আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - akheri chahar somba mane ki
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি?? বর্তমান মুসলিম ্সমাজের অধিকাংশ মুসলিম
নর-নারী গন এটা জানেন না। একজন মুসলিম জাতি হিসেবে আখেরি চাহার সোম্বা মানে
কি সে সম্পর্কে অবশ্যই অবগত থাকা উচিত। আখেরি চাহার সোম্বা শব্দের অর্থ হচ্ছে
হিজরী সনের সফর মাসের শেষ বুধবার। এখন আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি এটা
হয়তো জানতে পারলেন কিন্তু আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে এই আখেরি চাহার সোম্বা কেন
পালন করা হয়? আর এর তাৎপর্যয় বা কি? আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি
প্রকৃত অর্থে এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারবেন।
বিদ্রঃ- (আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - akheri chahar somba mane ki) ব্লগপোষ্ট। ছবি-সংগৃহীত👆👆
যেহেতু আখেরি চাহার সোম্বা একটি ইসলামিক দিবস। তাই প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর উচিত আখেরি চাহার সোম্বা সম্পর্কে অবগত থাকা। আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি? আখেরি চাহার সোম্বা কেন পালন করা হয় এবং আখেরি চাহার সোম্বার ইতিহাস কি এগুলো সব আপনি জেনে নিতে পারবেন এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে।চলুন তাহলে আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।👇👇পেইজ সুচিপত্রঃ- আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - (akheri chahar somba mane ki)
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - (akheri chahar somba mane ki) ভুমিকা
এই পৃথিবীতে যত মুসলমান রয়েছে সে সকল মুসলমানগণ শুধুমাত্র একটি মানুষকেই অনুসরণ
করে চলে আর তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা
সকলেই তার উম্মত। নিশ্চয় আমরা আমাদের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি হুজুর পাক
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে। এই প্রসঙ্গ বলার কারণ হচ্ছে আজকের
আলোচ্য বিষয়টি আখেরি যাহার সম্বা মূলত হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামকে ঘিরেই রচিত একটি বিষয়বস্তু।
এই আখেরি চাহার সোমবার পালন করার বিধান নিয়ে অনেক মতবাদ রয়েছে। আখেরি
যাহার সম্ব সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে বিস্তারিত ঘটনার উদঘাটন করার
প্রয়োজন পড়বে। আপনাকে আখেরি যাহার সোমবার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। যেহেতু
ইল্ম (জ্ঞ্যান) অর্জন করা,মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আমাদের ওপর ফরজ করে
দিয়েছেন। অর্থাৎ সকল বিষয়ের উপরে যদি আমরা জ্ঞান অর্জন করতে পারি তাহলে আমাদের
ঈমান নষ্ট হওয়া অথবা নিজেদের পথভ্রষ্ট হওয়ার কোন আশঙ্কা থাকে না।
সুতরাং ইসলামের কোন বিষয়গুলো পালন করতে হবে এবং কোন বিষয়গুলো পালন করা বিদআত সে
সম্পর্কে আমাদের যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে
যে ইসলামে পালিত এইসব ইসলামিক দিবসগুলোর মধ্যেও কি বিদাত রয়েছে
কিনা। উত্তর হ্যাঁ,ইসলামে এমন কিছু দিবস রয়েছে যা পালন করা বিদআত।
আবার এমন কিছু দিবস হয়েছে যেগুলো পালন করার পদ্ধতি গুলো বেদাত। আর বিদআত
করা একটি মারাত্মক গুনাহের কাজ।
আরো পড়ুনঃ- আখেরি চাহার সোম্বার নামাজ (আমল) সম্পর্কে জেনে নিন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদআত সম্পর্কে বলেন
আমার শিখিয়ে দেওয়া পদ্ধতির বাইরে যেকোনো কাজ হচ্ছে বিদাত। অর্থাৎ রাসুল
পাকের দেখানো পথের বাইরে নতুন কিছু যোগ করাই হচ্ছে বিদআত। আর বিদআত হচ্ছে অতি
সূক্ষ্ম গুনাহ। কারণ আপনি সারা জীবন একটি বিদাতি কাজকে ইবাদত মনে করে করতে থাকবেন
অথচ নেকির পরিবর্তে গুনাহ হতে থাকবে। এবং সে সম্পর্কে আপনি বিন্দুমাত্র টের পাবেন
না। সুতরাং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে বিদআতি কাজকর্ম থেকে
রক্ষা করুক।
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - (akheri chahar somba mane ki)
আখেরি চাহার সোম্বা, শব্দটির প্রকৃত অর্থ হচ্ছে সফর মাসের শেষ বুধবার। যদি
বিস্তারিত বলতে হয় তাহলে আখেরি চাহার সোম্বা এটি আরবি এবং ফারসি শব্দের
সংমিশ্রণে গঠিত একটি বাক্য। আখেরি চাহার সোম্বা এর প্রথম "আখেরি"
শব্দটি হচ্ছে একটি আরবি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে (শেষ) এবং
দ্বিতীয় শব্দটি " চাহার" এটি একটি ফারসি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে (সফর
মাস) এবং শেষের শব্দটি "সোম্বা" যার অর্থ হচ্ছে (বুধবার) অতঃপর
(আখেরি চাহার সোম্বা) মানে হচ্ছে (সফর মাসের শেষ বুধবার)।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের দ্বারপ্রান্তের
একটি ঘটনা হচ্ছে এই আখেরি চাহার সোম্বা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইন্তেকালের আগে বেশ লম্বা সময় যাবৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
এবং যখন তিনি সুস্থতা লাভ করেছিলেন সে সময় ছিল হিজরী সনের সফর
মাস। এবং আনুমানিক দিনটি ছিল এই সফর মাসের শেষের বুধবার। একটা লম্বা
সময় অসুস্থ থাকার পর সামান্য কিছু সময়ের জন্য সুস্থতা লাভ করেছিলেন। এবং
পরে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন এরপর তিনি আর সুস্থ হন নি অতঃপর তিনি ইন্তেকাল
করেন।
এরপর থেকে মূলত কিছু মানুষ সফর মাসের শেষের বুধবারকে আখরি চার সম্বা হিসেবে
অনুমোদন দিয়ে এই দিবসকে ঘিরে অনেক বিদাতি এবং কুসংস্কার চালু করে ফেলেছে।
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - আখেরি চাহার সোম্বার ইতিহাস
আখেরি চাহার সোমবার ইতিহাস হচ্ছে (ইবনে ইসহাক) তাহার সিরাত গ্রন্থে উল্লেখ
করেছেন যে আমাদের প্রিয় নবী হুজুরপাক (সাঃ) সফর মাসের শেষের দিকে
প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। বাকিউল গারকাদ নামক স্থানে ( কবরস্থানে)
সে সময় তিনি কোন এক রাতে গিয়ে সেখানে মৃত ব্যক্তিদের জন্য মোনাজাত করেছিলেন।
এবং শেষ রাতে ঘরে ফিরে আসার পর ভীষণ রকম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এটি ছিল
হুজুর পাক (সাঃ) এর জীবনের শেষ অসুস্থতা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এই অসুস্থতা সম্পর্কে
টেনে অবগত ছিলেন যে এটি তার পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার অসুস্থতা। এই বিষয়
সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানা যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর
মুক্ত ক্রীতদাস হিবার বক্তব্য থেকে। তিনি বলেন যে রাতে রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরস্থানে জিয়ারত করার জন্য গিয়েছিলেন
সেই রাতে তিনি তার সাথে ছিলেন।
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখে বললেন
আল্লাহ তাআলা আমাকে দুটি বিষয়ের মধ্যে থেকে যে কোন একটি বিষয় পছন্দ করতে
বলেছেন। প্রথমটি হচ্ছে এই জগতের সকল ধনবান ঘরের চাবি এবং দীর্ঘমেয়াদি জীবন এবং
আরেকটি হচ্ছে জান্নাত। অর্থাৎ এখান থেকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম
অবগত হতে পেরেছিলেন যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তার প্রিয় রাসুলকে তার
সান্নিধ্যে নিতে চাচ্ছেন।
অতঃপর হিবা বললেন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রথমটি
পছন্দ করার জন্য অনুরোধ করলাম কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন আমি দ্বিতীয়টি পছন্দ করেছি। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়ার মোহমায়া ত্যাগ করে আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যকে
প্রাধান্য দিয়েছিলেন।
অতঃপর তিনি ভীষণ রকম অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অধিকাংশ সময়
তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়তেন। বিভিন্ন রকম চিকিৎসা করার পরেও
কোনভাবেই তার অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছিল না। এরকম অবস্থার মধ্যে হঠাৎ একদিন
তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পেরেছিলেন তবে তা খুব
অল্প সময়ের জন্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সুস্থতা দেখে সকলে
আনন্দের দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলো এবং তারা সকলে একজন আরেকজনকে সেই সুসংবাদ
পৌঁছে দিচ্ছিল।
উল্লেখ রয়েছে যে এই খুশিতে অনেকেই তাদের সাধ্য অনুযায়ী বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে
দান সদকা করেছিলেন। হযরত আবু বকর (রা:) ৫০০০ দিরহাম গরিব দরিদের মাঝে দান
করেছিলেন এবং হযরত ওমর (রাঃ) ৭০০০ দেরহাম অসহায় মানুষদের মাঝে দান করেন
এবং আরেকটি বর্ণনা রয়েছে হযরত আব্দুর রহমান বিন আউফ (রাঃ) আল্লাহ তাআলার
সন্তুষ্টি লাভের আশায় ১০০ টি উট দান করেছিলেন।
আখেরি চাহার সোম্বা পালন করার বিধান কি??
এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যে আখেরি চাহার সোম্বা পালন করার বিধান
কি? যেহেতু আমাদের সমাজে আখেরি চাহার সোম্বা এই দিবস টি কে কেন্দ্র
করে বিভিন্ন ধরনের বিদআতি কাজকর্ম প্রচলিত রয়েছে। এ সকল অনুষ্ঠান পালন করার
বিধান ইসলামে রয়েছে কিনা তা সম্পর্কে অবগত হওয়া আমাদের একান্ত কর্তব্য। কারণ
ভুলবশত এমন কোন কাজ যেগুলো আমরা করছি তা হাদিসের বাইরে মনগড়া অথবা কুসংস্কার
আচ্ছন্ন হয় তাহলে সেটি অবশ্যই আমাদের জন্য বড় ধরনের গুনাহের কারণ হয়ে
দাঁড়াবে।
তাই যেকোনো ধরনের আমল অথবা দিবস পালনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদেরকে ইসলামের
বিধি-বিধান মেনে হাদিস কোরআনের আলোকে এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দেখানো পথ
অনুযায়ী করতে হবে। এমন কোন কাজ করা যাবে না বা এমন কোন আমল করা যাবে না যার
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) করেননি এবং করতেও আদেশ করেননি। যদি আমরা তা করে থাকি
তাহলে একটি বিদআত বলে গণ্য করা হবে।
কেয়ামত দিবসে যখন কোথাও এক ফোটা ও পানি অবশিষ্ট থাকবে না তখন শুধু
হাউজে কাউসারের পানি থাকবে। এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সেই হাউজে কাউসারের
সামনে দাঁড়িয়ে তার উম্মতদেরকে পানি পান করাতে থাকবে। এমত অবস্থায় হঠাৎ রাসূল
পাকের এবং তার উম্মতদের মাঝখানে পর্দা পড়ে যাবে। এবং এমনটা হওয়ার কারণ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জানতে চাইলে তাকে বলা হবে আপনার এই
উম্মতগণের নসিবে হাউজে কাওসারের পানি নেয়। কারণ আপনার ইন্তেকালের পর এরা
আপনার দেখানো পথের বাইরে নিত্য নতুন আমল এবং কুসংস্কার যোগ করেছে এবং
আপনার সুন্নত পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই
সাল্লাম বলবেন দূর হও তোমরা দূর হও।
তবে এই হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারি বেদাতি কাজ কতটা ভয়ানক হতে পারে। আমরা
ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি যে আখেরি চাহার সোম্বা দিবসটি সম্পূর্ণ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতার ঘটনাটিকে
কেন্দ্র করে। মৃত্যুর ৫ দিন পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর দেহ মোবারক প্রচন্ড উত্তাপ জ্বর এবং মাথাব্যথা প্রচুর
পরিমাণ বেড়ে যায়। এরকম প্রচন্ড অসুস্থতার মাঝখানে তিনি বারবার জ্ঞান
হারিয়ে ফেলছিলেন। অতঃপর তার মাথায় পানি ঢালা হলে তিনি একটু সুস্থ বোধ করেন
এবং মসজিদে গিয়ে জোহরের সালাত আদায় করেছিলেন এবং মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ভাষণ
দিয়েছিলেন। (বুখার- ৪৪৪২) (ইবনু হিশাম- ২/৬৪৯)
তবে এই দিবস কে ঘিরে যে অনুষ্ঠানের প্রচলন ঘটানো হয়েছে এই অনুষ্ঠানের কোন
ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইন্তেকালের পর সাহাবীগণ এ রকমের কোন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বা তার
পরবর্তীকালে কোন প্রজন্ম এ ধরনের অনুষ্ঠান পালন করেননি। তবে পরবর্তীতে কিছু
বিদআতিদের মাধ্যমে এ ধরনের অনুষ্ঠানের প্রচলন ঘটা শুরু হয়। ইসলামে
বহির্ভূত যেকোনো ধরনের কাজকর্ম আমাদেরকে পরিহার করে চলতে হবে।
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি - (akheri chahar somba mane ki) শেষ কথা
আখেরি চাহার সোমবার সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নসিহত হচ্ছে আখেরি চাহার
সোম্বা পালন করার কোন বিধান আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় নাই। আরে এই
প্রতিবেদনটি আপনি সম্পূর্ণ পড়ে থাকলে এতক্ষণে নিশ্চয়ই জেনে গেছেন আখেরি
চাহার সোম্বার ইতিহাস এবং তাৎপর্য সম্পর্কে। আমাদের আজকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি এই বিষয়টি নিয়ে। অতএব এখন আশা করা যায়
আখেরি চাহার সোম্বা মানে কি আপনারা বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। ধন্যবাদান্তে
(এ্যসগার্ড ডট কম)
পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়
comment url