কাশি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এই উপায়গুলো মেনে চলুন
রাতে কাশি কমানোর উপায় দেখুনকাশি আমাদের কাছে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হলেও এটি মারাত্বক রুপ ধারণ করতে পারে।যারা কাশির যন্ত্রনার মারাত্বক পর্যায়ের পৌছেছেন কেবলা তারাই এর ভায়াবহতা জানেন।এই প্রতিবেদনে কিছু উপায় বলে দেয়া হয়েছে যার মাধ্যমে আপনারা কাশির তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।
কাশি কিন্তু খুব কষ্টকর এবং যন্ত্রণাদায়ক একটি ব্যাধি। একবার কাশির অসুখ শুরু হলে একটু পর পর তা হতে থাকে যা জীবনকে অতিষ্ট করে তোলে।এখানে কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু পদ্ধ্যতি বলে দেওয়া হয়েছে।এই প্রতিবেদনের মধ্যে শিখিয়ে দেয়া উপায় গুলো মেনে চললে আপনি কাশির মারাত্বক অসুবিধা থেকে আরাম পাবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ কাশি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এই উপায়গুলো মেনে চলুন
- শুকনো কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা
- কফ কাশি দূর করার উপায়
- রাতে কাশি কমানোর উপায়
- সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়
শুকনো কাশির ঘরোয়া চিকিৎসা
বন্ধুরা শুকনো কাশি একটি বিরক্তিকর ব্যাপার।একবার শুরু হলে এই কাশি সবসময় লেগেই থাকে।কারো সাথে কথা বলতে গেলেই গলা চুল্কাই।গলার মধ্যে খুশ খুশ করে কাশির সৃষ্টি হয়। কাশির জন্য আমরা বাজারে কয়েকশো রকমের ঔষধ পেয়ে যাবো।কিন্তু সব ঔষধেই কি কাজ হয়?একবার যদি কাশি মারাত্বক প্ররযায়ে চলে যায় তাহলে কোন ঔষধই ঠিকমত কাজ করে না।
ঔষধ খাওয়ার পর কিছুক্ষণ ভালো থাকে তারপর আবার আগের মতো শুরু হয়ে যায়।আর কাশির ঔষধ খেলে আমরা সবাই জানি শরীরে অলসতা বিরাজ করে।কারণ কাশির সিরাপ গুলোতে অতিরিক্ত এ্যালকোহল থাকে।যদিও প্রতিবেদনের এই ধাপে আমরা কাশি দূর করার ঘরোয়া চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করেছি।কিন্তু তবুও কাশির তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘরোয়া চিকিৎসার পাশাপাশি ঔষধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।
তবে শুকনো কাশি দূর করয়ার জন্য কিছু ঘরোয়া পদ্ধ্যতি রয়েছে।যেগুলো নিয়মিত ফলো করলে ঔষধ ছারাও কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।আপনাদেকে জানিয়ে দিব সে সকল পধ্যতি গুলো।এজন্য পুরো আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
বন্ধুরা যেকোন ধরনের কাশির জন্য সর্ব প্রথম আপনাকে যা করতে হবে তা হচ্ছে গলায় সবসময় একটি গরম কাপড় পেচিয়ে রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনার গলায় উত্তাপ তৈরি করতে হবে। গলা যত গরম থাকবে কাশির সম্ভাবনা ততই কমে যাবে। যেকোনো ধরনের কাশি হলে গলা সব সময় গরম রাখার চেষ্টা করুন। কাশির উপশমের জন্য আপনারা অনেক ধরনের তথ্য পেতে পারেন তবে আপনাদেরকে অবগত করার উদ্দ্যেশ্যে জানিয়ে রাখি কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সবসময় গলায় একটি গরম কাপড় পেচিয়ে রাখুন।এতে করে নিজে থেকেই কাশি ভালো হয়ে যাবে।এই পদ্ধ্যতি অবলম্বন করে কাজ না হলে কমেন্টে আপনাদের মতামত জানাতে পারেন।
কাশি হলেই আমরা সর্বপ্রথম মধুর কথা চিন্তা করি।আর করবই না কেনো মধুতে রয়েছে এমন সব গুণাগুণ যা কাশি সহ আরো হাজারো রোগের শিফা হিসেবে কাজ করে থাকে। মধু এমন একটি খাবার যা ছোট বড় সবাই খেতে পারবে।তো এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই মধু শুকনো কাশি ভালো করতে কিভাবে খাবেন?বন্ধুরা মধু খাওয়ার বিশেষ কোন পদ্ধ্যতি নেই।মধু আপনি এমনি খতে পারেন যখন তখন।শুকনো কাশির জন্য এক টেবিল চামচ মধু সারা দিনে ৪-৫ বার খেতে পারেন।
আবার এক গ্লাস গরম পানিতে এক থেকে দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে তারপর খেতে পারেন।এটা কাশির সমস্য দূর করতে খুব কার্যকারী ভূমিকা পালন করে।মধু চায়ের সাথে মিশিয়ে খেলেও কাশির জন্য উপকারি।
খুশখুসে কাশি দূর করতে কিছুক্ষণ পর পর উষ্ণ গরম পানি পান করুন। এবং উষ্ণ গরম পানি দিয়ে গড় গড়া করুন। ফুসফুসে কাশি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সামান্য পরিমাণ আদা থেতো করে নিয়ে আধা গ্লাস অথবা এক কাপ উষ্ণ গরম জলে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং সেই জল দিয়ে গড়গড়া করুন অথবা পান করতে পারেন। তথ্যসূত্র অনুযায়ী আদা খুসখুসে কাশির জন্য বেশ উপকারী।
শুকনো কাশি দূর করতে আপনি রসুনের ব্যবহার করতে পারেন। এতে সামান্য পরিমাণ রসুন মুখের সব সময় রেখে দিন। কারণ রসুন রয়েছে এ্যলিসিন নামক উপাদান যা জীবনের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শুকনো কাশি দূর করার জন্য মুখে সব সময় একটি লবঙ্গ রেখে দিন এতে আপনার ঢোক গেলার সাথে সাথে গলায় আরাম পাবেন। শুকনো কাশি থেকে মুক্তি পেতে আপনি এলাচ এর ব্যবহার করতে পারেন। গবেষকদের মধ্যে এই লাস্ট অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরা যা জীবাণু নাশ করে থাকে।
আমরা সবাই তুলসী পাতা চিনে থাকি। এটি আমাদের অতি পরিচিত একটি গাছ। তুলসী পাতা গাছ থেকে ছিঁড়ে সরাসরি ধুয়ে খেয়ে ফেলা যায়। এক্ষেত্রে প্রতিদিন চার পাঁচটি তুলসির পাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে চিবিয়ে খান। অথবা উষ্ণ গরম পানির সাথে খান অথবা চায়ের সাথে মিশেও খেতে পারেন। আমরা ছোট থেকেই জেনেছি যে তুলসী পাতা কাশির ঔষধ হিসেবে কাজ করে। এক্ষেত্রে তুলসী পাতার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
ফুসফুসে কাশি নিরাময় করার জন্য আপনি অধিক পরিমাণে লাল চা আদা দিয়ে লবঙ্গ দিয়ে পান করতে পারেন। চা আপনি মধু দিয়েও খেতে পারেন। বিভিন্ন তথ্য সূত্র অনুযায়ী শুকনো কাশি দূর করার জন্য হলুদের গুঁড়ো এবং গোলমরিচের গুড়ো একসঙ্গে এক কাপ পরিমাণ গরম জলের মধ্যে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবং এই পানি পান করুন।
কফ কাশি দূর করার উপায়
আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস বাধা মুক্ত রাখার জন্য ফুসফুস কে সব সময় সচল রাখতে হবে। ফুসফুসে কোন ধরনের সমস্যা হলে আগে তার চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার জন্য ফুসফুসকে সুস্থ রাখা অত্যাবশ্যাক। ফুসফুসে কোন সংক্রমণ ঘটলে সবার আগে তার চিকিৎসা করা জরুরী। কারণ যে কোন ধরনের ছোটখাটো সমস্যার ক্ষেত্রে অসাবধানতার ফলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুকি হতে পারে।
আমাদের যখন কফ কাশি হয় তখন আমাদের বুক ভারী-ভারী লাগে। অনেকের আবার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় গলা ব্যথা করে। এই অবস্থায় বুঝে নিতে হবে যে ফুসফুসে কফ জমে গেছে। এই কফ বের করা জরুরী। কফ কাশি হলে অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই। অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে। কারণ চিকিৎসকদের মধ্যে কফ বেড়ে গেলে নিউমোনিয়ার মত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর বুকে কফ জমে থাকলে তা চিকিৎসা না করলে ফুসফুসে জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।
বিভিন্ন কারণে কফ কাশি হতে পারে। ভাইরাস জনিত কারণে হতে পারে অথবা ঠান্ডা লাগার কারণে হতে পারে। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় ঠান্ডা লাগার কারণে বুকে কফ জমে যায়। ঠান্ডা লাগা হোক বা ভাইরাস জনিত কারণেই হোক না কেন বুকে কফ জমে গেলে চিকিৎসার পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে এবং একই সাথে বাসায় কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কফ কাশি দেখা দিলে আপনি বাসায় প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে যে সকল পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন সেগুলো নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
আপনার যদি বুকে কফ জমে যায় অথবা কফকাশি হয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে মধু খেতে হবে। এক্ষেত্রে মধু আপনি দিনে তিন থেকে চার বার এক টেবিল চামচ সরাসরি খেয়ে নিতে পারেন। গবেষকদের মধ্যে ফুসফুসে কফ জমে থাকলে মধু তা নিরাময় করার জন্য বেশি ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানির সাথে পরিমাণ মত মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু আপনি চায়ের সাথে মিশেও খেতে পারেন। তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন অথবা আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এগুলো বুকের কফ দূর করতে বেশ ভালো উপকারি।
বুকের কফ দূর করার জন্য এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে দিয়ে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ বার গড়গড়া করুন। এতে গলা ব্যথা সহ শুকনো কাশি এবং বুকের কফ দূর হবে। এখানে আপনি গরম পানির সাথে সামান্য লবণ একটি এলাচ একটি লবঙ্গ এবং লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। এতে আরো ভালো ফলাফল পাবেন।
বুকের কপ দূর করার জন্য থেকে কার্যকারী ঘরোয়া উপায় হচ্ছে ভাপ নেওয়া। এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো একটি হাঁড়ির মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি নিতে হবে এবং এর মধ্যে পানির পরিমাণ অনুযায়ী তুলসী পাতা পুদিনা পাতা আদার রস এলাচ লবঙ্গ সামান্য লবণ গোলমরিচের গুঁড়ো কয়েকটি রসুনের কুয়া থেতো করে একত্রে পানির সঙ্গে মিশিয়ে পানি ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এবং সেই ফোটানো পানি একটি গামলার মধ্যে ঢেলে তার সামনে মুখ নিয়ে ভাপ নিতে থাকুন। এক্ষেত্রে বাসবো আটকে রাখার জন্য মাথার উপর দিয়ে একটি কাপড় অথবা তোয়ালে দিয়ে চারপাশ ঢেকে রাখুন। এবং এর ভেতরে আপনি শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করুন। ফুসফুসের ভেতরে জমে থাকা কফ দূর করার এটি সবথেকে কার্যকারী পদ্ধতি।
একবার বুকে কফ জমে গেলে চেষ্টা করার সব সময় গরম খাবার খাওয়ার। এক্ষেত্রে যখনই পানি পান করবেন আপনাকে গরম পানি পান করতে হবে। বেশিরভাগ সময় গরম তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।কারণ এ সময় বেশি বেশি গরম খাবার গ্রহণ করলে বুকের কফ গলিয়ে দিতে সাহায্য করবে।এক্ষেত্রে গরম পানি থকে শুরু করে গরম স্যুপ গরম চা তো আছেই।
গবেষকদের মতে ফুসফুসের জমে থাকা কত দূর করার জন্য কাঁচা হলুদ অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে সরাসরি কাঁচা হলুদের রস পান করুন। অথবা এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানির মধ্যে কাঁচা হলুদের রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবং এই মিশ্রণ দিয়ে গড়গড়া করতে থাকুন। কাঁচা হলুদের রয়েছে কার্কিউমিন নামক সক্রিয় যৌগ। এটি ফুসফুস থেকে কফ বের করে দিতে সাহায্য করে। কারণ আদারসে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য।যা একই সাথে সর্দি কাশি থেকে পরিত্রাণ দেয়।
তথ্যসূত্র অনুযায়ী ইউক্যালিপটাস তেল কফি কাশি দূর করতে বেশি ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনার বুকে কফ জমে গেলে এই তেল সরাসরি বুকের উপর মালিশ করুন। এই তেল আপনি কয়েক ফোঁটা নাকের মধ্যে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার গোসল করার পানি উষ্ণ গরম করে এর মধ্যে সামান্য ইউক্যালিপ্টাস তেল মিশিয়ে নিন এবং তারপর গোসল করুন।
রাতে কাশি কমানোর উপায়
অনেক সময় লক্ষ্য করা যায় সারাদিন শরীর ভালো থাকে কিন্তু রাত হলেই কাশি শুরু হয়। এই রাতের কাশি অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং কষ্টদায়ক। রাতে কাশি হলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। রাতে কাশি একটি ব্যাধি। বন্ধুরা এখানে রাতের কাশি এজন্য বলা হচ্ছে যে আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন সারাদিন তেমন একটা কাশির প্রকোপ দেখা যায় না কিন্তু রাত হলে শুরু হয় তীব্র জ্বালাময় কাশির যন্ত্রণা। এবং রাতে যত বাড়তে থাকে কাশির তীব্রতা ততই ভয়ানক হতে থাকে। এক্ষেত্রে রাতের কাশি কমানোর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে যে পদ্ধতিগুলো মেনে চলতে পারেন সেগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
রাতের কাশি থেকে পরিত্রাণ পেতে সর্বপ্রথম আপনি সন্ধ্যার পরপরই বলাই একটি গরম কাপড় পেচিয়ে রাখুন। এমন কাপড় ব্যবহার করুন যাতে করে গলায় উত্তাপ সৃষ্টি হয়। এক কথায় আপনাকে আপনার গলা গরম রাখতে হবে। আর গলা গরম থাকলে কোন প্রকার কাশি গলায় বাসা বাঁধতে পারে না এটি প্রমাণিত। রাতের কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম পানিতে সামান্য নুন মিশিয়ে বেশি বেশি গড়গড়া করুন। এতে করে গলা ব্যথা সহ কাশির সমস্যা দূর হবে।
গলায় গরম কাপড় ব্যবহার করার পাশাপাশি এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে পান করলে রাতে কাশি থেকে আরাম পাওয়া যায়। এ ধরনের কাছে থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পেপারমেন্ট লেবুর গাছ থেকে তৈরি তেল, ইউক্যালিপটাস এর তেল,মৌরি ইত্যাদি্র তৈল বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে ঘুমানোর আগে একটি গামলার মধ্যে ফুটানো পানি সংগ্রহ করতে হবে এবং এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা উপরে উল্লেখিত তৈলগুলো দিয়ে যোগ করে ভালোভাবে পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এবং এই পানির ভাপ নিতে থাকুন। ভাপ কিভাবে নিতে হয় এটি জানার জন্য উপরের আলোচনা পড়ে দেখুন। ওপরের আলোচনায় কিভাবে ভাপ নিতে হয় তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
রাতে কাশি থেকে মুক্তি পেতে আদার রস খান।কারণ আদার রসে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য যা হাপানি অথবা যে কোন ধরনের কাশি থেকে উপশম দেয়।আদার রস আপনি চায়ের সাথে পান করতে পারেন। অনেকের আবার রাতে চা পান করলে ঘুমানোর অসুবিধা দেখা দেয়।এক্ষেত্রে চায়ের বিকল্প গরম পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন।
সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url