বৃষ্টির পানির উপকারিতা - বৃষ্টির পানির গুণাগুণ

আজকের বিস্তারির আলচনা থাকবে বৃষ্টির পানির উপকারিতা সম্পর্কে।যেহুতু ২০২৩ সালের বৃষ্টির মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানির উপকারিতা, বৃষ্টির পানির গুণাগুণ সম্পর্কে অনেকেরই মনে প্রশ্ন থাকে।অনেকেই জানতে চান যে বৃষ্টির পানির উপকারিতা আছে কি না।এখানে বৃষ্টির পানির গুণাগুণ এবং বৃষ্টির পানির কোন ক্ষতিকর দিক আছে কিনা সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

বৃষ্টির পানির উপকারিতা - বৃষ্টির পানির গুণাগুণ
বৃষ্টির আমাদের সবারই পছন্দ।সবারই মন চায় বৃষ্টিতে ভিজতে।ঝুম বৃষ্টি সকলের মনের আনন্দের রেশ ছড়ায়।সকল ক্লান্তি ধুয়ে দিয়ে প্রকৃতি এবং প্রকৃতির সকলকে প্রানবন্ত করে তুলে।কিন্তু প্রশ্ন হলো এই বৃষ্টী কতটুকু উপকার?? আর এর ক্ষতিকর দিকগুলই বা কি কি??বৃষ্টির পানির উপকারিতা কি বৃষ্টির পানির গুণাগুণ আছে কি???এই সকল প্রশ্নের উত্তর মিলবে এই  আর্টিকেলের মধ্যে। পড়া চালিয়ে যান.........

পেইজ সূচিপত্রঃ- বৃষ্টির পানির উপকারিতা - বৃষ্টির পানির গুণাগুণ

বৃষ্টির পানির উপকারিতা - বৃষ্টির পানির গুণাগুণ

বৃষ্টির পানির অনেক উপকারিতা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক একটি গবেষণার ফলাফলের দাবি হচ্ছে বৃষ্টির পানি পান করা সব থেকে নিরাপদ। কারণ বৃষ্টির পানিতে কোন প্রকার বর্জ্য পদার্থ থাকে না। বৃষ্টির পানি পান করার ক্ষেত্রে অনেক উপকারিতার লক্ষ্য করেছেন বিজ্ঞানীরা।পড়া চালিয়ে যান∙.👇👇👇👇👇

বৃষ্টির পানি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। বৃষ্টির পানিতে রয়েছে অ্যালকালাইন নামক ph যা এসিডিটির সমস্যা কমিয়ে আনে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

বৃষ্টির পানি হচ্ছে রাসায়নিক মুক্ত প্রাকৃতিক পানি। অন্যান্য পানি জীবানু মুক্ত করতে ক্লোরিন ব্যাবহৃত হয়। অতিরিক্ত ক্লোরিন পেটে প্রবেশ করলে গ্যাস্ট্রাইটিস, এবং মাথা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে এগুলো কোন কিছু থাকে না।

বৃষ্টির পানিতে অ্যালকালাইন ph ক্যান্সার রোগীদের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর কাজ করে থাকে।, এটি ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি প্রক্রিয়া বন্ধ করে। তাই বলা যায় বৃষ্টির পানি ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে।

ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেটের রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই থেকে তিন চামচ বৃষ্টির পানি পান করার উপদেশ দেওয়া হয়ে থাকে। কারণ পাকস্থলীতে এসিডিটি অথবা আলসারের মতন রোগ থাকলে বৃষ্টির পানি ঔষধের ভূমিকা পালন করে থাকে। এবং পাকস্থলী সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে

চুলের যত্নে বৃষ্টির পানি অনেক উপকারি। বৃষ্টির পানিতে কোন প্রকার রাসায়নিক পদার্থ না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি অত্যন্ত কোমল।চুলের ক্ষত্রে বৃষ্টির পানি অনেক উপকারি হিসেবে প্রমানিত।

বৃষ্টির পানি আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। বিজ্ঞানীদের মতে বৃষ্টির পানি ত্বক সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। কারণ বিজ্ঞানীদের মধ্যে বৃষ্টির পানির মধ্যে কোন প্রকার কেমিক্যাল থাকে না।

বৃষ্টির পানি ত্বকের উপরের বাসা বাঁধে এরকম বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এবং বৃষ্টির পানি ত্বকের ক্ষত পরিস্কার করতেও খুব ভালো ভূমিকা পালন করে।

কাপড় চোপড় ওয়াশ করার ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি অনেক ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। বৃষ্টির পানিতে কোন প্রকার লবণ না থাকার দরুন ডিটারজেন্ট পাউডার মিশ্রিত করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

বৃষ্টি হলে প্রকৃতি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার হয়ে যায়। বৃষ্টি হওয়ার পর পরিবেশে জলীয় বাষ্প বেড়ে যায় যার ফলে প্রকৃতিতে অবস্থিত বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুর কর্ম ক্ষমতা কমে আসে। বৃষ্টি হওয়ার পর প্রকৃতি থেকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যায়।

বৃষ্টির পানিতে মাথা ভেজালে মাথার স্ক্যাল্পে থাকা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের নাশ করে। মাথার খুশকি দূর করতে বৃষ্টির পানি দারুন ভূমিকা পালন করে। বৃষ্টির পানি চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

বৃষ্টির পানি কানের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। কানের ব্যাথা ও ইনফেকশন সারাতে বৃষ্টির পানি কার্যকারি ভূমিকা পালন করে থাকে।

বৃষ্টির পানিতে কোন এসিড থাকে

বৃষ্টির পানিতে সালফিউরিক এসিড থাকে। এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 4 বা তারও কম হয়।কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে।

বৃষ্টির পানি পান করা যাবে কি না 

আমাদের শরীরের টক্সিন নামক পদার্থ থাকে যা ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে নিঃসরণ হয়। বৃষ্টির পানি পান করার মাধ্যমেও এই টক্সিন শরীর থেকে অপসারণ ঘটে। বৃষ্টির পানি পান করার মাধ্যমে পাকস্থলীর হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। বৃষ্টির পানি মানব শরীরের রক্তের পিএইচ লেভেল স্বাভাবিক অবস্থায় রাখে।

বৃষ্টির পানি পান করার মাধ্যমে পেটের এসিডিটির সমস্যা কমে আসে। পেটের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে বৃষ্টির পানি সাহায্য করে থাকে।

বৃষ্টির পানিতে কি কি উপাদান থাকে

বিভিন্ন জীবাশ্ম জালানী যেমন তেল-কয়লা-প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি দহনের ফলে সালফার অক্সাইড ( so2 ) এবং নাইট্রৈজেনের ( N )  বিভিন্ন অক্সাইড বাতাসের জলীয়বাষ্প ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সাথে সংযুক্ত হয়ে সালফিউরিক এসিড-নাইট্রিক এসিড এবং আরও অন্যান্য দূষণকারী পদার্থ সৃষ্টি করে।

এই দূষণকারী এসিডীয় পদার্থগুলো বায়ুমন্ডলের উপরের স্তরে পৌছে যায়।এবং পরে বৃষ্টির সাথে, তুষারপাত, এবং কুয়াশার সাথে এগুলো মিশে যায়।


বৃষ্টির পানিতে গোসলের উপকারিতা

আমরা জানি বৃষ্টির পানির উপকারিতা রয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে গোসল করারও অনেক উপকারিতা রয়েছে।বেশিরভাগ মানুষের মনেই আশংকা থাকে যে  বৃষ্টিতে ভিজ্জলে হয়তো সমস্যা হতে পারে যেমন জ্বর-সর্দি-হাচি-কাশি ইত্যাদি।কিন্তু এই সমস্যা গুলো হয় মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে।অর্থাৎ  অতিরিক্ত সময় বৃষ্টিতে ভেজা উচিত না।


বৃষ্টির পানিতে বেশিক্ষন ভেজা শারীরিক অসুস্থ্যতার কারণ হতে পারে।বৃষ্টির পানি এমনিতে ঠান্ডা তার সাথে বাতাস দুই মিলে শরীর অসুস্থ্য হয়ে পরে।আবার খুব কম স্যংখ্যক মানুষের এ্যলার্জির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।তবে নিয়ম মেনে বৃষ্টির পানিতে গোসল করলে উপকারিতা অনেক। এখানে বৃষ্টির পানিতে গোসলের উপকারিতা বর্ণ্না করা হয়েছে 👇👇👇


চুলের যত্নে বৃষ্টির পানিঃ স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য বৃষ্টির পানি উপকারিতা রয়ছে । প্রাকৃতিক ভাবে অ্যালকালাইন থাকার দরুন চুলের ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে।মাথার স্ক্যাল্পের জমা খুস্কি দূর করে।স্ক্যাল্পে থাকা বিভিন্য ছত্রাক- ব্যাক্টেরিয়া দূর করে।তাই প্রতিদিন বৃষ্টির পানিতে গোসল করতে পারলে চুল অনেক প্রানবন্ত হয়ে উঠে।তবে বিশেষজ্ঞ দের মতে বৃষ্টির পানিতে গোসল করার পর মাথা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত।


ত্বকের সৌন্দর্যতাই বৃষ্টির পানিঃ ত্বকের সৌন্দর্যতাই বৃষ্টির পানির উপকারিতা রয়ছে গবেষণায় দেখা গেছে ভারি বর্ষণের সময় প্রকৃতির যে জলীয়বাষ্প থাকে সেটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি।বৃষ্টি হওয়ার পর প্রকৃতিতে জলীয়বষ্প বেড়ে যায় এর ফলে প্রকৃতিতে উপস্থিত সব ধরনের জীবাণুর কার্যক্ষমতা কমে যায় যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে অনেক উপকারি। আমাদের ত্বক নমনীয় হয়ে উঠে। 


বৃষ্টির পানিতে ভিটামিনঃ বৃষ্টির পানিতে গোসল করলে খুব স্বল্প পরিমানে ভিটামিন বি১২ পাওয়া জেতে পারে।বৃষ্টির পানি অনেক নমনীয় এবং অ্যালকালাইন পিএইচ সমৃদ্ধ। বৃষ্টির পানিতে খুব সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি ১২ পাওয়া যেতে পারে। এটি ঘটে থাকে প্রকৃতিতে থাকা বিভিন্ন অণুজীবের কারণে। যেহেতু বৃষ্টির পানি একটি প্রাকৃতিক পানি। আর আমরা জানি প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরনের অণুজীব ঘুরে বেড়ায়। এই অনুজীব গুলোর মধ্যে কিছু ব্যাকটেরিয়া বায়োসিন্থেসিসের সময় বায় প্রোডাক্ট হিসেবে ভিটামিন বি ১২ উৎপন্ন করে থাকে।


দেহের টক্সিন দূর করতেঃ গবেষণায় দেখা গেছে বৃষ্টির পানি শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।এজন্য বৃষ্টির পানি পান করতে হবে।বৃষ্টির পানি পান করলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।রক্তের পিএইচ এর লেভেলকে সঠিক রাখে।অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর হয়।

শ্বাসপ্রশ্বাসের উন্নতি ঘটায়ঃ শ্বাসপ্রশ্বাসের উন্নতি করতে বৃষ্টির পানির উপকারিতা রয়েছে। বৃষ্টি হলে প্রকৃতি ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যায়।এ সময় বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যায়। এটি আমাদের ফুস্ফুসের জন্য অনেক উপকারি।বৃষ্টির সময় বিশুদ্ধ বাতাস বয়।এসময় বাতাসে ধুলোবালি থাকে না।এই সময় প্রতিটা নিশ্বাস আমাদের ফুস্ফুসের উন্নতি ঘটায়।


মানসিক অবসাদ কমাতে বৃষ্টিঃ মানসিক অবসাদ কমাতে  বৃষ্টির পানির উপকারিতা রয়েছে। বৃষ্টির পরে মাটি থেকে একটা ঘ্রাণ বের হয়।গবেষকদের মতে এই ঘ্রাণ যতটা সম্ভব ভেতরে নিতে হবে। তাহলে মানসিক অবসাদ কেটে যাবে এবং মনকে সতেজ প্রফুল্ল করে তুলবে।গবেষকদের ভাষায় এই গন্ধটিকে বলা হয় ( পেট্রিকোর )।বৃষ্টির সময় মাটিতে উপস্থিত এক প্রকার ব্যাক্টোরিয়া বিশেষ এক প্রকার কেমিক্যাল ছড়ায়।যার ফলে একটা শীতল গন্ধ বেরোতে থাকে।এই গন্ধটি মানসিক অবসাদ দূর করতে সহায়ক।


হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতেঃ গবেষকদের মতে  হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে বৃষ্টির পানি কার্যকর।অনেকেই আছে যারা হরমোন এর ভারসাম্যহীনতায় ভুগে।গবেষকদের মতে  নিয়মিত বৃষ্টি তে ভিজলে এই সমস্যার থেকে মুক্তি মিলবে।


চর্ম রোগের ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানিঃ অনেকেই বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগে ভুগে থাকে।ত্বকের উপড় বিভিন্ন ধরনের চুলকানী-ফুসকুড়ি - বিভিন্ন ঘা -ঘামাছি এ ধরনের রোগ থেকে থাকে। নিয়মিত বৃষ্টির পানিতে গোসল করতে পারলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।নিয়মিত বৃষ্টির পানিতে গোসল করতে পারলে খসখসে রুক্ষ ত্বক নমনীয় হবে এবং ত্বক মসৃণ হবে।


মন প্রফুল্ল করতে বৃষ্টিঃ গবেষকদের মতে বৃষ্টিতে ভিজলে দেহে এক প্রকার (এন্ডোরফিন) ও ( সেরাটোনিন) নামক হরমোন নিসৃত হয়। যার ফলে আমাদের মস্তিষ্কে আনন্দ অনুভূত হয়।বৃষ্টিতে ভিজলে সকল প্রকার দুশ্চিন্তা ও মানসিক অবসাদ দূর হয়। মানসিকভাবে অনেক হালকা লাগে। মন প্রানবন্ত হয়ে উঠে। হ্যা তবে বেশিক্ষন বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ১০ থেকে ১৫ মিনিট এরকম একটা স্বল্প সময় বৃষ্টি উপভোগ করা যেতে পারে।

বৃষ্টির পানিতে কোন ভিটামিন থাকে

বৃষ্টির পানিতে কোন প্রকার ভিটামিন নেই। তবে বৃষ্টির পানিতে খুব সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি ১২ পাওয়া যেতে পারে। এটি ঘটে থাকে প্রকৃতিতে থাকা বিভিন্ন অণুজীবের কারণে। যেহেতু বৃষ্টির পানি একটি প্রাকৃতিক পানি। আর আমরা জানি প্রকৃতিতে বিভিন্ন ধরনের অণুজীব ঘুরে বেড়ায়। এই অনুজীব গুলোর মধ্যে কিছু ব্যাকটেরিয়া বায়োসিন্থেসিসের সময় বায় প্রোডাক্ট হিসেবে ভিটামিন বি টুয়েলভ উৎপন্ন করে থাকে।

এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া গুলো বৃষ্টির পানিতে উপস্থিত থাকলে ক্ষেত্রে খুব সামান্য পরিমাণে ভিটামিন বি টুয়েলভ এর সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। পক্ষান্তরে বৃষ্টির পানি সম্পূর্ণটাই ভিটামিনহীন।

বৃষ্টির পানির pH কত

বৃষ্টির পানিতে pH এর মান 5.6  এর কম হলে সেই বৃষ্টীকে এসিড বৃষ্টি হিসেবে গন্য করা হয়।স্বভাবিক অবস্থায় বৃষ্টির পানিতে বায়ুর ( co2 )দ্রবীভূত অবস্থায়  কার্বনিক এসিড ( h2co3) অবস্থায় থাকে।কার্বনিক এসিড একটি দূর্বল এসিড হওয়ার কারণে এটি কম পরিমানে আয়রনিক হয়ে থাকে।বৃষ্টির পানিতে সবথেকে কম pH এর মান হতে পারে 5.6 ।

নানান ধরনের অম্লধর্মীয় অক্সাইড অর্থাৎ এসিড মিশ্রিত থাকার ফলে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি হয়।এবং এসব বৃষ্টির পানির pH এর মান বেসিরভাগ ক্ষেত্রেই 5.6 এর সমান বা বেসি হতে পারে।এক কথায় বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6।

এক নজরে বৃষ্টির পানির উপকারিতা 

  • বৃষ্টির পানিতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যালকালাইন , এটি চুলের ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে। 
  • বৃষ্টির পানি পেটের সমস্যা দূর করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়
  • ভারি বর্ষণের সময় প্রকৃতিতে যে জলীয় বাষ্প থাকে তা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। 
  • বৃষ্টির পানি ত্বকের উপরের বিভিন্য চর্ম রোগের বিরুদ্ধে কার্যকরি ভুমিকা পালন করে
  • বৃষ্টির পানি অনেক নমনীয় এবং অ্যালকালাইন পিএইচ সমৃদ্ধ।
  • বৃষ্টির পানি চুলের ক্ষেত্রে ভালো ভুমিকা পালন করে থাকে। 
  • বৃষ্টির পানি পান করলে দেহে জমে থাকা টক্সিন বের হয়ে যায়। 
  • বৃষ্টির সময় প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ বাসাত থাকে। এটি আমাদের ফুস্ফুসের জন্য অনেক উপকারি

বৃষ্টি সম্পর্কে শেষ কথা

বৃষ্টির পানিতে অনেক উপকারিতা থাকলেও বেশিক্ষণ বৃষ্টিতে ভেজা উচিত নয়। কারণ এতে করে শরীরের জ্বর সর্দি কাশির মত উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আমরা উপরে বৃষ্টি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য থেকে বৃষ্টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। যেহুতু বর্ষ মৌসুম চলছে আর এখন সবারই ইচ্ছা হবে বৃষ্টী উপভোগ করতে। উপরের আলোচনায় আমরা বৃষ্টির পানির উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। অতএব বৃষ্টির পানির উপকারিতা পেতে হলে আমাদেরকে উপরের আলোচনা সাপেক্ষে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url