মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় - mosha taranor upai - মশা তাড়ানোর উপায়
বর্তমান সময়ে যে হারে ডেঙ্গু রোগে মানুষ মারা যাচ্ছে, সেদিকে লক্ষ্য করলে
দেখা যায় এর পেছনে একমাত্র দায়ী হচ্ছে মশা। এজন্য মশা তাড়ানোর ঘরোয়া
উপায় সম্পর্কে সবারই জেনে রাখা উচিত। মশা নিধন একটি মারাত্বক সমস্যা হয়ে
দাড়িয়েছে।আপনারা মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে এই প্রতিবেদনটি
পুরোটা মনযোগ সহকারে পড়ুন। এই প্রতিবেদনে মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে তথ্য
উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিদ্রঃ- (মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় - mosha taranor upai - মশা তাড়ানোর উপায় ব্লগপোষ্ট) ছবি সংগৃহীত👆👆
আমরা খবরের কাগজে অথবা টেলিভিশন খুললেই দেখতে পায় প্রতিনিয়ত ডেঙ্গু রোগে মানুষ
মারা যাচ্ছে। আর এই ডেঙ্গু রোগের একমাত্র কারণ হচ্ছে মশা। এবং এই মশার
অত্যাচার ক্রমশই বাড়ছে। এই মশার কবল থেকে বাঁচার জন্য সরকার আমাদেরকে
বিভিন্নভাবে সচেতন করে যাচ্ছে। এই মশা দমন করার জন্য সরকারিভাবে
বিভিন্ন ধরনের মশা তাড়ানোর উপায় এর পদক্ষেপ এবং নিয়ম কানুন জারি করা
হয়েছে। এবং একই সাথে আমাদেরকেউ সচেতন হতে হবে।
কারণ মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় এই প্রতিবেদনের মধ্যে আমরা আপনাদেরকে মশার
হাত থেকে বাঁচার সকল উপায় গুলো জানিয়ে দেবো। মশার হাত থেকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
কমাতে মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আপনি জেনে নিতে পারেন। বেশ কিছু মশা
তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় রয়েছে।
এই প্রতিবেদনের মধ্যে মশা তাড়ানোর কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা
করা হবে। আপনারা মনোযোগ সহকারে পুরো প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কারণ আপনি
নিজে যতক্ষণ না সচেতন হবেন ততক্ষণ আপনি স্বাস্থ্যঝুঁকির আওতা ভুক্ত থাকবেন।
নিজেকে সচেতন হতে হবে এবং অন্য কেউ সচেতন করে তুলতে হবে। এবং মশা তাড়ানোর
উপায় সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে।
কারণ মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় এই প্রতিবেদনের মধ্যে আমরা আপনাদেরকে
মশার হাত থেকে বাঁচার সকল উপায় গুলো জানিয়ে দেবো। মশার কবল হতে বেঁচে থাকতে
তেমন কোন বড় কিছু করতে হয় না। মশার অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য আমরা মশা
মারার বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ব্যবহার করতে পারি। আমরা বিভিন্ন রকমের কয়েল
ব্যবহার করতে পারি।
কিন্তু সমস্যা হলে এসব কয়েল অথবা স্প্রের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক
কেমিক্যাল পদার্থ থাকে। যা আমাদের সবার জন্য ক্ষতিকর বিশেষ করে বাসায় বৃদ্ধ
লোকজন অথবা বাচ্চাদের উপর এসব রাসায়নিক পদার্থের বেশি প্রভাব পড়ে। তবে
মশার উপদ্রব কমানোর জন্য বেশ কিছু বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
যেহেতু এই প্রতিবেদনের মধ্যে মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় গুলো সম্পর্কে আলোচনা
করা হবে। সেহেতু আমরা এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো এমন কিছু
মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় যেগুলো আপনাদেরকে মশার কবুল হতে রক্ষা করবে। আপনার
বাসা বাড়ি থেকে মশার উপদ্রব কমানোর জন্য সন্ধ্যা নামার পূর্ববর্তী সময় হতে
দরজা জানালা সব বন্ধ করে রাখতে হবে। কারণ এরকম অনেক কিট-পতঙ্গ, পোকামাকর রয়েছে
যারা অন্ধকার থেকে আলোর টানে আলোর দিকে ছুটে চলে। আর মশাও এদের অন্তর্ভুক্ত।
মশা অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ফিরে আসে।
এইজন্যই বলা হয়ে থাকে যে সন্ধ্যা নামার পূর্ববর্তী সময়ই হতেই বাসা বাড়ির
জানালাগুলো বন্ধ রাখা উচিত যদি এমনটা না করা যায় তাহলে আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে
ঘরের প্রতিটি জানালা অথবা দরজায় নেট অথবা জাল ব্যবহার করুন। এতে করে বাসায়
মশা প্রবেশ করতে পারবে না। মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় এই প্রতিবেদনের মধ্যে
আমরা আপনাদেরকে মশার হাত থেকে বাঁচার সকল উপায় গুলো জানিয়ে দেবো।
আপনারা হয়তো খেয়াল করলে দেখতে পারবেন সারাদিন বাসা বাড়ির মধ্যে মশার উপদ্রব
তেমন একটা দেখা যায় না কিন্তু সন্ধ্যে নামার সঙ্গে সঙ্গেই মশার অত্যাচার
ক্রমশ বেড়ে যায়। এইজন্যই বাসা বাড়ির জানালার দরজায় এবং যেকোনো প্রকার
ভেন্টিলেশন সিস্টেমে নেট অথবা জাল ব্যবহার করুন যাতে মশা বাড়ির ভেতরে
প্রবেশ করতে না পারে।
মশা থেকে বাঁচার জন্য আমরা বেশিরভাগ সময় মশা মারার বিভিন্ন ধরনের স্প্রে অথবা
কয়েল বাজার থেকে কিনে এগুলো ব্যবহার করে থাকি। পক্ষান্তরে আমরা এটাও জানি যে
এগুলো আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু তবুও আমরা
এগুলো ব্যবহার করি মশার অতিষ্ঠতা থেকে বাঁচার জন্য। বলে রাখা ভালো মশা মারার
জন্য স্প্রে অথবা কয়েলের ধোঁয়া আমাদের ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই
লক্ষ্য রাখতে হবে মশার কবল থেকে বাঁচার জন্য এমন কিছু মশা তাড়ানোর উপায়
অবলম্বন করবেন যাতে আপনার পদ্ধতিটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত হয়ে থাকে।
বাসায় নবজাতক থাকলে কোনভাবেই মশা মারার স্প্রে অথবা কয়েল ব্যবহার করা যাবে
না।
এজন্য যা করতে হবে নবজাতকের জন্য সব সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।
নবজাতকের ঘরকে মসকিটোপ্রুফ করে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে মশার অত্যাচার কমানোর জন্য
প্রাকৃতিক সমাধান অবলম্বন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে একটি লেবু কেটে
ভিতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিতে হবে। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা গেঁথে
দিতে হবে এবং লবঙ্গের শুধু মাথার দিকের অংশ বাইরে বের করে রাখতে হবে। এবং সেই
লেবুর টুকরো গুলো একটি পাত্রে নিয়ে ঘরের বিভিন্ন কোনায় রেখে দিতে হবে। নিচের
চিত্রটি ফলো করুন👇👇👇
আপনারা সবাই কর্পূর নামের এক ধরনের বিশেষ তীব্র সুগন্ধি
সম্পন্ন দ্রব্য কে চিনেন। এটি অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আপনাদেরকে যা
করতে হবে এই কর্পূর ট্যাবলেট ছোট ছোট বাটি আকারের পাত্রে নিয়ে বাটিতে পানি
দিয়ে পূর্ণ করতে হবে এরপরে ঘরের বিভিন্ন কানায় কানায় সেই পাত্রগুলি রেখে
দিতে হবে। এতে করে যা হবে কর্পূরের সুগন্ধ ধীরে ধীরে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়বে।
এটা করার কারণ হচ্ছে মশা এই কর্পূর একদম সহ্য করতে পারেনা। এতে করে
বাসা বাড়িতে মশার আনাগোনা অনেক অংশে কমে যাবে।
কারণ মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় এই প্রতিবেদনের মধ্যে আমরা আপনাদেরকে
মশার হাত থেকে বাঁচার সকল উপায় গুলো জানিয়ে দেবো। মশার অত্যাচার থেকে
নিস্তার পেতে হলে আপনাকে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বেশ কিছু
নির্দেশনা মেনে চললে আপনি নিজেই মশার বংশবিস্তার রোধ করতে
পারবেন।
খেয়াল রাখুন আপনার বাড়ির আশেপাশে যদি বিল্ডিং কন্সট্রাকশন এর অথবা নতুন
বাড়ি তৈরি হচ্ছে এরকম স্থানে কোন প্রকার আবদ্ধ পানি রয়েছে কিনা। যদি থেকে
থাকে তাহলে সেই পানি নিষ্কাশন করুন। আপনার বাসা বাড়ির আশেপাশে কোথাও
পরিত্যক্ত অবস্থায় পানি জমে থাকলে সেগুলো অপসারণ করুন। কারণ মশা জমে থাকা
স্থির পানিতে ডিম পাড়ে। আপনার বাসার আনাচে-কানাচে ঝোপ জঙ্গল অথবা আবর্জনা
পরিষ্কার করে রাখুন। মশা এসব ঝোপঝার আবর্জনার মধ্যে অবস্থান করে, এবং দিনের
আলো শেষ হলে এরা আপনার বাসা বাড়িতে হানা দেয়।
মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় গুলোর মধ্যে নিয়মগুলি অনুসরণ করুন। মশার উপদ্রব
কমাতে অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন আপনার বাসার আশেপাশে ড্রেন অথবা নালা যেন সচল থাকে।
কারণ এসব ড্রেন অথবা নালার জমে থাকা পানির আবদ্ধতায় মশা সবথেকে বেশি এবং
দ্রুত বংশ বিস্তার করে থাকে। যদি আপনার বাসার আশেপাশের ড্রেন অচল অবস্থায় থাকে
তাহলে দ্রুত সিটি কর্পোরেশনে দরখাস্ত দিয়ে তা সচল করার ব্যবস্থা
করুন।
কারণ মশা তাড়ানোর ঘরোয়া উপায় এই প্রতিবেদনের মধ্যে আমরা আপনাদেরকে
মশার হাত থেকে বাঁচার সকল উপায় গুলো জানিয়ে দেবো। আপনার বাসার আশেপাশের পচা
ডোবা পরিষ্কার রাখুন অথবা তা ভরাট করে ফেলুন। আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে
কোথাও যেন সামান্য পরিমাণে হলেও আবদ্ধ অবস্থায় জমে থাকা পানি না থাকে।
অবশ্য আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে ডেঙ্গু মশা কিন্তু পরিষ্কার পানিতে ডিম
পারে। জন্যই আমরা উপদেশ দিচ্ছি সকল ধরনের জমে থাকা পানি নিঃসরণ করার
জন্য।
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url