দেশি মুরগির খাবার তালিকা - দেশি মুরগির খাবার খরচ
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুগণ আজ আপনাদের কে জানাবে, দেশি মুরগির খাবার তালিকা সম্পর্কে। অনেক খামারি ভাইয়েরা রয়েছেন যারা দেশি মুরগি লালন পালন করে থাকেন এবং ক্রয় বিক্রয় করে তাদের জীবন যাপন করে থাকেন কিন্তু অনেকেই এদের মধ্যে রয়েছে যারা দেশি মুরগির খাবার খরচ এবং কখন কি খাবার দিতে হবে এসব বিষয় জানেন না তারা এই পোস্টের মাধ্যমে জেনে নিন।
তো বন্ধুরা, আর চিন্তিত নয় আজকে আপনাদেরকে এই পোস্টের মাধ্যমে দেশে মুরগির খাবার ছাড়াও দেশি মুরগি পালন করতে ঠিক কত টাকা খরচ হয়ে থাকে এবং দেশি মুরগি পালনের জন্য কোন প্রশিক্ষণ দরকার হয়ে থাকে কিনা এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই পোস্টে তো বন্ধুরা, চলুন সেগুলো জেনে আসি।
ভূমিকা
মুরগি যা গৃহপালিত প্রাণী বা পাখিদের মধ্যে একটি। দেশি মুরগির ডিম ও মাংস রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন অনেকেই রয়েছেন যারা দেশি মুরগির ডিম ও মাংস কে প্রোটিনের ভান্ডার বলে থাকে। এরা পাখির মত করতে পারে কিন্তু পাখিদের মতো উঁচুতে নয়, মুরগিরা 10 থেকে 12 ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারে। দেশি মুরগি একসাথে ১০ থেকে ১২টা পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে।
আরো পড়ুন
এবং এরা এসব ডিম থেকে নিজেরা বাচ্চা ফুটে থাকে। এই মুরগির জীবনকাল খুবই কম এইসব মুরগিরা সর্বোচ্চ ১০ বছর বেঁচে থাকে। আমাদের দেশের শহরে সেরকম মুরগি পালন করতে দেখা যায় না। কিন্তু গ্রামের প্রতিটা বাড়িতেই আপনি দেখতে পাবেন ১২ থেকে ১৩ টা মুরগি পালন করছে। গ্রামের গৃহকর্মী মহিলারা মুরগি পালন করতে অনেক ভালোবাসে।
অনেকেই হয়তোবা শখের বসে পালন করে থাকে আবার অনেকেই রয়েছে যারা সংসদের নিত্যদিনের চাহিদা মেটানোর জন্য মুরগি পালন করে থাকে। কারণ মুরগি বিক্রয়ের মাধ্যমে তারা তাদের সংসারের চাহিদা মিটিয়ে থাকে। শুধু মুরগির বিক্রয় করে নয় মুরগির ডিম বিক্রয় করেও তারা সংসারের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।
গ্রামের গরীব-দুঃখী পরিবারের জন্য এই মুরগি পালনের কাজটাও হয়ে ওঠে একসময় সংসার চালানোর উপায়। অনেক খামারি ভাই রয়েছে যারা মুরগি পালন করে ক্রয় বিক্রয় করে তাদের সংসার চালিয়ে থাকে। কিন্তু দেশের মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের ক্ষমতা বিদেশে মুরগি তুলনায় কম হয়ে থাকে। কিন্তু বিদেশে মুরগির মাংসের তুলনায় এই দেশি মুরগির মাংস এর দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে।
এবং এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও বেশি রাখে। দেশি মুরগি মৃত্যু হয় বাচ্চা বয়সে অথবা অপুষ্টির কারণে। এই মুরগিগুলো ডিম দেওয়ার জন্য সময় নিয়ে থাকে 20 থেকে 24 দিন এই কয়দিনের মধ্যে তারা তাদের ডিম দেওয়া সম্পন্ন করে থাকে। এবং তারা বাচ্চা ফুটানোর জন্য সময় নিয়ে থাকে ২১ দিন অর্থাৎ তারা ১৫ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই বাচ্চা ফুটে তুলতে পারে।
এবং বাচ্চার পালন করতে এরা সময় নেয় তিন মাস তিন মাসের মধ্যেও এরা বাচ্চা খুব ভালো করে পালন করে এবং তিন মাসের পরে চার মাসের মাথায় অথবা চার মাস যাচ্ছে এমন সময় তারা আবার ডিম দিতে শুরু করে। বাচ্চা ফুটানোর পর এদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চার থেকে পাঁচ মাস লেগে যায়। এবং স্বাভাবিক জীবনে এসেই তারা আবার ডিম দেওয়া শুরু করে দেয়।
যারা পুরুষ মুরগি রয়েছে এদেরকে বলা হয়ে থাকে মুরোগ এবং নারী জাতকে বলা হয় মুরগি। একটা সময় ছিল যে সময়ে বাংলাদেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে মোরগ লড়াই খেলা হতো। অর্থাৎ দুই মোরগের মাঝখানে লড়াই করত। অনেক দেশেরই রাজা বাদশা মোরগ পালন করে তাদের লড়াইয়ের জন্য তৈরি করতেন এবং যে মুরগি জিতে যেত তাকে পুরস্কৃত করা হতো।
এছাড়াও আপনাদেরকে পোস্টে আরও চালানো হবে দেশি মুরগির খরচ কেমন হবে। অনেকেই রয়েছেন যারা দেশি মুরগির খরচ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে থাকেন অর্থাৎ ধারণা নিতে চান এই মুরগি পালন করতে আপনার কত টাকা খরচ হবে । এছাড়াও মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন।
এরা কিভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা করে থাকে তার সবকিছু জানানো হবে নিচের অংশগুলোতে। তো বন্ধুরা নিচের অংশগুলোতে কী কী রয়েছে।
দেশি মুরগির খাবার তালিকা
প্রিয় বন্ধুগণ অনেকেই মুরগি পালন করে থাকেন এবং মুরগি পালন করার সময় অনেকেই মুরগির খাবার তালিকা নিয়ে অনেক চিন্তা করে থাকেন। তো বন্ধুরা আজ আপনাদেরকে জানানো হবে,দেশি মুরগির খাবার তালিকা। তো বন্ধুরা আছে আপনার কাছে চলুন শেয়ার করে আসি খাবার তালিকা।গম, ভুট্টা ভাঙ্গা ,চালের খুদ-৪০ কেজি , চালের কুঁড়া -২৫ কেজি।
সয়াবিন মিল অথবা তিলের খৈল -২৫ কেজি, ফিস মিল - ৭ কেজি, ঝিনুকের গুড়া অথবা চুনাপাথর - ৩ কেজি, লবণ ০.৫ কেজি, ভিটামিন মিনারেল প্রেমিক্স - ১৫০গ্রাম। এই উপাদান গুলো আপনি আপনার মুরগির জন্য খাবার তালিকায় রাখতে পারেন এই উপাদানগুলো মুরগির মাংস বৃদ্ধির জন্য এবং ডিমের জন্য খুব উপকারী এসব খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে।
দেখবেন আপনার মুরগি খুব সহজে দ্রুত বেড়ে উঠছে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তার দ্বিগুন হয়ে গেছে। তো বন্ধুরা আপনাদেরকে তো জানিয়ে দেয়া হলো কি কি খাবার,দেশি মুরগির খাবার তালিকা এতে রাখতে হবে এবং কত কেজি করে রাখতে হবে তো বন্ধুরা এখন চলুন আপনাদের সুবিধার জন্য আপনার কিভাবে এগুলো মিশন করবেন সেগুলো জানিয়ে দেয়া হোক।
এ প্রত্যেকটি উপাদান রোদে দিয়ে ভালোমতো শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর প্রত্যেকটি উপাদান সঠিক পরিমাণ করে নিতে হবে পরিমাণে কম বা বেশি হলেও সমস্যা নেই। এরপর এটি পরিষ্কার জায়গায় সব উপাদান গুলো ঢেলে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। উপাদানগুলো যখন আপনি ভাঙ্গাতে যাবেন তখন অবশ্যই উপাদান গুলো একটু মোটা করে ভাঙ্গিয়ে আনবেন।
এই সবকিছুর বাহিরে ও আপনি আপনার মুরগিকে বাড়িতে থাকা অতিরিক্ত ভাত, ধান, এবং সরিষা খাওয়াতে পারবেন। এছাড়া মুরগিকে যখন খোলা অবস্থায় আপনি পালন করবেন।তখন মুরগিগুলো তার অতিরিক্ত খাবার হিসাবে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা পোকামাকড় পা দিয়ে আঁচড়ে বাহিরে বের করে সেগুলোখেয়ে থাকে। অবশ্যই মুরগিকে নিয়ম করে এ খাবার গুলো সকল বিকাল খেয়ে থাকবেন।
এটা দেখবেন আপনি কম করেছে মুরগিগুলো পালন করছেন এবং আপনি মুরগির এই ব্যবসায় অনেক লাভবান হয়ে যাচ্ছেন। বন্ধুরা এই অংশে আপনাদেরকে চেষ্টা করা হয়েছে মুরগির খাবার তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর আশা করা যায় এই অংশে আপনারা সেগুলো বুঝে গিয়েছেন।
দেশি মুরগির খাবার খরচ
প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা দেশি মুরগি পালন করে থাকেন। বিশেষ করে গ্রাম ে দেশি মুরগি পালন করাতে বেশি দেখা যায়। এছাড়া যারা খামারি ভাইয়েরা রয়েছেন দেশি মুরগি পালন করার জন্য যারা নতুন দেশি মুরগি পালন করার চেষ্টা করছেন তারা অনেক সময় জানতে চেয়ে থাকেন,দেশি মুরগির খাবার খরচ। তো বন্ধুরা চলুন আজ সেগুলো জানা যাক।
আরো পড়ুন
আপনি যদি কম খরচে দেশি মুরগি পালন করার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে দেশি মুরগি পালন করতে পারবেন। সবচেয়ে কম খরচে দেশি মুরগি পালন করার উপায় হচ্ছে প্রাকৃতিক উপায়। এ উপায় আপনি কম খরচে মুরগি পালন করতে পারবেন এবং লাভবান হতে পারবেন। প্রাকৃতিক উপায়ে দেশি মুরগি পালন করতে বেশিরভাগ দেখা যায় গ্রামের বাড়ি গুলোতে।
মুরগির খামারে তো মুরগির জন্য বিশেষভাবে খাবার তালিকা তৈরি করা হয় এবং খাবার তৈরি করা হয়। কিন্তু বলা যায় যে কম খরচে গ্রামের বাড়ি গুলোতে মুরগি পালন করে তারা লাভবান হয়ে থাকে। গ্রামের বাড়িতে মানুষেরা তাদের বাড়িতে জমে থাকা অতিরিক্ত ভাত , সরিষা, ধান ,ভুট্টা এবং চালের খুদ এইসব মুরগিকে খাবার দিয়ে তারা মুরগি লালন করে থাকে।
এছাড়াও সবুজ শাকসবজি দিয়ে ও মুরগি পালন করা হয়ে থাকে। এবং সবুজ ঘাস এর মাধ্যমে মুরগি পালন করা হয়ে থাকে। সবুজ শাকসবজি এবং ঘাস খেয়ে মুরগি তাদের খাওয়ার চাহিদা মিটিয়ে থাকে। সবুজ শাকসবজি বলতে পুঁইশাক, হেলেঞ্চাশাক ,কলমি শাক ,পালং শাক ইত্যাদি। এছাড়াও সবজি কাটার পর যেসব অতিরিক্ত নষ্ট হওয়া পাতা রয়েছে।
সেগুলোই দিয়েও মুরগি পালন করা হয়ে থাকে। সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম যা মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। এছাড়াও এসব খাবার খাওয়ার মাধ্যমে মুরগির দেহের ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি পূরণ করে থাকে। কিন্তু অনেক সময় আবহাওয়া এবং পরিবেশের অবস্থার জন্য।
মুরগির খাদ্য তালিকার পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে। তো বন্ধুরা আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই বুঝে গেছেন,দেশি মুরগির খাবার খরচ সম্পর্কে। এবং ধারণা করা যায় আপনারা সেগুলো বুঝে গিয়েছেন।
দেশি মুরগি পালন প্রশিক্ষণ
প্রিয় বন্ধুরা আজকের এই পোস্টে আপনাদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে,দেশি মুরগি পালন প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলের তার প্রতিটি বাড়িতে দেখা যায় তারা অনেকগুলো মুরগি পালন করে থাকে। এ মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং এ মুরগি পালনের জন্য তেমন কোন খরচ করতে হয় না। বাড়ির একটা খাবার তরকারি কাটার পর যেগুলো শাকসবজি বা পাতা লতা পড়ে থাকে।
সেগুলো দিয়ে এই মুরগিগুলো লালন পালন করা যায়। আমাদের দেশে এই মুরগির চাহিদা এবং ডিমের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে কিন্তু এ মুরগির উৎপাদন ক্ষমতা কম। এ মুরগির মাংসে এবং ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন। মুরগি পালনের জন্য যদি উন্নত মানের প্রশিক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা যায় তাহলে এ মুরগি উৎপাদন বেশী করে করা সম্ভব।
আমাদের দেশ বর্তমানে অনেক উন্নত একটি দেশের প্রণীত হয়েছে। এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট গৃহপালিত পশু-পাখি পালনের জন্য অনেক ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। তাদের কাছে গিয়ে উন্নত মানের প্রশিক্ষণ পাওয়া যায় এবং সে প্রশিক্ষণ কাজে লাগবে বেশি করে মুরগি উৎপাদন করা যায়। এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন রকমের পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।
এবং কিভাবে পশু পাখি পালন করতে হয় সেগুলো বুঝিয়ে দেন। মুরগি উৎপাদনের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিবারের চাহিদা এবং আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন। দেশি মুরগি আবদ্ধ অবস্থাতেও পালন করা যায় কিন্তু এটাকে খোলা জায়গায় রেখে পালন করা সবচেয়ে ভালো কারণ এদের যদি ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে এদের নিজের খাবার নিজেরাই সংগ্রহ করে থাকে।
এদের জন্য তেমন বেশি খরচ করতে হয় না। এবং এদের ছেড়ে দিয়ে যদি পালন করা যায় তাহলে খরচ কম হয় এবং বেশি লাভবান হওয়া যায়। আপনি যদি মুরগি লালন পালন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সুস্থ এবং সবল মুরগি বা মোরগ বাছাই করতে হবে। এবং আপনি যে স্থানে মুরগি পালন করে থাকবেন সে স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে এবং সে ঘরটা খোলামেলা রাখতে হবে।
তো বন্ধুরা আজকের এই পোস্টে আপনাদেরকে,দেশি মুরগি পালন প্রশিক্ষণ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করা যায় আপনারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি
প্রিয় বন্ধুগণ এবার আপনাদেরকে এই পোষ্টের মাধ্যমে জানানো হবে,দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি। অনেকের দেশি মুরগি বাচ্চাদের ভালোভাবে যত্ন নিতে পারেন না এবং এটি কিভাবে পালন করতে হয় সে বিষয়ে অনেকের তেমন কোনো ধারণা নেই। তাই আজ আমাদেরকে খুব সহজ করে বুঝিয়ে দেয়া হবে এই আর্টিকেলের এই অংশে,দেশি মুরগির বাচ্চা পালন পদ্ধতি।
আরো পড়ুন
তো বন্ধুরা দেরি না করেছিলেন নিচের অংশ দেখা যায়, এই বিষয়ে কিছু আলোচনা রয়েছে। প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা যদি দেশি মুরগি বাচ্চা সঠিক উপায় পালন করতে চান তাহলে আপনাদেরকে প্রথমে যা করতে হবে সেটি হল বাচ্চা যখন ডিম থেকে ফুটে উঠবে তখন তার জন্য একটি ভালো ঘর প্রস্তুত করতে হবে অবশ্যই ঘরটি খোলামেলা রাখতে হবে। এবং লাইটিং এর ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে।
বাচ্চার জন্ম ওঠার পর একমাস ঘরে বাহিরে রাখা যাবে না এতে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও ঘরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে ঘরের তাপমাত্রা ঠিক রয়েছে কিনা। বাচ্চা ঘরে নেওয়ার আগে অবশ্যই আপনাকে খাবার পানি এবং বাচ্চার খাদ্য ঘরে রেখে দিতে হবে। প্রথম দুইদিন বাচ্চাকে অবশ্যই পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত সাদা পানি দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
প্রথম কয়েকদিন অর্থাৎ এক সপ্তাহ পেপারের ওপর আপনি খাবার ছিটে দিতে পারবেন। কিন্তু পরের সপ্তাহ থেকে আপনাকে ট্রেতে পড়ে খাবার দিতে হবে। বাচ্চা গুলো কি তিন ঘন্টা পর পর এসে পরীক্ষা করতে হবে তাদের শরীর এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কিনা সে বিষয়ে। এছাড়াও যদি কোন বাচ্চা এমন সময় মারা যায় তাহলে তাকে সেখান থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরিয়ে ফেলতে হবে।
এবং প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে এবং যে বানিয়ে মুক্ত করতে হবে। এছাড়া এমন সময় বাচ্চাদের যদি কোন রোগ দেখা দেয় তা যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করতে হবে। এসব বাচ্চাদের মধ্যে যদি কোন বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ে তাহলে তাদেরকে প্রথম থেকেই গ্লুকোজ পানি দিতে হবে। এবং বাচ্চাকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরপর এসে অল্প অল্প করে খাবার দিতে হবে ।
এবং এইভাবে আপনি আপনার বাচ্চা গুলো পালন এবং দেশি মুরগির বাচ্চাগুলোকে সঠিক নিয়মে লালন ফোন করতে পারবে না।
দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার
প্রিয়, আপনাদেরকে এই পোষ্টের মাধ্যমে জানানো হবে,দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার। দেশি মুরগিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। এবং বাচ্চা কালের এরা বেশি রোগ আক্রান্ত হয়। বাচ্চাদের বয়স যখন 10 থেকে 15 দিন হয় তখন তারা গামবোরো আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং খুব দ্রুত এই রোগটি ছড়িয়ে যায়।
এবং এই রোগ বেশিরভাগ দূষিত পরিবেশ এবং পায়খানার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে এটি এক ধরনের ছোঁয়াচে রোগ। এটি এক ধরনের ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ার জন্য এ রোগের তেমন কোন চিকিৎসা নেই।কিন্তু, এন্টিবায়োটিক এবং ভিটামিন সি খাবার খাওয়াতে পারেন এতে গামবোরো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এগুলোর ভূমিকা থাকে।
এছাড়া আপনি, প্রাণীর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অবশ্যই পশু পাখির পালন করবেন এবং ওষুধ খেয়ে থাকবেন। এছাড়াও দেশি মুরগি খোলামেলা অবস্থায় বেশি পালন করা হয়ে থাকে এবং এরা সকল ধরনের খাবার খেয়ে থাকে এবং সকল ধরনের পরিস্থিতি এবং আবহাওয়াতে নিজেদের খুব সহজে মেনে নিতে পারে এজন্য এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি।
তো বন্ধুরা আজকে আপনাদেরকে যতদূর সম্ভব জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে,দেশি মুরগির বাচ্চার রোগ ও প্রতিকার। আশা করা যায় আপনারা এই পোস্ট থেকে সেগুলো বুঝে গেছেন।
শেষ কথা
কে বন্ধুগণ আছে আপনাদেরকে এই পোষ্টের মাধ্যমে দেশি মুরগি সম্পর্কে অনেক তথ্য জানানো হয়েছে। দেশি মুরগি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং বাংলাদেশের চাহিদা অনেক বেশি। দেশি মুরগির ডিম এবং দেশি মুরগির মাংসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। আর এই প্রোটিন আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধান করে থাকে এবং প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।
আরো পড়ুন
এছাড়াও দেশি মুরগি কিভাবে পালন করতে হয় দেশি মুরগির পালন পদ্ধতি এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও জানা হয়েছে এছাড়াও দেশি মুরগির বাচ্চাদের কি কি রোগ হয় এবং এসব লোক প্রতিরোধ ক্ষমতায় এবং কি কি ওষুধ খাওয়াতে হবে তা বিস্তারিত হবে জানানো হয়েছে। তো বন্ধুরা, এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদেরকে এই সব তথ্য জানানো হয়েছে।
তো বন্ধুরা আপনার যদি এই পোস্ট ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের এই ওয়েবসাইট প্রতিদিন ভিজিট করবেন এবং শেয়ারের মাধ্যমে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিবেন, আল্লাহ হাফেজ।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url