বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আপনারা অনেকেই বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা টি জানেন না বা গুছিয়ে দিতে পারেন না তো এই পোস্টটি তাদের জন্য তারা অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা টি জেনে নেবেন।
বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা
প্রিয় বন্ধুরা আমাদের পোস্ট লিখা শুধুমাত্র আপনাদের জন্য। তো বন্ধুরা আপনারা যারা স্বাধীনতা রচনাটি নিয়ে জানেন না এবং বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই এই রচনাটি পুরোপুরি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। এবং এ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা বা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবে তো চলুন বন্ধুরা আমরা জেনে আসি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা।

বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, আন্দোলন, স্বাধীনতা, এসব কিছু সম্পর্কে কে না জানে। কিন্তু বন্ধুরা পরীক্ষায় কিছু কিছু সময় প্রশ্ন পত্রে একটি রচনা এসে থাকে তা হলো বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা। তো বন্ধুরা আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা জানবেন এই রচনা সম্পর্কে। আমাদের এই রচনা সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই এই কনটেন্টটি আপনাদেরকে পুরোপুরি পরতে হবে। তো চলুন বন্ধুরা আমরা জেনে আসি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনা সম্পর্কে

ভূমিকা

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল সে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ব্যাপক। এর প্রেক্ষাপটে পুরোটা জুড়ে সম্মুখ এবং স্মরণীয় একটি নাম শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অল্প বয়সে বাংলা স্বীকৃতি সাহিত্য পাকিস্তানি শাসকদের ষড়যন্ত্র ও কু মতলব এবং বাঙ্গালীদের দুঃখ কষ্ট আবেগ রুশ ক্ষোভ সবকিছুই বুঝে উঠতে পারে। তার হাতেই তৈরি ছাত্রলীগ এবং সেই ছাত্রলীগ ততদিনে আন্দোলনের বর্ষা ফলোক হয়ে ওঠে। 

মাত্র চার মাসের মধ্যে ছাত্র জনতার স্বপ্ন ও সাহসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং হাতের ছোঁয়া নিপুন তাছাড়াও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাত্র চার মাসের মধ্যে তিনি হাতের ছোঁয়ায় নিপুন হাতের ছোঁয়ায় অন্যান্য এ প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করে। এবং তার সংগঠন অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মাত্র এক মাসের মধ্যে পূর্ব বাংলার সকল জেলা। তবে বড় একটি চ্যালেঞ্জ এসে পড়ে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই এ প্রতিষ্ঠান সংগঠনের পর। 

বাংলা ভাষা দাবি দিবসে ঢাকা ১১ই মার্চের ১৯৪৮ সালের হরতাল। তবে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের রাজপথে নামাতে সক্ষম হয় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম যে বড় প্রতিবাদী আন্দোলন সফল করে তোলা হয় সেখানে শেখ মুজিবর কেবল ছাত্রলীগ কর্মীদের নয় সকল ছাত্র-ছাত্রীদের রাজপথে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয় এবং সে থাকেন সামনের সারিতে। এবং এ হরতালের প্রচার অভিযানে তিনি জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। 

এবং তিনি অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামক গ্রন্থে লিখেছেন ফরিদপুর যশোর হয়ে দৌলতপুর খুলনা বরিশাল ছাত্রসভা করে ওই তারিখে তিনি দিন পূর্বে ঢাকা ফিরে এলাম। হরতালের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে তিনি নিজেও নেমে পড়েন রাজপথে।

স্বাধীনতার পটভূমি

বাঙ্গালীদের অধিকার আদায়ের সূচনা হয় ১৯৪৮ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। এবং ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের শাহাদত, শফিক, রফিক, বরকত, জব্বার, এদের রক্তে স্বাধীনতার পটভূমি রচিত হয়। এবং ছয় দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ও 1979 সালের গণ আন্দোলনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে এগিয়ে যায় তবে ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে সে নির্বাচনে। 

কিন্তু সে সময় পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠীর এই দলের কাছে মমতা হস্তান্তর বিলম্ব করতে শুরু করে। তবে এই পরিস্থিতিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহবান করেন। তবে এই অধিবেশনটি অনির্দিষ্টকালের জন্য মন্তবি ঘোষণা করা হয় ১ মার্চ। প্রীতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্যে ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা ক্ষমতা। 

ঢাকায় রেসকোর্ট ময়দানে ৭ই মার্চ 1971 সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিকাল তিনটা বিশ মিনিটে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়। এবং সে ভাষণে ইতিহাসের এক অন্যতম ভাষণ রয়েছে বহুমাত্রিক বিশেষত্ব মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাস তুলে ধরেন এবং বাঙ্গালীদের কে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুত হতে আহ্বান জানান তিনি ভাষণে পূর্ব পাকিস্তানের অনুবাদ করা হয়।

নিউজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ২০১৭ সালের ৩০ শে অক্টোবর এই ভাষানটিকে ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এবং ৭ই মার্চের কোর্স ময়দানে জনসভায় যে বিপুল জনসভার বন্যা যেখানে অসংখ্য লোক একত্রিত হয়ে পুরো রেসকোর্স ময়দান কে জনসমুদ্রে পরিণত করেছিলেন এবং সামগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান একটি ভাষণ যা ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। 

সেই ভাষণ শুধু ভাষণ নয় বাঙালির মুক্তির এক সংগ্রামের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি ছিল এবং সে ভাষণে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শেষে ইউনেস্কো ৭ই মার্চ ভাষণকে ডকুমেন্টারি হেরিটেজ এবং বিশ্বপ্রাণ্য ঐতিহাসিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এ ভাষণে পূর্ব বাংলার সকল মানুষের মুক্তি সংগ্রামের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি ছিল। জাতির সেই শান্তির জন্য সাত কোটি মানুষের উপরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণ রাখতে গিয়ে যুক্তিপূর্ণ আবেগময় ও সংরক্ষিত ।


অথচ সুদূর প্রসারিত ইঙ্গিত পণ্য অথচ অথবা ব্যাখ্যা করেন। বাংলাদেশের মানুষকে আজও একাত্তরের মত সম্ভাবে উদ্দীপ করে তুলে এ ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বে ইতিহাসের নতুন এক শিখরে পৌঁছে যায় ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুউদ্দীপ ঘোষণায়।

বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের উপাধি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জ জেলায় বুধবার দিন পারুইটুঙ্গী পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এবং তার বাবার নাম ছিলেন শেখ লুৎফর রহমান ও তার মায়ের নাম সেলিম সাহেরা খাতুন। এবং তার বঙ্গবন্ধুর নামটি আসে ১৯ ৭৯ খ্রিস্টাব্দের ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাত্র কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের জন্য রেসকোর্স ময়দানে অর্থাৎ সারোয়ারদী উদ্যান মাঠে আয়োজিত ।

শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানের সম্মেলন লক্ষ্যে মানুষের উপস্থিতিতে তৎকালীন ছাত্রনেতা আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান করেন। এবং তারপর থেকে তিনি হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর 1975 সালের আগস্ট তার হত্যার প্রতিবাদে কারণে গ্রেফতার করে ।

জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতন করতে থাকা হয় এবং এই অবস্থায় তিরস্কার স্বরূপ বঙ্গবন্ধু শব্দটিকে বিক্রি করে ব্যবহার করেন মেজর ফজলুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ প্রেসকোর্স ময়দানে অবস্থিত থাকাকালীন 1971 সালে ২ঃ৪৫ মিনিটে একটি ভাষণ শুরু করেছিলেন এবং বিকাল তিনটা তিন মিনিটে শেষ করেন এবং এই ১৮-১৯ মিনিটের যে ঐতিহাসিক ভাষণ সেই ঐতিহাসিক ভাষণ কে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বলা হয় এবং সে ভাষণে রয়েছিল জনসমুদ্রে ঢেউ। এবং বাঙ্গালীদের মনে গড়ে তুলেছে একটি দুর্গ। তিনি সে ভাষণ ে লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে তিনি অনুভব করতেন এবং হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করেছিলেন ।
আরো পড়ুন 
যে তার এ ভাষণে দেশকে মুক্ত করার জন্য এবং আন্দোলনের ডাক তথা পরোক্ষ ভাবে স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য দেশবাসীদের কে আহবান জানাই তিনি সে ভাষণে বলেছিলেন। আমি যদি হুকুম দেওয়ার নাও পারি, তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইলো প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রু মোকাবেলা করতে হবে রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো তবু এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। 

তিনি তার সেই ভাষণে বাঙালি জাতির প্রতি আহ্বান জানান এবং চূড়ান্ত বিজয়ের অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত রাখা নির্দেশ দেন এবং তিনি দশ লক্ষ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশের আরো সাড়ে সাত কোটি অধিকার বঞ্চিত মানুষের উদ্দেশ্যে এই ভাষণ দেননি তিনি শত শত কোটি অত্যাচারিত শোষিত ধর্ষিত মানুষের উদ্দেশ্য। তারে ভাষণ শুধু ভাষণ ছিল না তার এ ভাষণ ছিল স্বাধীনতার ডাক। তারই ভাষণে প্রত্যেকটা মানুষ বিপ্লবী হয়ে উঠেছে ।

তার এই ভাষণে প্রত্যেকটা মানুষ সংগ্রামী হয়ে উঠেছে তার এই ভাষণ তার এই ভাষণে প্রত্যেকটা মানুষের মনে অনেক সংগ্রামী বিপ্লবী একটি আলোড়ন সৃষ্টি করে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু তাই বলে থেমে যাননি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শুধু ভাষণ দিয়ে যাননি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সে ভাষণে একটি স্লোগান দিয়ে গিয়েছিলেন সেই স্লোগানটি হল এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, কেন আগুন ঝরে পড়ল তার এই কন্ঠে। 

বিপ্লবী এই স্লোগান এখন পর্যন্ত থামেনি। বাঙ্গালীদের কে স্লোগান দিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে জয় আমাদের আনতেই হবে। এখনো সেই স্লোগানটি বেঁচে রয়েছে।

ভাষা আন্দোলন

১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলার সংগঠিত যে রাজনৈতিক আন্দোলন সে আন্দোলনকে সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছিল সে আন্দোলনকে ভাষা আন্দোলন বলে। মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলন মৌলিক অধিকার রক্ষাকলফে আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে পাকিস্তানি অধিরাজের ন্যূনতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবি তদন্তকালীন পাকিস্তান অধীর রাজ্যের লক্ষ্যে গণবাদের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

 একুশে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্ত্র এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে বহু আগের আন্দোলন অন্যদিকে এই প্রক্রিয়ার আন্দোলন এবং ফলাফল ছিল প্রসারী। সেখানে ভারত অধি রাজ্য নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভাবন হয় ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি চত্বরের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান অধি রাজ্য ও ভারত অধি রাজ্য নাম রাখা হয়। দুটি ভাগ ছিল পাকিস্তানের দুটি অংশ হলো পূর্ব বাংলা ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান নামকরণ করা হয়। 

প্রায় ১২৪৩ মাইল অর্থাৎ প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার অধিক দূরত্বে ব্যবধান অবস্থিত পাকিস্তানের দুটি অংশে মধ্যে স্বীকৃতি ভাষাগত দিক থেকে ভৌগোলিক ও অনেকগুলো বিরাজমান ছিল আরো ছিল মৌলিক পার্থক্য। সেখানে ঘোষণা করে ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ইসলামিকরণ তথা আরবিকরণের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের তথা ও ইসলামীকরণ বা আরবীকরণের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেন যে উর্ধ্ব ভাষায় হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলার সংগঠিত যে রাজনৈতিক আন্দোলন সে আন্দোলনকে সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছিল সে আন্দোলনকে ভাষা আন্দোলন বলে। মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলন মৌলিক অধিকার রক্ষাকলফে আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাকে পাকিস্তানি অধিরাজের ন্যূনতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবি তদন্তকালীন পাকিস্তান অধীর রাজ্যের লক্ষ্যে গণবাদের বহিঃপ্রকাশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ঘটে। 
আরো পড়ুন 
একুশে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্ত্র এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে বহু আগের আন্দোলন অন্যদিকে এই প্রক্রিয়ার আন্দোলন এবং ফলাফল ছিল প্রসারী। সেখানে ভারত অধি রাজ্য নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভাবন হয় ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি চত্বরের ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান অধি রাজ্য ও ভারত অধি রাজ্য নাম রাখা হয়। দুটি ভাগ ছিল পাকিস্তানের দুটি অংশ হলো পূর্ব বাংলা ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান নামকরণ করা হয়। 

প্রায় ১২৪৩ মাইল অর্থাৎ প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার অধিক দূরত্বে ব্যবধান অবস্থিত পাকিস্তানের দুটি অংশে মধ্যে স্বীকৃতি ভাষাগত দিক থেকে ভৌগোলিক ও অনেকগুলো বিরাজমান ছিল আরো ছিল মৌলিক পার্থক্য। সেখানে ঘোষণা করে ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ইসলামিকরণ তথা আরবিকরণের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের তথা ও ইসলামীকরণ বা আরবীকরণের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেন যে উর্ধ্ব ভাষায় হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন

রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠাতা করার জন্য সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম হয় ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে আমার দিন মজলিসের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া ছিলেন আব্হায়ক এই কমিটির। এবং পরে সংসদ সদস্য শামসুল হক নতুন কমিটি গঠন করে এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে কার্যক্রম আরো জোরদার করেন। এখানে সবাই বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দাবিতে সংগঠিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় ।

এবং শাসনের অবসান ঘটে তবে স্বাধীনতার পর পরই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে এই নিয়ে দেখা যায় নানান ধরনের প্রশ্ন পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দ ও এবং কেন্দ্রীয় পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা যেন হয় উর্দু। অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তান আবার দাবি নিয়ে ওঠে বাংলাকেও ন্যূনতম রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। 1952 সালের 27শে জানুয়ারি ফরাসি থেকে ঢাকায় আসেন নিজামুদ্দিন। তিনি জনসভায় পল্টন ময়দানে বলেন যে সরকারি কাজকর্মের কোন ভাষা ব্যবহৃত হবে তা জনগণই ঠিক করবে। 

এবং তখনও জনগণের দাবি ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলায় সেই সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্র প্রক্রিয়ার হয় এবং স্লোগান উঠে ছাত্র বিক্ষোভ শুরু করেন রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ধর্মঘট পালিত হয় ৩০ শে জানুয়ারি। আওয়ামী লীগের সভাপতি মাওলানা ভাসানী সভাপতিদের অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দলের ৩১শে জানুয়ারি প্রতিনিধিদের এক সভায় সর্বদলীয় কেন্দ্রের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং সেখানে কাজী গুলাম মাহবুব ছিলেন আহ্বায়ক। 

সেখানে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজনে সিদ্ধান্ত নেই হরতাল জনসভা এবং রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ চালু হয় একুশে ফেব্রুয়ারি এবং সেই বিক্ষোভ মিছিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এসব কর্মসূচি আয়োজন চলার সময় ১৪৪ ধারা ঢাকা শহরে জারি হয় এবং শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ২০ শে ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশেমের সভাপতি কে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদের সংগ্রাম সভা হয় ১৪৪ ধারা অমান্য করা হবে কিনা এই প্রশ্নের সভায় দেখা দেয় ।

এবং ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার সকলকে অরূপ থাকে পরের দিন সকালে মেডিকেল কলেজের একাংশে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঠিক ১১ঃ০০ টার দিকে ছাত্রদের সভা হয় এবং সভা শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী সহ সে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকসহ উপাচার 144 ধারা ভঙ্গ না করার জন্য ছাত্রদের অনুরোধ করা হয়। তবে নেতৃবৃন্দ আব্দুল মতিন গাজীউল নিজের অবস্থান অনড় থাকে হলে ঢাকা শহরের স্কুল কলেজের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় সমাবেত হয়।

ছাত্ররা সাতজন করে ছোট ছোট দলে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চায় স্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসলে পুলিশ তাদের উপর গ্যাস ব্যবহার করে এবং সেখানে নিহত হয় রফিক উদ্দিন আহমদ আব্দুল জব্বার আব্দুল বরকত সহ আরো অনেকে সেখানে গ্যাস ব্যবহার করে তাদের সাথে পেরে উঠতে সক্ষম না হয়ে ছাত্রছাত্রীদের উপর গুলি চালায় পুলিশ এবং নিহত হয় অনেক ছাত্র এবং বহু ছাত্র হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকে। 

এরপর থেকে ১৯৫২ সালে একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙ্গালীদের সেই আত্মত্যাগের স্মরণ করে দিনটি উদযাপন করা হয় ১৯৯৯ সালে নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এবং তারপর থেকে বাংলাদেশে ভাষা আন্দোলনকে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে।

স্বাধীনতা ঘোষণা

বাংলাদেশের প্রথম সরকার কৃতপক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা এবং এই ঘোষণাটি যুদ্ধ চলাকালে ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার সংবিধান হিসেবে কার্যকর। এবং পরিচালনার অন্তবর্তীকালীন ১৯৭২ সালে ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ সংবিধান প্রণলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সাংবিধান এ ঘোষণাটি সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল বাংলাদেশের নতুন সংবিধান হিসেবে কার্যকর করে। 

স্বাধীনতার ঘোষণা জারি করা হয় একটি অতীব্য সংকট নয় অবস্থার মোকাবেলায়। ১৯৭১ সালে ২৫ শে মার্চ রাতে আক্রমণের অব্যাহত পূর্বে এবং পাকিস্তান বাহিনী কৃতজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তারের প্রাক্কালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধু সেখানে বলেছিলেন এটি সম্ভবত আমার শেষ বার্তা আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা বাংলাদেশের জনগণের নিকট আহ্বান, আপনারা যে যেখানে আছেন সেখান থেকেই হানাদার বাহিনীদেরকে আক্রমণ করুন এবং প্রতিরোধ করুন। 

যতদিন না পায়খানাদার বাহিনীরা বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত না হয় ততদিন আপনারা সকলে সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। সেই সময়ে শেখ মুজিবুর রহমানের এই ঘোষণাটি বা বার্তাটি পাকিস্তান রাইফেলসের ট্রান্স মিটারের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ প্রচারের জন্য মধ্যরাতের কিছুক্ষণ পরে চট্টগ্রাম প্রেরণ করা হয়। এবং চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রে মার্চ মাসের ২৬ ও ২৭ তারিখে পর থেকে নামকরণ হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। 
আরো পড়ুন 
এ বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর নামে স্বাধীনতার আরো দুটি ঘোষণা প্রচার হয় চট্টগ্রামে প্রচারিত হওয়া এর একটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান কর্তৃক এবং অন্যটি মেজর জিয়াউর রহমান কর্তৃক‌। এবং ১৯৭১ সালে অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী অনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাশ করেন এবং এ ঘোষণার মধ্যে লেখা নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে। 

এ ঘোষণা ২৬শে মার্চ ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয় ২৬ শে মার্চ ঘোষণা পত্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত এবং সম্মানের সাথে অনুষ্ঠিত হয় এখন পর্যন্ত।

উপসংহার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি অন্যতম নাম। তবে তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং সর্বকালের স্বাধীন বাংলাদেশের জনক। তার নিজ অক্ষ এবং সঠিক নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং তিনি সবসময় বাংলা জনগণের কল্যাণের কাজ করে গেছেন এবং বাংলার জন্য যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছে। সমস্ত জাতিকে তিনি মুক্তি ও স্বাধীনতার ঐক্যবদ্ধ ও উদ্যক্ত করেছিলেন এক বাংলার স্বাধীনতার চেতনায়। 

তার আত্মত্যাগ মহান মর্যাদা অধিষ্ট করেছে তাই আজও তিনি দেশপ্রেমিক প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে রেখেছে। প্রিয় পোস্ট পাঠক ভাইয়েরা আপনারা অবশ্যই বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা রচনাটি এতক্ষণে পেয়ে গেছেন। এবং আমরা আরো কিছু চেষ্টা করব সামনে আপনাদের নতুন নতুন আর্টিকেল দেওয়ার জন্য এবং আরো সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করার জন্য ।

তবে প্রতিদিন নিত্যনতুন আর্টিকেল পাওয়ার জন্য আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো দিয়ে রাখুন এবং আপনার কোথাও যদি কোন ভুল হয়ে থাকে বা আমাদের লেখার কোথাও যদি ভুল হয়ে থাকে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url