আখেরী চাহার সোম্বা কবে - আখেরী চাহার সোম্বা কি

বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কি সরকারি ছুটি কিনা জানতে নিচের কালো বক্সে ক্লিক করুন।👇
এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হবে চলতি বছর ২০২৩ সালে আখেরী চাহার সোম্বা কবে অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছর ২০২৩ সালে মূলত আখেরি চাহার সোম্বা আসন্ন। আখেরী চাহার সোম্বা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক দিবস। প্রতিবছরের ন্যায় অনেকেই জানতে চেয়েছে চলতি বছর আখেরী চাহার সোম্বা কবে কোন দিন অনুষ্ঠিত হবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক আসন্ন আখেরী চাহার সোম্বা কি এবং কবে অনুষ্ঠিত হবে সে সম্পর্কে।
আখেরী চাহার সোম্বা কবে - আখেরী চাহার সোম্বা কি
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট। তথ্যচিত্র- সংগৃহীত👆👆
এখানে আপনারা শুধু আখেরি চাহার সম্বা কবে অনুষ্ঠিত হবে এই সম্পর্কে নয় বরং আখেরী চাহার সোম্বা কি এবং কেন পালন করা হয় সে সম্পর্কেও অবগত হতে পারবেন। আখেরী চাহার সোম্বা মূলত একটি ইসলামিক দিবস। আখেরী চাহার সোম্বা কবে ২০২৩ এবং আখেরী চাহার সোম্বা কি চলুন জেনে নেয়া যাক।বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇

পেইজ সূচিপত্রঃ- আখেরী চাহার সোম্বা কবে - আখেরী চাহার সোম্বা কি

আখেরী চাহার সোম্বা কবে ২০২৩

বাংলাদেশের আকাশে চলতি বছর ২০২৩ সালের ১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার ১৪৪৫ হিজরী বর্ষের সফর মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। যার ফলে চলতি বছর ২০২৩ সালের আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ শুক্রবার থেকে পবিত্র সফর মাসের গণনা  শুরু হয়েছে। সেই অনুযায়ী ১৪৪৫ হিজরীর সফর মাসের আগামী ২৭ তারিখ ইংরেজি মাসের ১৩ই সেপ্টেম্বর বুধবার পবিত্র আখেরী চাহার সোম্বা  পালিত হতে যাচ্ছে।
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
বাইতুল মোকাররম সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে তুই চাঁদ দেখা কমিটির উক্ত সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। উক্ত সভায় সভাপতি করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু.আ. হামিদ জামাদ্দার। এই সভায় ১৪৪৫ হিজরী সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে যে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্যসূত্র নিয়ে পর্যালোচনা করা হয় সেগুলো হচ্ছে সকল জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল কার্যালয় গুলো, এবং দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান ও মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র।
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
এই সভায় যে সকল ব্যক্তিবর্গগণ উপস্থিত ছিলেন তারা হচ্ছে যথাক্রমে, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান প্রমু্‌খ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলীয়ার অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রশিদ, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ নিয়ামতুল্লাহ্‌, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জলিল, বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোঃ রুহুল আমিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ডক্টর মোহাম্মদ বশির উল আলম।

আখেরী চাহার সোম্বা কি

আখেরী চাহার সোম্বা হচ্ছে ইসলামী ধর্মাবলম্বীদের পালিত অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি সম্মানিত দিবস। আখেরী চাহার সোম্বা শব্দটি মূলত আরবি ও ফার্সি শব্দের সংমিশ্রণে তৈরি একটি নাম। আখেরি চাহার সোম্বা দিবসটির নামের প্রথম অংশ (আখেরি) যা একটি আরবি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে "শেষ" এবং (চাহার) একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে সফর মাস এবং (সোম্বা) একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে বুধবার। আখেরী চাহার সোম্বা শব্দটির সম্পুর্ণ বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় (সফর মাসের শেষ বুধবার)।
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
ঘটনার সূত্রপাত ১১ হিজরির শুরুতে যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ক্রমশতার শরীরের অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ইসলামিক ইতিহাস অনুযায়ী তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে তার পক্ষে নামাজের ইমামতি করা পর্যন্ত সম্ভব হয়ে উঠছিল না। অতঃপর তিনি সফর মাসের ২৮ তারিখে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন এবং তথ্যসূত্র অনুযায়ী সেই দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার।
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
এই দিনে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কিছুটা সুস্থতা লাভ করেছিলেন এবং শেষবারের মতো গোসল করেন নামাজে ইমামতি করেছিলেন। পুরনোদিন আমার সেই খবর শুনে খুবই আনন্দ ও খুশিতে আত্মহারা হয়ে দলে দলে ছুটে গেলেন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে এক নজর দেখার জন্য। তারা সকলে তাদের সাধ্য অনুযায়ী দান সদকা করলেন এবং শুকরিয়া স্বরূপ নফল নামাজ আদায় করেছিলেন এবং দোয়া করেছিলেন। 
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর রোগ মুক্তিতে সাহাবায়ে কেরামরা তাহার অনুসারীগণরা এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে তাদের মধ্যে কেউ কেউ দাস মুক্ত করে দিয়েছিলেন কেউবা আবার নগদ অর্থ এবং উট উঠ দান করেছিলেন। হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ) ৫ হাজার দিরহাম এবং হযরত ওমর (রাঃ) ৭ হাজার দিরহাম এবং হযরত ওসমান (রাঃ) ১০ হাজার দিরহাম এবং হযরত আলী (রাঃ) ৩ হাজার দিরহাম এবং হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) ১০০ টি উট দান করেন।
বিদ্রঃ-আখেরী চাহার সোম্বা কবে ব্লগপোষ্ট পড়ুন👇👇👇
এটি ছিল হুজুর পাক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর ইন্তেকালের কয়েকদিন আগের ঘটনা।পরবর্তিতে তিনি আবারও অসুস্থ্য হয়ে যান এবং তিনি আর সুস্থ্যতা লাভ করেন নি। তারপর তিনি ১২ই রবিউল আওয়াল ইন্তেকাল করেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url