অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় - ইনকাম করার সহজ উপায়

স্‌সালামু ওয়াআলাইকুম।শুরুতেই আপনাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছি এই প্রতিবেদনে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় অথবা ইনকাম করার সহজ উপায় সম্পর্কে থাবে বিস্তারিত আলোচনা।তাই যারা বর্তমান সময়ে ঘরে বসে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে জানতে চান তাদের জন্য এই আর্টিকেল।এই প্রতিবেদনের মধ্যে খুব সুন্দরভাবে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় - ইনকাম করার সহজ উপায়
অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলোকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সিং পেশা।এই ফ্রিল্যান্সিং এর মানে হচ্ছে মুক্ত পেশা। অর্থাৎ অনলাইন প্লাটফর্মে যে কেউ এসে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবে। অনলাইন প্লাটফর্মে আপনার দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলো সম্পর্কে জেনে নিন এই প্রতিবেদনের মধ্যে।

পেজ সূচিপত্রঃ অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় - ইনকাম করার সহজ উপায়

ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং কাজটিতে মূলত আপনার দরকার পড়বে একটি স্মার্ট ফোন অথবা কম্পিউটার অথবা একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ। ব্যাস আপনি এখন ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রস্তুত। আপনি যদি এক কথায় শুনতে চান যে ফ্রিল্যান্সিংকে তাহলে আপনাকে অবগত করার উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে বাসায় বসে থেকে কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোন দিয়ে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার একটি সেক্টর।

বর্তমান সময়ে ইনকাম করার পদ্ধতি তিন ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে চাকরি (জব) করা, আরেকটি হচ্ছে ব্যবসা করা এবং এই দুইটার বাইরে আরো একটি পদ্ধতি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ উপার্জন করা। ফ্রিল্যান্সিং কি এই ধাপে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে।

ধরুন আপনি মাস্টার্স কমপ্লিট করে অথবা ডিগ্রি অর্জন করেও কোন চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনি অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শেষ করে একটি চাকরির আশায় বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। কিন্তু আপনার কাঙ্খিত ফলাফল আসছে না। কিন্তু জীবনে টিকে থাকতে হলে অর্থ উপার্জন এর কোন বিকল্প নেই। যেভাবেই হোক আপনাকে হালাল পথে অর্থ উপার্জন করতেই হবে। আপনি অনেক চেষ্টা করেও কোথাও আপনার চাকরি ব্যবস্থা হচ্ছে না।

এখন আপনাকে তাহলে দ্বিতীয় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আর সেটা হচ্ছে ব্যবসা। এখন আপনার জন্য একটি পথ খোলা আছে আর সেটি হল ব্যবসার পথ আপনাকে বেছে নিতে হবে। তবে ব্যবসা করার জন্য নূন্যতম হলেও জমা পুঁজির প্রয়োজন পড়ে। এখন যদি কল্পনা করা যায় যে ব্যবসা করার মতো মূলধন আপনার কাছে নেই তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য ব্যবসার পথ খোলা নেই। অতএব আপনি ব্যবসা করতে পারলেন না।

এখন আপনার কাছে শুধু তৃতীয় পথটি খোলা আছে সেটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করা। আজ্ঞে হ্যাঁ, ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে আপনি চাকুরী অথবা ব্যবসার থেকে বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এমন একটি পেশা বা কাজ যেখানে আপনার  দক্ষতার উপরে আপনার ইনকাম নির্ভর করে। যদি আপনাকে জানিয়ে রাখি ফ্রিল্যান্সিং মানে হচ্ছে মুক্ত পেশা। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছা স্বাধীন অনুযায়ী কাজ করতে পারেন।

যেহেতু ইতিপূর্বে আপনাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি যে ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এদিকে আপনি একটি চাকরি হিসেবে ধরতে পারেন তবে পার্থক্য হচ্ছে এখানে আপনার কোন ধরা বাধা নিয়ম মেনে কাজ করতে হয় না। কাজের জন্য আপনার উপরে কেউ প্রেসার দিতে পারে না। আপনার সারাদিনে যখন ইচ্ছা তখনই আপনি কাজ করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি কাজে করার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট কোন স্থানে গিয়ে করতে হয় না। এই কাজে মূলত আপনার বাড়ি হচ্ছে আপনার অফিস। এখানে আপনি ঘরে বসেই বাইরের দেশগুলোর বিভিন্ন রকম যন্ত্রের সাথে বিভিন্ন ধরনের কাজ কাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যেহেতু আপনাকে আগেই বলেছি এই সেক্টরে আপনি চাকরি অথবা অবসর থেকে দ্বিগুণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন আর সেটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার দক্ষতার উপর।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবো

এতক্ষণ আপনি উপরের আলোচনার মাধ্যমে জানতে পারলেন যে ফ্রিল্যান্সিং জিনিসটা কি। এবার আপনি সব প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন এখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান। আপনার মনের সব থেকে বড় প্রশ্ন উঠতে পারে যে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব। শুধু আপনি না সকলের মনে প্রশ্ন জানতে পারে যে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করব। প্রতিবেদনের এই ধাপে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো কিভাবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসার পূর্বে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার কোন কাজটি ভালো লাগে। কোন কাজটির ওপর আপনি বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিজে থেকেই আপনাকে নির্বাচিত করতে হবে যে কোন কাজটি আপনার তারা হতে পারে অথবা কোন কাজটির উপর আপনার আগ্রহ সব থেকে বেশি। হ্যাঁ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আপনার যে কাজের উপর সব থেকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ পাবে আপনাকে সেই কাজটি বেছে নিতে হবে তাহলে ভবিষ্যতে আপনি এই পেশায় অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং পেশায় হাজারো রকমের কাজ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সচরাচর কমন যে কাজগুলো যেগুলো আমাদের আশেপাশে প্রায় মানুষ করে থাকে সেগুলো হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং নয়তো গ্রাফিক্স ডিজাইনিং আরো হচ্ছে একাউন্ট ক্রিয়েটিং আরো রয়েছে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট আরো আছে কনটেন্ট রাইটিং আরো আছে এডসেন্স ব্লগিং এবং আরও ইত্যাদি ইত্যাদি। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব এই ধাপে আমরা আপনাদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে অবগত করতে চাই আর সেটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসার পূর্বে আপনি এখানে কি কি কাজ হয় এবং কোনটা আপনাকে দিয়ে ভালো হবে এই বিষয়টি আগে নিশ্চিত করুন।

এই প্রতিবেদনের মধ্যে আমরা ধাপে ধাপে খুব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় কিভাবে আসবেন এবং সব কিছু  শুন্য থেকে কিভাবে শুরু করবেন তা আমরা আপনাদেরকে খুব সুন্দর ভাবে বলে দিয়েছি। অতএব পুরো প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। নতুনদের জন্য এই প্রতিবেদনটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তাহলে আমাদের মূল আলোচনা চলছিল ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব এই নিয়ে। যেহেতু আপনাদেরকে ইতিপূর্বেই অবগত করেছি যে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পূর্বে আপনাকে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। সর্বপ্রথম ধাপে আমরা ফ্রিল্যান্সিং কি সে সম্পর্কে জেনেছি এখন ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করব সে সম্পর্কে উপরের আলোচনার মাধ্যমে নিশ্চয়ই জেনে গেছি। আবার বলে রাখি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পূর্বেই আপনাকে খুঁজে নিতে হবে এর কাজের বিষয়ে এবং আপনাকে আপনার আগ্রহ অনুযায়ী যে কোন একটি কাজ বেছে নিতে হবে এবং সেটার উপর আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখব

এবার আসা যাক সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আর তা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখব এই প্রসঙ্গে। যেহেতু আপনারা ইতিপূর্বে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা কি এবং ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন সে সম্পর্কে অবগত হতে পেরেছেন। কিন্তু এখনো আপনার মনে একটা সবথেকে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে আর তা হচ্ছে আপনি সব ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করেছেন এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি তো আর একা একাই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন না তাই না?

এভাবে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো কোথায় গেলে আপনারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন অথবা ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনাদেরকে কি করতে হবে। সর্বপ্রথম খুব সহজভাবে আপনাদেরকে একটি কথা জানিয়ে রাখি যে বর্তমান সময়ে আপনারা যারা আর্টিকেলটি পড়ছেন তখন নিশ্চয় সময়কাল ২০২৩ পার হয়ে গেছে। অতএব আপনি এখন কতটা সুন্দর সময় বসবাস করছেন তা আপনি নিজেই জানেন না। আজ্ঞে হ্যাঁ কারণ আজ থেকে মাত্র ১০ বছর পূর্বেও এই ফ্রিল্যান্সিং পেশাটা এতটা সহজ ভাবে ছিল না।

কেউ চাইলে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় প্রবেশ করতে পারতো না। কারণ তখনকার সময় অনেক ব্যাকডেট ছিল। চাইলে সবকিছু হাতের নাগালে পাওয়া যেত না। তখন সবার বাসাতে কম্পিউটার তো দূরের কথা স্মার্ট ফোন থাকতো দুই একজনের হাতে। কিন্তু এখন সবকিছু হাতের নাগালে। কতটা আরামদায়ক সময় আমরা বসবাস করছি। চাইলে সবকিছু করতে পারি। অতএব নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং পেশায় ঢোকা বর্তমান সময়ে সামান্য বিষয় মাত্র। শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার কিনুন এবং ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা করুন এবং আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ শুরু করুন।

ফ্রিল্যান্সিং আপনি যেভাবে শুরু করবেন এর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে যে আপনি যেখানে বসবাস করেন আপনার আশেপাশে কোন প্রকার ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করায় অথবা ফ্রিল্যান্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে কিনা। আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ভালো ফ্রিল্যান্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করতে হবে। এবং এরকম একটি ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে আপনাকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনার নির্বাচিত কাজটির উপরে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় ধাপ। 

বর্তমান সময় আমাদের আশেপাশে এরকম বহু আইটি ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে। যারা একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট এর বিনিময়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করিয়ে থাকে। আপনি এ ধরনের প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করে ফ্রিল্যান্সিং জগতের কাজকাম শিখতে পারেন। 

বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা কত

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী অনুসন্ধান করে দেখা যাবে বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি যুবক ফ্রিল্যান্সিং পেশার প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। আর শুধু ছেলেরাই নয় বরং মেয়েরাও সমানভাবে ফ্রিল্যান্সিং পেশার সাথে জড়িত। কারণ বর্তমান বাংলাদেশে চাকরির অবস্থা একেবারে নেই বললেই চলে। একটি ছেলে অথবা মেয়ে যখন অনেক কষ্টে পড়ালেখা শেষ করে বেকার অবস্থায় বসে থাকে তখন জীবনের প্রতি তার বিষন্নতা তৈরি হয়।

কারণ আমরা সবাই লেখাপড়া করি জীবনে বড় কিছু হওয়ার জন্য। কিন্তু লাখ লাখ ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করেও বেকার অবস্থায় জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলাফল একটাই তারা কোন প্রকার চাকরি পাচ্ছে না। যাদের সামর্থ্য আছে তারা নিজ উদ্যোগে ব্যবসার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু যাদের ব্যবসা করার সামর্থ্য নেই এই ধরনের বেকারগ্রস্তরাই মূলত ফ্রিল্যান্সিং পেশা বেছে নেয়।

দিন দিন বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একদিকে মানুষ যেমন অনলাইনের উপর নির্ভরশীল হচ্ছে আরেক দিকে অনলাইনে বিভিন্ন কাজ কামের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। অতএব চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনার মনে হতে পারে যে ফ্রিল্যান্সিং জগতে তো অনেক কম্পিটিটর রয়েছে অনেক প্রতিযোগী রয়েছে। তাহলে কি আপনি এত শত প্রতিযোগীর মধ্যে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারবেন কিনা?

উত্তর হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন। কারণ এখানে আপনার চাকচিক্য দেখে কেউ আপনাকে জাজ করবে না। বরং এখানে আপনি আপনার নিজের দক্ষতা অনুযায়ী আপনার ব্যক্তিগত প্রোফাইল দার করাতে পারবেন। অতএব আপনি যত দক্ষ আপনার দাম তত বেশি।

ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে জনপ্রিয় সেক্টর কোনটি

ফ্রিল্যান্সিং জগতের বিভিন্ন কাজের সেক্টর নিয়ে ইতিপূর্বে আমরা আপনাদেরকে অবগত করেছি। কিন্তু তবুও প্রতিবেদনের এই ধাপে ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে জনপ্রিয় সেক্টর গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং মূলত এমন একটি পেশা বা কাজের জগত যেখানে জনপ্রিয় সেক্টর বলতে কিছু নেই। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন। এখন আপনাকে অনেকেই এসে বলতে পারে যে ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয় সেক্টর হচ্ছে এটা অথবা ওটা। কিন্তু এটার মানে এই নয় যে সবাই নির্দিষ্ট করে শুধু একটি কাজের পিছনে ছুটে।

যেহেতু আমরা আপনাদের ইতিপূর্বে জানিয়েছি ফ্রিল্যান্সিং জগতে হাজারো রকমের কাজ কাম রয়েছে। কিন্তু এখানে জনপ্রিয় সেক্টর বলতে বোঝানো হয়েছে, যে কাজগুলো বেশিরভাগ মানুষ করে থাকে অর্থাৎ যেই সেক্টরে প্রতিযোগী বেশি সেই সেক্টর গুলোকে মূলত মানুষ জনপ্রিয় সেক্টর বলে দাবি করে থাকে। কিন্তু এই ধারণা ভুল। কারণ সবাই চাই অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা ইনকাম করতে। সেই জন্যই মূলত এমন কিছু  সহজাত কাজগুলো বেছে নিয়ে সেগুলোর প্রতি মানুষ বেশি ঝুকে পড়ে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের সেক্টর গুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা লোগো ডিজাইন করা ডিজিটাল মার্কেটিং করা অ্যাড ইমপ্লিমেন্ট করা কন্টেন্ট রাইটিং এডসেন্স ব্লগিং করা বিভিন্ন সাইটে একাউন্ট ক্রিয়েটিং এর কাজ মাইক্রোসফট এক্সেল এর কাজ পাওয়ার পয়েন্ট এর কাজ ডাটা এন্ট্রির কাজ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এর কাজ ওয়েব কাস্টমাইজেশন এর কাজ এবং আরো ইত্যাদি একশো এক রকমের কাজ কাম রয়েছে।

এখন সবাই সবার নিজের দক্ষতা অনুযায়ী হাজারো কাজের মধ্যে থেকে একটি বেছে নিবে এবং সে অনুযায়ী সে তার পথ চলা শুরু করবে। অতএব ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয় কাজের সেক্টর বলতে নির্দিষ্ট কোন সেক্টর নেই। যেহেতু আপনাদেরকে শুরুতেই এই বিষয়ে অবগত করেছি যে বেশ কিছু সেক্টরের কাজ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কম্পিটিটার বেশি এবং প্রতিযোগিতা অনেক এ ধরনের সেক্টর গুলোকে মূলত মানুষ জনপ্রিয় সেক্টর বলে থাকে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url