শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ - শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয়

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয় এই পোষ্টের মধ্যে আমরা শিশুদের ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে সব তথ্য বিস্তারিত বর্ণনা করেছি।পাঠকগন যদি শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয় বিষয়ে যথাযথ বিষয়বস্তু জানতে চান তাহলে এই পোষ্ট আপনার জন্য যথেষ্ট।গুগলের তথ্যসূত্র অনুযায়ি এ্যসগার্ড বাসি শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয় বিষয়ে যথাযথ তথ্য উপস্থাপন করেছে।

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ - শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয়
যেহুতু শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে রয়েছে আজকের বিস্তারিত আলোচনা। আর আমদের দেশে প্রতিবছর এই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শিশু বাচ্চা মারা যায়।সেই সতর্কতার উপর ভিত্তি করে আমাদের আজকের এই আর্টিকেল টি সাজানো হয়েছে।বাচ্চাদেরকে ডেঙ্গুর হাত থেকে বাচাতে পুরো পোষ্টটি ভালোভাবে পড়ুন। 

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ - শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয়

  • শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা
  • শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো
  • শিশুদের ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়
  • শিশুদেরকে ডেঙ্গু থেকে বাচানোর উপায়
  • শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে সতর্কতা
  • শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে শেষ কথা

শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা

বাংলাদেশে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া এই ডেঙ্গুভাইরাসে আক্রান্ত দের মধ্যে একটি বিশাল অংশ হচ্ছে শিশু। এক্ষেত্রে শিশুদের জন্য বিশেষভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতা অবলম্বন করে চলতে হবে। কারণ এই রোগ বড়দের চাইতে শিশুদের উপর বেশি প্রভাব বিস্তার করে থাকে । শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত দের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চাদের মৃত্যু ঘটে থাকে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে বাচ্চাদেরকে ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচানোর জন্য মা-বাবার সচেতনতাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হয়েছে।

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলোর মধ্যে বিভিন্য লক্ষণ বিদ্যমান।তথ্যসূত্র অনুযায়ি দেখা গেছে বড়দের এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগের উপসর্গ গুলো প্রায় একই পর্যায়ের।ডেঙ্গু রিসার্চ করে আমরা বড়দের এবং শিশুদের উপসর্গ গুলোর মধ্যে ভিন্যতা পায় নি।হ্যা তবে বড়দের ক্ষেত্রে ছোটদের উপসর্গ গুলোর মধ্যে কিছু কমবশি ছিলো।তবে উপসর্গ বাদ দিলে যদি তূলনা করা হয় তাহলে বড়দের থেকে ছোটদের উপড় ডেঙ্গু বেশি প্রভাব ফেলেছে বলে জানা গেছে।তাই বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি রাখতে হবে।

শিশুদের ডেঙ্গু রোগের লক্ষণগুলো হচ্ছেঃ-

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ হিসেবে প্রধান বিষয় হচ্ছে জ্বর আর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত শিশুর গায়ের জ্বর ১০১ থেকে ১০৩ পর্যন্ত হতে পারে।কিন্তু এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে শুধুমাত্র উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর ডেঙ্গু প্রমান করে না। গবেষণার মাধ্যমে দেখা গেছে ১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রার কম তাপমাত্রার জ্বরের রোগীর শরীরেও ডেঙ্গু পজেটিভ পাওয়া গেছে। অতএব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সাধারণত ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার চার থেকে দশ দিনের মধ্যে উপসর্গগুলো প্রকাশ পাওয়া শুরু করে। এবং পরে শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ধীরে ধীরে সবগুলো প্রকাশ পেতে থাকে। নিচে শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো উপস্থাপন করা হলোঃ-

  • সর্বপ্রথম উপসর্গ যা আমরা আগেও জেনেছি সেটা হল অস্বাভাবিকভাবে শরীরের জ্বর আসা
  • বাচ্চার চোখ লাল হয়ে যায় শ্বাসকষ্ট এবং কাশি হতে পারে
  • বাচ্চার পেট ব্যথা মাথাব্যথা এবং সমস্ত শরীরের ব্যথা হতে পারে
  • বাচ্চা শরীরে পানি শূন্যতা এবং বাচ্চার পাতলা পায়খানা হতে পারে
  • সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে
  • ক্ষুধামন্দা অর্থাৎ খাওয়ায় অরুচি দেখা দেয়
  • বমি বমি ভাব হয় কিছু খাবার পর সাথে সাথে বমি হয়
  • শিশুরা শরীরের বল হারিয়ে ফেলে নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং ঝিমিয়ে যায়
  • পেট ফুলে যায় এবং রক্তক্ষরণের মতন সমস্যা দেখা দিতে পারে এজন্য ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হতে পারে
  • শিশুর শরীরের রক্ত ে প্লাটিলেট কমে যায় এবং রক্তক্ষরণ হতে পারে

উপরের লক্ষণগুলো কোন বাচ্চার মধ্যে প্রকাশ ফেলে সচেতন মা-বাবার উচিত অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। এবং ডেঙ্গু টেস্ট করা। সকল তথ্যসূত্র ও চিকিৎসকদের পরামর্শ গবেষণা করলে শিশুদের ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি উঠে আসে সেটি হলো বাবা-মার অসচেতনতা। কারণ শিশুরা বড়দের মতো করে  সবকিছু খুলে বলতে পারে না।যার দরুন মা বাবার অসচেতনতার ফল হিসেবে দুঃখজনক পরিস্থিতির শিকার হতে হয়।

শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে সতর্কতা

শিশুদের ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে অধিকাংশ বাবা-মায়েরা মনে করেন যে মৌসুমী জ্বর হয়েছে, তাই তারা বিশেষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে সাধারণ কিছু জরের ঔষধ সেবন করে থাকেন। যেহেতু আমরা ইতিপূর্বে জেনেছি ডেঙ্গু রোগের প্রথম এবং প্রধান উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। তাই অধিকাংশ বাবা-মারায় বাচ্চার জ্বর হলে সাধারণ জ্বর মনে করে চিকিৎসা নিতে অনেক দেরি করে ফেলে। তাই বাচ্চাদের জ্বর তিন দিনের অধিক হয়ে গেলে অবশ্যই ডেঙ্গু পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরী। সকল তথ্যসূত্র এবং বড় বড় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের ডেঙ্গু রোগের বিষয়ে যা উল্লেখ রয়েছে তা হলো মা বাবার সচেতনতা। শিশুদের ডেঙ্গু রোগ থেকে প্রতিকার পাওয়ার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে সচেতন মা বাবার সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ।

শিশুদেরকে ডেঙ্গু থেকে বাচানোর উপায়

শিশুদেরকে ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচাতে হলে সর্বপ্রথম তাদেরকে মশার হাত থেকে বাঁচাতে হবে। এক্ষেত্রে বাড়ির আশেপাশে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে হবে। যেহেতু আমরা জানি মশা আবদ্ধ পানিতে ডিম পাড়ে, তাই বাড়ির আশেপাশে জমে থাকা পানির অপসারণ করতে হবে। আর এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে তাই বাড়ির আশেপাশে পরিষ্কার পানি হোক আর দূষিত পানি হোক না কেন সকল প্রকার জমে থাকা আবদ্ধ জল নিঃসরণ করতে হবে।
শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ - শিশুদের ডেঙ্গু হলে করণীয়
শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ পোষ্টের এই ধাপে আমরা শিশুদের ডেঙ্গু থেকে পরিত্রান পাওয়ার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানবো।বাসায় থাকা অবস্থায় শিশুদেরকে সবসময় মশারির ভিতরে রাখতে হবে। বিশেষ করে নবজাতক শিশুদেরকে সব সময় মশার ভিতরে রাখা উচিত কারণ নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রাণনাশক হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। শিশুরা ঘরের ভেতরে বা ঘরের বাইরে থাকা অবস্থায় সবসময় তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের মশা নিরোধ করণ স্প্রে বা জেল বা ক্রিম রয়েছে এগুলো ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে বাজারে ভিন্ন বয়সের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ কিছু ক্রিম পাওয়া যায়। যেগুলো ত্বকের উপর ব্যবহার করলে মশা কামড়ায় না এধরনের মসকিটো রেপেলেন্ট ব্যবহার করতে হবে।

একেবারে নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে যদি এধরনের বিশেষ ক্রিম বা জেল ব্যবহার করা না যায় তাহলে সব সময় তাদের জন্য মশারি নিশ্চিত করতে হবে। যেই ঘরে শিশুকে রাখা হবে সে ঘরটি মস্কিটোপ্রুফ করে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ঘর কে মস্কিটোপ্রুফ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের এরোসল, মশার কয়েল , ফাস্ট কার্ড এগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ হলো এই ধরনের জিনিসগুলো মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে আর যদি হয় তা নবজাতকের ক্ষেত্রে তাহলে তো কোন কথাই নাই । নবজাতকের ক্ষেত্রে এই ধরনের এরোসল, মশার কয়েল , ফাস্ট কার্ড এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


আপনাদেরকে সচেতন করার ক্ষেত্রে এ্যসগার্ড বাসির পক্ষ থেকে আবেদন থাকবে প্রতিবছর ডেঙ্গু রোগের সময় অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত শিশুদেরকে খুব সাবধানে রাখতে হবে।প্রয়োজনে ঘরের ভেতর সবসময় মশারি ব্যাবহার করতে হবে।শিশুদেরকে মশার হাত থেকে বাচানোর জন্য যা যা করতে হয় সব পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।প্রয়জনে বিভিন্য মস্কিটো রেপেলন্ট জেল বা স্প্রে অথবা ক্রিম ব্যাবহার করতে হবে।

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বর হলে করণীয়


বাচ্চাদের ডেঙ্গু জ্বরের হলে করণীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে সবথেকে বড় ভুমিকা রাখে বাবা-মা।কারণ এরকম অনেক কেসে দেখা গেছে মা বাবার গাফেলতির স্বীকার হয়ে অনেক শিশু প্রাণ হারিয়েছে।বিশেষ করে অসচেতন মা বাবা দের ক্ষেত্রে বেশি এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে।বাচ্চার জ্বর হলে সাধারন জ্বর ভেবে নিয়ে কনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।আশেপাশের ফার্মেসি থেকে সামান্য কিছু প্রাথমিক পর্যায়ের ঔষধ সেবন করে থাকে।পরে অবস্থা বেগোতিক হয়ে গেলে তখন হাসপাতালে ছুটোছুটি করতে হয়।

শিশুদের ডেঙ্গু ু জ্বর হলে বাবা-মার করণীয় হবে অহেতুক সময় নষ্ট না করে ভালো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। ওপরে উল্লেখিত শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ গুলো কোন শিশুর ক্ষেত্রে প্রকাশ পেলে বুঝে নিতে হবে এটি কোন স্বাভাবিক জ্বর নয়। শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ কোন শিশুর ক্ষেত্রে সবগুলো প্রকাশ না পেলেও জ্বর যদি দুই থেকে তিন দিনের অধিক হয়ে থাকে তাহলে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে।

এখানে একটি বড় আলোচ্য বিষয় হচ্ছে অনেকেই গুগলে অথবা বিভিন্ন ইন্টারনেট জগতে একটি বিষয়ের উপরে খোঁজাখুঁজি করে থাকে আর সেটি হল বাচ্চাদের ডেঙ্গু রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে। উল্লিখিত শিশুদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এসগার্ড বিভিন্ন তথ্য সূত্র এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী বিষয়টি রিসার্চ করে যে ফলাফল পেয়েছে সেটা হল বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যে কোন রোগের উপরে ঘরোয়া চিকিৎসা একেবারে বাঞ্ছনীয়।

আর যেহেতু এখানে আমাদের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ডেঙ্গু রোগের উপর বিস্তারিত জানাশোনা। সেই অনুযায়ী আমরা ইতিপূর্বে জেনেছি ডেঙ্গু শরীরে একটি ভাইরাস আক্রমণ যা চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করা যায়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি জটিল রূপ ধারণ করে। আর বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তাই চিকিৎসার বিষয়ে বলতে গেলে বাচ্চাদেরকে ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচাতে হলে ঘরোয়া এমন কোন চিকিৎসা নেই যা অবলম্বন করে এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

ডেঙ্গুর রোগ প্রতিরোধ করতে বা এর থেকে প্রতিকার পেতে মানুষ নিজে থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। তবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজে থেকে কোন কিছু করা যায় না। ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করতে হবে।তাই উপরের আলোচনা থেকে আমরা সুস্পষ্ট ধারণা পেয়ে গেছি যে বাচ্চাদের ডেঙ্গু রোগ হলে ঘরোয়া চিকিৎসা না খুঁজে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অনিবার্য।

শিশুদের ডেঙ্গু সম্পর্কে শেষকথা।

এই পোস্টে আমরা শিশুদের ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য প্রদান করেছি যেগুলো অধ্যয়ন করলে একটি বিষয় সামনে আসে আর সেটি হল শুধু ডেঙ্গু নয় শিশুদেরকে যেকোনো রোগের বা অসুখের হাত থেকে বাঁচাতে হলে গার্জিয়ানদের ভূমিকা অপরিসীম। আমরা শিশুদের ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচার উপায় ডেঙ্গু সম্পর্কে সতর্কতা ইত্যাদি বিষয়বস্তু যথাযথ উল্লেখ করেছি এবং আমরা আশাবাদী এ থেকে আপনারা শিশুদের ডেঙ্গু রোগের সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা পেয়েছেন। শিশুদের ডেঙ্গু রোগের উপরে গবেষণা করে গুগলের তথ্যসূত্র অনুযায়ী এবং  বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী যে বিষয়বস্তুগুলো আওতাধীন সে সকল বিষয়বস্তুগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পরিশেষে বলতে হয় ডেঙ্গু এমন কোন মরণব্যাধির রোগ নয় যে রোগে আক্রান্ত হলে ফলাফল শোচনীয় হতে পারে। ডেঙ্গু একটি সাধারন ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রতি বছরে আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক মানুষের হয়ে থাকে এবং এবং চিকিৎসার মাধ্যমে অনায়াসে আরোগ্য লাভ করে থাকে। গবেষকরা বলছে ডেঙ্গু রোগের শতকরা ১% মানুষের ক্ষেত্রে এটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। আর যেহেতু আমাদের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে শিশুদের সম্পর্কে। সেও তো একটা কথা বলতেই হয় সময়মতো চিকিৎসা পেলে কোন কারণ থাকে না।

শিশুদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে শুধু মাত্র সঠিক  সময়ে সঠিক পদক্ষেপ না গ্রহণ করার জন্য। যার জন্য আমরা বারবার উল্লেখ করেছি মা-বাবার অসচেতনতা এর মূলে রয়েছে। প্রতিরোধের থেকে প্রতিকার উত্তম। অতএব ভয় নয় জানতে হবে। সময় মতো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সমাপ্ত

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

পোষ্ট পড়ে আমাদেরকে আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন। আপনাদের প্রতিটি কমেন্ট রিভিও করা হয়

comment url