয়ে ভেজে খাওয়া যায়। এটি দীর্ঘদিন দরে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। লাউয়ের বিচি দিয়ে অনেকে বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকেন।রান্নার মধ্যে বিচি দিলে খাবারের পুষ্টি গুন বাড়ে।লাউয়ের বিচি দিয়ে বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু বড়া ও বানানো যায়। অনেকেই বড়া বানিয়ে খান।লাউকে অনেকে দুধের সাথে তুলনা করেন। 

অর্থাৎ দুধের মধ্যে যেসব উপাদান রয়েছে, লাউয়ের মধ্যে তার সবই আছে। লাউ এখন শীতের সবজি নয়, সারা বছরই পাওয়া যায়। লাউয়ের খোসা, বিচি, শাক, ডগা সবই খাদ্য এবং উপকারী। লাউ লম্বা ও গোল দুই প্রকারই হয়। ভারত ও বাংলাদেশের সর্বত্র লাউয়ের চাষ হয়। প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন লাউ এর বিচির উপকারিতা সম্পর্কে। 

আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং অজানা তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। লাউ সম্পর্কে আরো জানতে পরবর্তী পাঠে আলোচনা পড়ুন।

লাউ এ কি এলার্জি আছে

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা ইতিমধ্যে আমরা লাউয়ের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করেছি।আশা করি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন এবং মনোযোগ দিয়ে পরছেন। আপনারা অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন লাউ এ কি এলার্জি আছে? অনেকে এ সম্পর্কে জানেন না তারা আমাদের পাঠের মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন। আপনারা মনোযোগ দিয়ে পরবেন। 

চলুন বন্ধুরা শুরু করা যাক। বন্ধুরা আপনাদের অ্যালার্জি খুবই কমন একটি সমস্যা। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই অ্যালার্জিতে আক্রান্ত রোগীর দেখা যায়। বিভিন্ন খাবারে এলার্জি থাকে যেমন,কারো দুধে এলার্জি, কারো বেগুনে,বিশেষ কোন সবজি কিংবা ফলে, আবারও কারো ধুলোবালিতে ও থাকে।বিভিন্ন সব্জির মধ্যে টোম্যাটো, বেগুন, ফলের মধ্যে আনারস, কলা থেকে যেমন অ্যালার্জি থাকে। 

তেমনই মাশরুম বা হাঁসের ডিম খেলেও অনেকের অ্যালার্জি দেখা দেয়।যে সকল খাবারে এলার্জি হতে পারে শুরু দিকেই সে সকল খাবারের এক্সপোজার প্রতিরক্ষামূলক হয়। ব্যবস্থাপনা করা হয় যে সকল খাবারে এলার্জি আছে সেগুলো খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।লাউয়ে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে।যা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। তাই বলা যায় যে লাউ খেলে এলার্জি হয়না।

তবে যাদের আগে থেকে এলার্জি সমস্যা আছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লাউ খাবেন। এতে কোনো ক্ষতি হবেনা।তবে লাউয়ের কোনো এলার্জি নেই।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা জানলেন লাউ এ কি এলার্জি আছে সে সম্পর্কে। আশা করি আপনারা সঠিক তথ্য জানতে পেরেছেন।

আমরা লাউ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় উপরিউক্ত আলোচনা করেছি আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।এবং জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন।আরো জানতে নিম্নে আলোচনা পড়ুন।

শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আমরা এর মধ্যে লাশ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি এবং আলোচনা করেছে। এবং আমরা এটা সবাই জানে লাউ সাধারণত মাটিতে জন্মে থাকে। এই উপাদানটি বিশেষ করে দোআশএবং এঁটেল দোআশ মাটিতে বেশি ভালো হয়ে থাকে।। লাউ সাধারণত দিবস নিরপেক্ষ লতানো উদ্ভিদ বলা হয় , ফলে বছরের অধিকাংশ সময় চারা লাগিয়ে ফসল উৎপাদন করা যায়।
আরো পড়ুন 
বাংলাদেশের অন্যতম সুস্বাদু সবজি হলো লাউ। এতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-সি অধিক পরিমাণে থাকে।লাউয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে, যা হার্টের জন্য উপকারী।জন্ডিস ও কিডনির সমস্যা সমাধানে লাউ খাবেন। লাউয়ে খুব কম পরিমাণে ক্যালরি ও প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে। এটি ওজন কমাতেও বেশ উপকারী।

অনেক রোগি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী সবজি লাউ। লাউ রয়েছে দ্রবণীয়, অদ্রবণীয় ফাইবার ও পানি। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে। এই উপাদানটি কোষ্ঠকাঠিন্য পেট ভাপা এবং এসিডের মত সমস্যার সমাধান করে থাকে। লাউপাতা তরকারি খুব উপকারী এতে মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখে এবং রাতে ঘুমের সমস্যা এবং দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

ইউরিন ইনফেকশনে খুব উপকারী লাউ।সবখানে লাউ পাওয়া যায়।লাউয়ে প্রাকৃতিক প্রোটিন, ভিটামিন সি, আয়রন ফাইবারসহ অনেক উপাদান রয়েছে। তাই ত্বককে সুস্থ ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে লাউ। ত্বকের তৈলাক্তের সমস্যা কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লাউ মুখে ব্রণের প্রবণতা কমায়। জ্বর, ডায়রিয়া ও অন্যান্য বড় ধরনের অসুখে শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে।

প্রচুর পরিমাণে লাউয়ের তরকারি খেতে পারেন। এতে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হবে।প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আপনারা লাউ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানলেন।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।আমাদের আরো বিভিন্ন কন্টেন্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন। সকলে সুস্থ ও ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url